নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে কাজের গতি ও সমন্বয় বাড়াতে দুর্গাপুরের সৃজনী হলে রিভিউ মিটিং করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। মিটিংয়ে হাজির হয়েছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা পরিষদ সদস্য থেকে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা। পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিটি প্রকল্প নিয়ে এদিন খুঁটিয়ে আলোচনা করেন মন্ত্রী ও দপ্তরের সচিব পদমর্যাদার অফিসাররা। কয়েকটি প্রকল্পের জন্য যেমন পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশংসিত হয়েছে তেমনি বেশ কিছু প্রকল্পের পিছিয়ে পড়ার তথ্যও সামনে এসেছে। জনপ্রতিনিধিরা পঞ্চায়েতের শীর্ষ আধিকারিকদের হাতের কাছে পেয়ে একাধিক বিষয়ে দাবি দওয়া তুলে ধরেন। এদিন বৈঠকে নির্মল বাংলা প্রকল্প নিয়ে দায়সারা মনোভাবের সমালোচনা করেন পঞ্চায়েত সচিব পি উলগানাথন। তিনি বলেন, জেলায় বহু সেমি আরবান এলাকা রয়েছে, যেখানে নিকাশি ব্যবস্থা না করেই আবাসন গড়ে উঠছে। বহু ক্ষেত্রে টাকা ফেরত যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গেই জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যাক্ষ সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গরিব মানুষ আগে ১২ হাজার টাকা খরচ করে কী করে শৌচালয় তৈরি করবে? তখনই পঞ্চায়েত সচিব বলেন, অনুমোদন পেলেই ৫ হাজার টাকা পাবেন উপভোক্তা। সুবীরবাবু বলেন, রানিগঞ্জে ব্লকে কেউ এই সুবিধা পান না। কেন এমন ঘটছে বিডিওর কাছে তার কৈফিয়ত চান পঞ্চায়েত সচিব। বৈঠকে এক জনপ্রতিনিধি বলেন, নির্মাণ সহায়ক একই জায়গায় বহুদিন রয়েছেন। তিনি ঠিক ভাবে কাজ করছেন না। শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য নিরঞ্জন মণ্ডল বলেন, আমাদের পঞ্চায়েত সলিড ওয়েস্ট ম্যাজেমেন্ট প্রজেক্ট করল, অথচ সেখানে আমরাই আবর্জনা ফেলতে পারছি না। অণ্ডাল বিমান উপনগরী সহ অন্যান্য জায়গায় আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এনিয়ে সমস্যা হচ্ছে। জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ আরমান বলেন, রূপনারায়ণপুরের আমডাঙা মোড় থেকে গৌরান্ডির রাস্তাটির বেহাল দশা। দুর্গাপুর-ফরিদপুর এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য সুজিত মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ব্লকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের ৩০ লক্ষ টাকা আটকে আছে তা যেন দেখা হয়।
Advertisement
ছোট থেকে বড় পঞ্চায়েত দপ্তরের নানা সমস্যা নিয়ে চর্চা হয়েছে। দপ্তরের মন্ত্রী, সচিবকে সমস্যা জানাতে পেরে বেজায় খুশি জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের দাবি, এধরনের বৈঠক করে কাজের হিসেব নেওয়া হলে কাজের গতি বাড়বেই।
এদিন জেলা পরিষদের মেন্টর ভি শিবদাসন দাসু বলেন, কিছু পঞ্চায়েত সমিতিকে বাইরে থেকে নেতারা পরিচালনা করার চেষ্টা করছেন। তা বিডিওদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সমন্বয় বাড়ালে আরও ভালো কাজ হবে। জেলা সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কাছে আর্জি করেন, জেলা পরিষদের নিজস্ব বিল্ডিং গড়ার বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখতে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, নানা বিষয় নিয়ে সুষ্ঠুভাবে আলোচনা হয়েছে। আবাস প্রকল্প, সড়ক যোজনা, একশো দিনের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করে গ্রামীণ অর্থনীতি ভেঙে দিতে চেয়েছিল। আমরা তা হতে দিইনি। গ্রামের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। উন্নয়ন তরান্বিত করতেই রিভিউ মিটিং হচ্ছে প্রতিটি জেলায়। এদিনের মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পোন্নমবলম এস, অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রশান্তরাজ শুল্কা।
এদিন জেলা পরিষদের মেন্টর ভি শিবদাসন দাসু বলেন, কিছু পঞ্চায়েত সমিতিকে বাইরে থেকে নেতারা পরিচালনা করার চেষ্টা করছেন। তা বিডিওদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সমন্বয় বাড়ালে আরও ভালো কাজ হবে। জেলা সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কাছে আর্জি করেন, জেলা পরিষদের নিজস্ব বিল্ডিং গড়ার বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখতে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, নানা বিষয় নিয়ে সুষ্ঠুভাবে আলোচনা হয়েছে। আবাস প্রকল্প, সড়ক যোজনা, একশো দিনের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করে গ্রামীণ অর্থনীতি ভেঙে দিতে চেয়েছিল। আমরা তা হতে দিইনি। গ্রামের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। উন্নয়ন তরান্বিত করতেই রিভিউ মিটিং হচ্ছে প্রতিটি জেলায়। এদিনের মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পোন্নমবলম এস, অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রশান্তরাজ শুল্কা।



