সংবাদদাতা, চাঁচল: সরকরি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিতে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ সামনে এসেছে। অফিস টাইম শেষ হওয়ার পরে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বোর্ড লাগানো গাড়িতে এলাকায় ঘুরে কাটমানি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তাঁরই চালকের বিরুদ্ধে। বার্ধক্য, বিধবা, মানবিক ভাতা ও বাংলার বাড়ি সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
Advertisement
মালদহের তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত চাঁচল-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে এনিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। ব্লকের জিয়াগাছি গ্রামের পরিযায়ী শ্রমিক তারিকুল ইসলাম বিডিও ও জেলা প্রশাসনের কাছে এই অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগ, অফিস ছুটি হওয়ার পর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বোর্ড লাগানো গাড়ি নিয়ে এলাকায় ঘুরছেন চালক ইমরুল কয়েস। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চালক ইমরুল।
অভিযোগকারী তারিকুল বলেন,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ির চালকের নাকি সব জায়গায় হাত রয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেবেন বলে আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তালিকায় নাম ছিল ও মোবাইলে মেসেজও আসে। কিন্তু টাকা এখনও পাইনি। আরও বাড়তি টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন ইমরুল। আরেক উপভোক্তা শামসুল হক বলেন, আমার ঘরের তালিকায় নাম ছিল। ইমরুল ছ’হাজার টাকা দাবি করছিলেন। টাকা না দেওয়ায় নাম বাতিলের হুমকি দেন। আমিও টাকা পাইনি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির নাম করে তিনি এলাকায় আরও অনেকের কাছ থেকে কাটমানি আদায় করছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাঁচল-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের বাদল সাহা। তিনি বলেন, এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমি ভাড়া গাড়িতে যাতায়াত করি। ছুটির পর আমার নামাঙ্কিত বোর্ড খুলে রাখা হয়। আমাকে ও দলকে কালিমালিপ্ত করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
অভিযুক্ত ইমরুল কয়েস এলাকায় ঠিকাদার ও তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। মালতীপুর বিধানসভার কংগ্রেসের যুব সভাপতি মহম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বাংলার বাড়ি সহ সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে কাটমানি দিতে হচ্ছে। তৃণমূলের কিছু দাপুটে নেতা এর সঙ্গে জড়িত। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করে পদক্ষেপ করুক। ইমরুল কয়েস বলেন,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ি নিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমার নামে অযথা কুৎসা রটানো হচ্ছে। তারিকুলকে টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই ৩০ হাজার টাকা নিয়েছি। চাঁচল-২ বিডিও শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, সরকারি প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দিতে টাকা আদায় করলে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।
অভিযোগকারী তারিকুল বলেন,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ির চালকের নাকি সব জায়গায় হাত রয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেবেন বলে আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তালিকায় নাম ছিল ও মোবাইলে মেসেজও আসে। কিন্তু টাকা এখনও পাইনি। আরও বাড়তি টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেন ইমরুল। আরেক উপভোক্তা শামসুল হক বলেন, আমার ঘরের তালিকায় নাম ছিল। ইমরুল ছ’হাজার টাকা দাবি করছিলেন। টাকা না দেওয়ায় নাম বাতিলের হুমকি দেন। আমিও টাকা পাইনি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির নাম করে তিনি এলাকায় আরও অনেকের কাছ থেকে কাটমানি আদায় করছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাঁচল-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের বাদল সাহা। তিনি বলেন, এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। আমি ভাড়া গাড়িতে যাতায়াত করি। ছুটির পর আমার নামাঙ্কিত বোর্ড খুলে রাখা হয়। আমাকে ও দলকে কালিমালিপ্ত করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
অভিযুক্ত ইমরুল কয়েস এলাকায় ঠিকাদার ও তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। মালতীপুর বিধানসভার কংগ্রেসের যুব সভাপতি মহম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বাংলার বাড়ি সহ সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাধারণ মানুষকে কাটমানি দিতে হচ্ছে। তৃণমূলের কিছু দাপুটে নেতা এর সঙ্গে জড়িত। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করে পদক্ষেপ করুক। ইমরুল কয়েস বলেন,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির গাড়ি নিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমার নামে অযথা কুৎসা রটানো হচ্ছে। তারিকুলকে টাকা ধার দিয়েছিলাম। সেই ৩০ হাজার টাকা নিয়েছি। চাঁচল-২ বিডিও শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, সরকারি প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দিতে টাকা আদায় করলে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।



