সংবাদদাতা, ডোমকল: মাস কয়েক আগে ঘটা করে উদ্বোধন করা হয়েছিল রানিনগর ২ পঞ্চায়েত সমিতির কমিউনিটি হল। স্থানীয় বিধায়ক, সাংসদকে ব্রাত্য রেখে তৎকালীন বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হয়েছিল ওই কমিউনিটি হলের। অভিযোগ, তার মাস কয়েক যেতে না যেতেই পুনরায় উদ্বোধন করা হচ্ছে ওই একই কমিউনিটি হলের। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ওই কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করা হবে। একই হলের দু’বার উদ্বোধন, পাশাপাশি সেটির নাম পরিবর্তনের অভিযোগে সরব হয়েছে কংগ্রেস। বুধবার এই মর্মে কংগ্রেসের তরফে প্রশাসনিক মহলে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, রানিনগর থানার পাশে ওই কমিউনিটি হলটি ডাকবাংলো নামেই এলাকায় পরিচিত। তৈরির দেড় দশকের মাথায় মার্চ মাসে প্রথমবার সেটির উদ্বোধন হয়েছিল। সেটির উদ্বোধন করেছিলেন অধীর। ওই সময়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুদ্দুস আলি কংগ্রেসে ছিলেন। তাই সেই সময়ে রাজনৈতিক কারণে তাঁদের ব্রাত্য রাখার অভিযোগ করেছিল তৃণমূল। তবে বর্তমানে ওই সভাপতি তৃণমূলে। তাঁর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার পুনরায় উদ্বোধন হবে কমিউনিটি হলের। তবে ওই কমিউনিটি হলের নামকরণ ‘মান্নান হোসেন স্মৃতি সদন’। আর এই নামকরণই কমিউনিটি হলের উদ্বোধনে বিতর্কের ঘি ঢেলে দিয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, সরকারি খরচে তৈরি এই ধরনের অডিটোরিয়াম, কমিউনিটি হল সাধরণত মনীষীদের নামে করা হয়। অথচ রাজনৈতিক কারণে মনীষীদের নামের পরিবর্তে ওই নাম রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মার্চ মাসে উদ্বোধন করা কমিউনিটি হলের পুনরায় কীভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে? সেই প্রশ্নেও সরব হয়েছে কংগ্রেস।
রানিনগর ২ ব্লক কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতাজ বেগম হীরা বলেন, মান্নান সাহেবের ছেলে সৌমিক হোসেন এলাকার বিধায়ক হওয়ায় ওই নাম পরিবর্তন করেছেন কুদ্দুস আলি। মান্নান সাহেব আমাদের কাছে শ্রদ্ধার। কিন্তু সরকারি অর্থে নির্মিত কমিউনিটি হল কখনওই রাজনৈতিক ব্যক্তির নামে করা যায় না। আমরা চাই হলটির নামকরণ হোক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজি নজরুল ইসলাম, সুভাষচন্দ্র বসু, সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো মনীষীদের নামে। আমরা পুরো ঘটনা বিডিওকে জানিয়েছি। সমাধান না হলে বৃহত্তরভাবে পথে নামব। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুদ্দুস বলেন, দু’বার উদ্বোধন হচ্ছে এটা ঠিক। তবে আগে নীচের অংশ অর্থাৎ ওই হল ঘরের অনুষ্ঠান বাড়িটির উদ্বোধন হয়েছিল। এবারে ওপরের কমিউনিটি হলের উদ্বোধন হবে। মান্নানসাহেব মুর্শিদাবাদের উন্নয়নে মান্নান সাহেবের প্রচুর অবদান রয়েছে। সেই কারণেই তাঁর নামে ওই কমিউনিটি হলের নাম রাখা হয়েছে। আর যেহেতু সৌমিক হোসেন স্থানীয় বিধায়ক, তাই তাঁর নাম উদ্বোধক হিসেবে রাখা হয়েছে। এদিন বিতর্কের প্রসঙ্গ নিয়ে মুর্শিদাবাদ লোকসভার সাংসদ আবু তাহের খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মজার ছলেই পুরো বিষয়টির উত্তর দেন। বলেন, দেখুন বিতর্ক না হলে মিডিয়া খবর পাবে কী করে? আমরা বির্তক করছি বলেই তো আপনারা খবর পাচ্ছেন! আমরা ফাউল করেছি, তাই বির্তকের সুযোগ হয়েছে। ফাউল কিছুটা হচ্ছে, অস্বীকার করে লাভ নেই। আগেরবার, আমার এলাকা, অথচ আমি আমন্ত্রিত ছিলাম না। অধীর চৌধুরীকে দিয়ে ওই কমিউনিটি হল উদ্বোধন করানো হয়েছিল। আবার সেই সভাপতি আজকে আমাকে দিয়ে ফিতে কাটার জন্য আমন্ত্রণ করছে। তাহলে বুঝতে হবে, কী আর বলব আমি?
রানিনগর ২ ব্লক কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতাজ বেগম হীরা বলেন, মান্নান সাহেবের ছেলে সৌমিক হোসেন এলাকার বিধায়ক হওয়ায় ওই নাম পরিবর্তন করেছেন কুদ্দুস আলি। মান্নান সাহেব আমাদের কাছে শ্রদ্ধার। কিন্তু সরকারি অর্থে নির্মিত কমিউনিটি হল কখনওই রাজনৈতিক ব্যক্তির নামে করা যায় না। আমরা চাই হলটির নামকরণ হোক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজি নজরুল ইসলাম, সুভাষচন্দ্র বসু, সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো মনীষীদের নামে। আমরা পুরো ঘটনা বিডিওকে জানিয়েছি। সমাধান না হলে বৃহত্তরভাবে পথে নামব। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুদ্দুস বলেন, দু’বার উদ্বোধন হচ্ছে এটা ঠিক। তবে আগে নীচের অংশ অর্থাৎ ওই হল ঘরের অনুষ্ঠান বাড়িটির উদ্বোধন হয়েছিল। এবারে ওপরের কমিউনিটি হলের উদ্বোধন হবে। মান্নানসাহেব মুর্শিদাবাদের উন্নয়নে মান্নান সাহেবের প্রচুর অবদান রয়েছে। সেই কারণেই তাঁর নামে ওই কমিউনিটি হলের নাম রাখা হয়েছে। আর যেহেতু সৌমিক হোসেন স্থানীয় বিধায়ক, তাই তাঁর নাম উদ্বোধক হিসেবে রাখা হয়েছে। এদিন বিতর্কের প্রসঙ্গ নিয়ে মুর্শিদাবাদ লোকসভার সাংসদ আবু তাহের খানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মজার ছলেই পুরো বিষয়টির উত্তর দেন। বলেন, দেখুন বিতর্ক না হলে মিডিয়া খবর পাবে কী করে? আমরা বির্তক করছি বলেই তো আপনারা খবর পাচ্ছেন! আমরা ফাউল করেছি, তাই বির্তকের সুযোগ হয়েছে। ফাউল কিছুটা হচ্ছে, অস্বীকার করে লাভ নেই। আগেরবার, আমার এলাকা, অথচ আমি আমন্ত্রিত ছিলাম না। অধীর চৌধুরীকে দিয়ে ওই কমিউনিটি হল উদ্বোধন করানো হয়েছিল। আবার সেই সভাপতি আজকে আমাকে দিয়ে ফিতে কাটার জন্য আমন্ত্রণ করছে। তাহলে বুঝতে হবে, কী আর বলব আমি?



