সংবাদদাতা, ঘাটাল: বাবা এবং স্বামীর নামে আবাস যোজনার বাড়ির সুপারিশ করলেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান। ওই তালিকা সামনে আসতেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছেন ঘাটাল ব্লকের অজবনগর-১ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রীনা ধাড়া। শুধু স্বামী ও বাবা নয়, প্রকৃত প্রাপকদের বাদ দিয়ে রীনাদেবী তাঁর বহু আত্মীয় পরিজনদের নামও আবাস যোজনার জন্য সুপারিশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এনিয়ে বুধবার জেলা শাসকের কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। এমন নয় যে, তাঁর বাবা দুঃস্থ, অসহায়, তাঁর নিজস্ব ব্যবসা আছে। শুধু তাই নয়, রীনাদেবীর ভাই স্কুল শিক্ষক। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এই সম্পন্ন পরিবারের জন্য আবাস যোজনার ঘর বরাদ্দ করা হল।
Advertisement
নিজের পরিজনদের নাম যে আবাস তালিকায় রয়েছে তা স্বীকার করলেও নিজের দায় এড়িয়ে গিয়েছেন রীনাদেবী। তিনি বলেন, ‘আমি এক বছরের কিছু বেশি সময় ধরে প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু ওই তালিকা অনেক দিন আগেই তৈরি হয়েছিল। তখন কীভাবে তৈরি হয়েছে সেটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।’ তৃণমূল নেতা তথা ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর জানান, এনিয়ে তাঁর কাছে সুনির্দিষ্টভাবে কেউ অভিযোগ করেননি। তবে তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
রীনাদেবী প্রধান পদে বসার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসে বনদপ্তরের অনুমতি না নিয়েই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ৩৫টির বেশি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। অক্টোবর মাসে ওই প্রধানের বিরুদ্ধে ন’টি নির্দিষ্টি অনিয়ম তুলে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। জেলা প্রাশসন থেকে বিডিও অভীক বিশ্বাসকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আবাস তালিকা নিয়ে নতুন অভিযোগ উঠল রীনাদেবীর বিরুদ্ধে।
রীনাদেবীর বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি মান্দারিয়া গ্রামে। আবাস যোজনার তালিকায় দেখা যাচ্ছে, রীনাদেবীর স্বামী সুমন্ত ধাড়া পেশায় পশু চিকিৎসক। তাঁর নামেও বাড়ির সুপারিশ করা হয়েছে। প্রধানের বাবা কাশীনাথ ঘোড়ইয়ের পাকা বাড়ি রয়েছে। তিনি এক জন ব্যবসায়ী। প্রধানের ভাই স্কুল শিক্ষক। রীনাদেবীর তাঁর বাবাকে আবাস যোজনার তালিকায় রেখেছেন। অথচ মান্দারিয়া গ্রামের আজমিরা খাতুন, আনন্দপুরের অশোক দোলই, ভাঙাদহের শ্রীমন্ত দোলই, ব্যাংরালের সনাতন দোলইয়ের মতো বহু পরিবার জরাজীর্ণ মাটির বাড়িতে বসবাস করা সত্ত্বেও তাঁদের নাম আবাস তালিকায় নেই। অশোকবাবু, শ্রীমন্তবাবু প্রমুখ বলেন, ‘আমাদের নাম কেন তালিকায় নেই বুঝতে পারছি না। আমাদের বাড়ি করার সামর্থ নেই। সরকার যদি বাড়ি না দেয় তাহলে আগামী দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পথে বসতে হবে। বিষয়টি আমরা জেলা প্রশাসনে জানিয়েছি।’
রীনাদেবী প্রধান পদে বসার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসে বনদপ্তরের অনুমতি না নিয়েই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ৩৫টির বেশি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। অক্টোবর মাসে ওই প্রধানের বিরুদ্ধে ন’টি নির্দিষ্টি অনিয়ম তুলে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। জেলা প্রাশসন থেকে বিডিও অভীক বিশ্বাসকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আবাস তালিকা নিয়ে নতুন অভিযোগ উঠল রীনাদেবীর বিরুদ্ধে।
রীনাদেবীর বাপের বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি মান্দারিয়া গ্রামে। আবাস যোজনার তালিকায় দেখা যাচ্ছে, রীনাদেবীর স্বামী সুমন্ত ধাড়া পেশায় পশু চিকিৎসক। তাঁর নামেও বাড়ির সুপারিশ করা হয়েছে। প্রধানের বাবা কাশীনাথ ঘোড়ইয়ের পাকা বাড়ি রয়েছে। তিনি এক জন ব্যবসায়ী। প্রধানের ভাই স্কুল শিক্ষক। রীনাদেবীর তাঁর বাবাকে আবাস যোজনার তালিকায় রেখেছেন। অথচ মান্দারিয়া গ্রামের আজমিরা খাতুন, আনন্দপুরের অশোক দোলই, ভাঙাদহের শ্রীমন্ত দোলই, ব্যাংরালের সনাতন দোলইয়ের মতো বহু পরিবার জরাজীর্ণ মাটির বাড়িতে বসবাস করা সত্ত্বেও তাঁদের নাম আবাস তালিকায় নেই। অশোকবাবু, শ্রীমন্তবাবু প্রমুখ বলেন, ‘আমাদের নাম কেন তালিকায় নেই বুঝতে পারছি না। আমাদের বাড়ি করার সামর্থ নেই। সরকার যদি বাড়ি না দেয় তাহলে আগামী দিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পথে বসতে হবে। বিষয়টি আমরা জেলা প্রশাসনে জানিয়েছি।’



