সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মনীষী পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন সপ্তাহ ধরে পালন করা হচ্ছে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে। বাংলা ও ইতিহাস বিভাগের যৌথ উদ্যোগে পালিত এই কর্মসূচি। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘পঞ্চানন পক্ষ’। বুধবার খলিসামারিতে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন পঞ্চানন অনুরাগী গিরীন্দ্রনাথ বর্মন। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপিকা ও ছাত্রছাত্রীরা।
Advertisement
ছাত্রছাত্রীদের প্রতিযোগিতামূল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও আগামী ৬, ১০ ও ১৪ তারিখে পঞ্চানন বর্মার জীবনীর উপর আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপকরা ছাড়াও আমন্ত্রিত বক্তারা মনীষীর জীবনী নিয়ে আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাংলা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কল্পনা রায় বলেন, আমরা সপ্তসহব্যাপী পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন পালন করছি। এই সময়কালকে আমরা পঞ্চানন পক্ষ হিসেবে তুলে ধরছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্টজনেরা মনীষীর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। ছাত্রছাত্রীরা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। আমরা আরও বৃহত্তরভাবে মনীষীর জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। তবে নানা কারনে সেটা সম্ভব হয়নি। আগামি বছর আন্তর্জাতিক স্তরের একটি সেমিনার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ধারাবাহিক আন্দোলন, নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ফসল এই দ্বিতীয় ক্যাম্পাস। মনীষী পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটায় সপ্তাহকাল ধরে জন্মদিন পালনে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই সময়কে পঞ্চানন পক্ষ হিসেবে তুলে ধরাও একটি ইতিবাচক দিক। ছাত্রছাত্রীরা মনীষীর জন্মভিটায় দাঁড়িয়ে তার জীবনী নিয়ে চর্চা করবে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ইতিহাস বিভাগের কো-অর্ডিনেটর দীপান্বিতা দাশগুপ্ত বলেন, পঞ্চানন বর্মাকে জানা ও সমকালীন সময়ের ইতিহাস নিয়ে আমরা আলোচনা চক্রের আয়োজন করেছি। আমরা চাই, মনীষীর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনার পরিধি আরও প্রসারিত হোক।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের বাংলা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কল্পনা রায় বলেন, আমরা সপ্তসহব্যাপী পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন পালন করছি। এই সময়কালকে আমরা পঞ্চানন পক্ষ হিসেবে তুলে ধরছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্টজনেরা মনীষীর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। ছাত্রছাত্রীরা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। আমরা আরও বৃহত্তরভাবে মনীষীর জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। তবে নানা কারনে সেটা সম্ভব হয়নি। আগামি বছর আন্তর্জাতিক স্তরের একটি সেমিনার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ধারাবাহিক আন্দোলন, নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ফসল এই দ্বিতীয় ক্যাম্পাস। মনীষী পঞ্চানন বর্মার জন্মভিটায় সপ্তাহকাল ধরে জন্মদিন পালনে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এই সময়কে পঞ্চানন পক্ষ হিসেবে তুলে ধরাও একটি ইতিবাচক দিক। ছাত্রছাত্রীরা মনীষীর জন্মভিটায় দাঁড়িয়ে তার জীবনী নিয়ে চর্চা করবে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ইতিহাস বিভাগের কো-অর্ডিনেটর দীপান্বিতা দাশগুপ্ত বলেন, পঞ্চানন বর্মাকে জানা ও সমকালীন সময়ের ইতিহাস নিয়ে আমরা আলোচনা চক্রের আয়োজন করেছি। আমরা চাই, মনীষীর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনার পরিধি আরও প্রসারিত হোক।



