নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: রাজ্যে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে শীর্ষে উত্তরবঙ্গের চার জেলা। প্রথম আলিপুরদুয়ার, দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। এরবাইরে চতুর্থ ও সপ্তম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলা। প্রশাসন সূত্রের খবর, রাজ্যে জেলা পরিষদ স্তরে গড় অর্থ খরচের পরিমাণ ৪১.৮৪ শতাংশ। পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে গড় খরচের পরিমাণ ৭০.৪৭ এবং ৬৮.১২ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে খরচের পরিমাণ ৫৫ থেকে ৭৩ শতাংশের উপরে। বর্ষ শেষে এনিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশাসনের কর্তারা।
Advertisement
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের কর্মীদের সহযোগিতায় এমন সাফল্য মিলেছে। এখনও অর্থ কমিশনের কিছু অর্থ খরচ হয়নি। তা জানুয়ারি মাসের মধ্যে খরচ করার নির্দেশ ত্রিস্তর পঞ্চায়েতকে দেওয়া হয়েছে। কারণ আগামী অর্থবর্ষ থেকে ষোড়শ অর্থ কমিশনের সূচনা হবে। এজন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তুতি শুরু করেছে।
গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নমূল কাজকর্ম করার জন্য ২০২০-’২১ আর্থিক বছরে চালু করা হয় পঞ্চদশ অর্থ কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকার পাঁচ বছরের জন্য এই কমিশন চালু করে। প্রশাসন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট কমিশন থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৪-’২৫ আর্থিক বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে। ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষ থেকে সূচনা হতে পারে ষোড়শ অর্থ কমিশন। এই অবস্থায় অর্থ কমিশনের বরাদ্দ টাকার সঠিক ব্যবহারের খতিয়ান বা ইউটিলাইজেশনের তালিকা তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রের খবর, পাঁচ বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত স্তরে বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার ১৬৬ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা। তাতে খরচের পরিমাণ ৩ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা। সংশ্লিষ্ট অর্থ খরচে রাজ্যের মধ্যে প্রথম আলিপুরদুয়ার। সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদ ৭২.৮৬, পঞ্চায়েত সমিতি ৭১.৮৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৬৭.৪০ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ ৫৫.১০, পঞ্চায়েত সমিতি ৭৫.৭৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৭২.৬৪ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। এক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে পশ্চিম বর্ধমান। এখানে জেলা পরিষদ ৫৩.৫৯, পঞ্চয়েত সমিতি ৭০.৪৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৬৮.২৭ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে।
এমন সাফল্যে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ কর্তৃপক্ষ উচ্ছ্বসিত। পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিক ও কর্মীদের প্রচেষ্টাতেই এই সাফল্য মিলেছে। এবার আমরা এক নম্বর স্থান দখলের টার্গেট নিয়েছি।
এরবাইরে সংশ্লিষ্ট তালিকার চতুর্থস্থানে উত্তর দিনাজপুর, পঞ্চম হুগলি, ষষ্ঠ ঝাড়গ্রাম, সপ্তম কোচবিহার, অষ্টম পূর্ব মেদিনীপুর, নবম বীরভূম ও দশম বাঁকুড়া জেলা রয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকররা বলেন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে রাজ্যে গড় অর্থ খরচের যে পরিমাণ, তা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি টেক্কা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত অর্থ কমিশনের ১ হাজার ৯১৮ কোটি ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়নি। মার্চ মাসের আগে সংশ্লিষ্ট অর্থ খরচের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নমূল কাজকর্ম করার জন্য ২০২০-’২১ আর্থিক বছরে চালু করা হয় পঞ্চদশ অর্থ কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকার পাঁচ বছরের জন্য এই কমিশন চালু করে। প্রশাসন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট কমিশন থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৪-’২৫ আর্থিক বছর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে। ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষ থেকে সূচনা হতে পারে ষোড়শ অর্থ কমিশন। এই অবস্থায় অর্থ কমিশনের বরাদ্দ টাকার সঠিক ব্যবহারের খতিয়ান বা ইউটিলাইজেশনের তালিকা তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রের খবর, পাঁচ বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত স্তরে বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার ১৬৬ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা। তাতে খরচের পরিমাণ ৩ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা। সংশ্লিষ্ট অর্থ খরচে রাজ্যের মধ্যে প্রথম আলিপুরদুয়ার। সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদ ৭২.৮৬, পঞ্চায়েত সমিতি ৭১.৮৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৬৭.৪০ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ ৫৫.১০, পঞ্চায়েত সমিতি ৭৫.৭৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৭২.৬৪ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। এক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে পশ্চিম বর্ধমান। এখানে জেলা পরিষদ ৫৩.৫৯, পঞ্চয়েত সমিতি ৭০.৪৬ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত ৬৮.২৭ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে।
এমন সাফল্যে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ কর্তৃপক্ষ উচ্ছ্বসিত। পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিক ও কর্মীদের প্রচেষ্টাতেই এই সাফল্য মিলেছে। এবার আমরা এক নম্বর স্থান দখলের টার্গেট নিয়েছি।
এরবাইরে সংশ্লিষ্ট তালিকার চতুর্থস্থানে উত্তর দিনাজপুর, পঞ্চম হুগলি, ষষ্ঠ ঝাড়গ্রাম, সপ্তম কোচবিহার, অষ্টম পূর্ব মেদিনীপুর, নবম বীরভূম ও দশম বাঁকুড়া জেলা রয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকররা বলেন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে রাজ্যে গড় অর্থ খরচের যে পরিমাণ, তা সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি টেক্কা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত অর্থ কমিশনের ১ হাজার ৯১৮ কোটি ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়নি। মার্চ মাসের আগে সংশ্লিষ্ট অর্থ খরচের টার্গেট নেওয়া হয়েছে।



