নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে বরাবরই উল্লেখযোগ্য স্থানাধিকারী উত্তর দিনাজপুর জেলাপরিষদ। সম্প্রতি পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এল এই জেলাপরিষদ। গতবছর পয়লা জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬১.৮৩ শতাংশ টাকা খরচ করে এই সাফল্য মিলেছে বলে উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদ জানিয়েছে। এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা পাল বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৩৫ কোটি ২১ লক্ষ ৬১ হাজার ৭৯৭ টাকা অনুমোদন এসেছে। তার থেকে খরচ করা গিয়েছে ২১ কোটি ৭৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ২৭৭ টাকা। অর্থাৎ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের ৬১.৮৩ শতাংশ টাকা খরচ করা সম্ভব হয়েছে এপর্যন্ত। তাতেই আমরা পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে আলিপুরদুয়ার জেলাপরিষদ ছাড়া রাজ্যের অন্যান্য জেলাপরিষদের থেকে এগিয়ে গিয়েছি। রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয়স্থানে উত্তর দিনাজপুর জেলাপরিষদ। তাঁর কথায়, জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় অর্থ কমিশনের সিংহভাগ টাকা খরচ করা সম্ভব হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, অর্থ কমিশনের টাকা খরচের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে প্রথমস্থানে আলিপুরদুয়ার জেলাপরিষদ। তৃতীয়স্থানে পশ্চিম বর্ধমান। দার্জিলিং চতুর্থ। ৫৫.৮৬ শতাংশ কাজ করে কোচবিহার অষ্টম স্থানে। জেলাপরিষদ সূত্রে খবর, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা মূলত জেলাপরিষদ পানীয় জল প্রকল্প, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যবহার করে। গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করে কাজগুলি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, অর্থ কমিশনের টাকা খরচের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে প্রথমস্থানে আলিপুরদুয়ার জেলাপরিষদ। তৃতীয়স্থানে পশ্চিম বর্ধমান। দার্জিলিং চতুর্থ। ৫৫.৮৬ শতাংশ কাজ করে কোচবিহার অষ্টম স্থানে। জেলাপরিষদ সূত্রে খবর, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা মূলত জেলাপরিষদ পানীয় জল প্রকল্প, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা নির্মাণের কাজে ব্যবহার করে। গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করে কাজগুলি সম্পন্ন হয়েছে।



