নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখতে শুক্রবার রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। পঞ্চায়েত দপ্তরের সচিব পি উলগানাথনও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, পঞ্চম অর্থ কমিশন, বাংলার বাড়ি, কর্মশ্রী সহ বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে জেলা প্রশাসনকে জোর দিতে বলা হয়েছে। মেমারি-২, কালনা-২, আউশগ্রাম-১, মতো কয়েকটি ব্লক কাজে পিছিয়ে রয়েছে। ওই এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং বিডিওদের আরও বেশি করে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। জেলা পরিষদও পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের কাজ নিয়ে আধিকারিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। জেলায় মেমারি-১, ভাতার সহ কয়েকটি ব্লকে এই প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছিল। জেলা প্রশাসন তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেয়। বেশ কয়েকজন ‘অযোগ্য’ উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৈঠকে সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, জেলাশাসক আয়েশা রানি এ সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, জামালপুর সহ কয়েকজন বিধায়ক আলোচনায় যোগ দেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিরাও বৈঠকে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলেচনা করেন। পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য এগিয়ে চলছে। রাজ্য সরকার নিজেদের অর্থে বাংলার বাসিন্দাদের মাথার উপর ছাদ করে দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ১০০দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। বারবার চিঠি দেওয়ার পরও তারা টাকা ছাড়ছে না। রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ দিয়েছে। কর্মশ্রী প্রকল্পে অনেকেই কাজ পেয়েছেন।
এদিন প্রদীপবাবু বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে গলসির একটি দুয়ারে সরকার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন। তাঁরা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কিনা তা জানতে চান। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলার আধিকারিকরাও বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন। জেলাশাসক নিজেও ক্যাম্পে গিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। জেলায় কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্প করা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা ক্যাম্প করছেন। এক আধিকারিক বলেন, আগের ক্যাম্পগুলিতে অনেক বেশি উপভোক্তার ভিড় হতো। এখন ততটা চাপ নেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলিতেই বেশি আবেদন জমা পড়ছে। এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট দিতে আধিকারিকরা বিশেষ তৎপর হয়েছেন। ১০০জনের বেশি উপভোক্তাকে ক্যাম্পে আবেদন করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
এদিন প্রদীপবাবু বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে গলসির একটি দুয়ারে সরকার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন। তাঁরা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কিনা তা জানতে চান। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলার আধিকারিকরাও বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন। জেলাশাসক নিজেও ক্যাম্পে গিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। জেলায় কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্প করা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা ক্যাম্প করছেন। এক আধিকারিক বলেন, আগের ক্যাম্পগুলিতে অনেক বেশি উপভোক্তার ভিড় হতো। এখন ততটা চাপ নেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলিতেই বেশি আবেদন জমা পড়ছে। এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট দিতে আধিকারিকরা বিশেষ তৎপর হয়েছেন। ১০০জনের বেশি উপভোক্তাকে ক্যাম্পে আবেদন করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।



