সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: মাত্র দু’মাস। এরপরই উঠে যাবে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন। পরিবর্তে চালু হবে ষোড়শ অর্থ কমিশন। কিন্তু ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ হয়নি। প্রশাসন সূত্রের খবর, রাজ্যে খরচ না হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৮৫ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা। এদিকে, অর্থ কমিশনের টাকা খরচের নিরিখে রাজ্যে শীর্ষে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা। প্রথম আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ এবং দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ। এমন প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট অর্থ কমিশনের শেষ কিস্তির টাকা বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য।
Advertisement
গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নমূল কাজকর্ম করার জন্য ২০২০-’২১ অর্থবর্ষে চালু হয় পঞ্চদশ অর্থ কমিশন। পাঁচ বছরের জন্য এই কমিশন চালু করা হয়। পাঁচটি আর্থিক বছরে সংশ্লিষ্ট অর্থ কমিশন থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ স্তরে কয়েকশো কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। আগামী মার্চ মাসে শেষ হবে ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষ। সেই সঙ্গে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনেরও মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে। ২০২৫-’২৬ আর্থিক বর্ষে সূচনা হবে ষোড়শ অর্থ কমিশন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের একাংশ খরচ হয়নি।
প্রশাসন সূত্রের খবর, পাঁচ বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের মধ্যে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়নি ১ হাজার ৫৮৫ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় খরচ না হওয়া অর্থের পরিমাণ সর্বাধিক, ২২১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। এরপরই মুর্শিদাবাদ জেলার স্থান। এদের হাতে অব্যয়িত অর্থের পরিমাণ ২০২ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা। এছাড়া মালদহে ১১৮ কোটি ৭৮ লক্ষ, উত্তর ২৪ পরগনায় ১১৬ কোটি ২৬ লক্ষ, পুরুলিয়ায় ৮২ কোটি ৬৯ লক্ষ, পূর্ব বর্ধমানে ৮০ কোটি ২১ লক্ষ, পশ্চিম মেদীনাপুরে ৭০ কোটি ৬৬ লক্ষ, বীরভূমে ৬১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা এখনও খরচ করতে পারেনি। বাকি জেলাগুলিতে অবশ্য খরচ না হওয়া অর্থের পরিমাণ ৬০ কোটি টাকার নীচে।
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, প্রতিটি জেলাকেই মার্চ মাসের আগে পড়ে থাকা অর্থ খরচ করে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের শেষ কিস্তির টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য। এই অবস্থায় তারা টাকা খরচের নিরিখে জেলাগুলির স্থান নির্ধারণ করেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের হার প্রায় ৪৫.৫৭ শতাংশ। যারমধ্যে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের স্থান প্রথম। তাদের অর্থ খরচের হার ৮০.৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অর্থ খরচের হার ৬০.৬৯ শতাংশ। তৃতীয় হুগলি ৬০.৪৯ ও চতুর্থ পশ্চিম বর্ধমান ৬০.৩৫ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। এই তালিকায় উত্তর দিনাজপুর পঞ্চম ৫৯.৯৫ ও সপ্তম কোচবিহার ৫৫.৬৬ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। বাকি জেলাগুলির অর্থ খরচের হার ২৮ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিকে রীতিমতো টেক্কা দিয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা।
শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, প্রশাসনের আধিকারিক ও সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় অর্থ কমিশনের সিংহভাগ টাকা খরচ করে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছি। এখন চলতি আর্থিক বছরে কমিশনের বরাদ্দ দ্বিতীয় কিস্তির টাকা খরচের পরিকল্পনা করছি।
প্রশাসন সূত্রের খবর, পাঁচ বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের মধ্যে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়নি ১ হাজার ৫৮৫ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলায় খরচ না হওয়া অর্থের পরিমাণ সর্বাধিক, ২২১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। এরপরই মুর্শিদাবাদ জেলার স্থান। এদের হাতে অব্যয়িত অর্থের পরিমাণ ২০২ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা। এছাড়া মালদহে ১১৮ কোটি ৭৮ লক্ষ, উত্তর ২৪ পরগনায় ১১৬ কোটি ২৬ লক্ষ, পুরুলিয়ায় ৮২ কোটি ৬৯ লক্ষ, পূর্ব বর্ধমানে ৮০ কোটি ২১ লক্ষ, পশ্চিম মেদীনাপুরে ৭০ কোটি ৬৬ লক্ষ, বীরভূমে ৬১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা এখনও খরচ করতে পারেনি। বাকি জেলাগুলিতে অবশ্য খরচ না হওয়া অর্থের পরিমাণ ৬০ কোটি টাকার নীচে।
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, প্রতিটি জেলাকেই মার্চ মাসের আগে পড়ে থাকা অর্থ খরচ করে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের শেষ কিস্তির টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য। এই অবস্থায় তারা টাকা খরচের নিরিখে জেলাগুলির স্থান নির্ধারণ করেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের হার প্রায় ৪৫.৫৭ শতাংশ। যারমধ্যে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের স্থান প্রথম। তাদের অর্থ খরচের হার ৮০.৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অর্থ খরচের হার ৬০.৬৯ শতাংশ। তৃতীয় হুগলি ৬০.৪৯ ও চতুর্থ পশ্চিম বর্ধমান ৬০.৩৫ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। এই তালিকায় উত্তর দিনাজপুর পঞ্চম ৫৯.৯৫ ও সপ্তম কোচবিহার ৫৫.৬৬ শতাংশ অর্থ খরচ করেছে। বাকি জেলাগুলির অর্থ খরচের হার ২৮ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিকে রীতিমতো টেক্কা দিয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা।
শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, প্রশাসনের আধিকারিক ও সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় অর্থ কমিশনের সিংহভাগ টাকা খরচ করে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছি। এখন চলতি আর্থিক বছরে কমিশনের বরাদ্দ দ্বিতীয় কিস্তির টাকা খরচের পরিকল্পনা করছি।



