নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: নদী। বনাঞ্চল। পাশেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল। এহেন খড়িবাড়ির পানিট্যাঙ্কি এখন মাদক পাচারকারীদের কাছে কার্যত ‘সেফহোম’। মাদক সহ পানিট্যাঙ্কির কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর এমনই অনুমান করছে পুলিস ও গোয়েন্দারা। তাদের সন্দেহ, সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্রাউন সুগার ও নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের স্ট্যাক ইয়ার্ড রয়েছে। যার সাপ্লাই লাইন মালদহ ও মুর্শিদাবাদ এবং নেপাল। এদিকে, বৃহস্পতিবার ফের ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়েছে শিলিগুড়িতে। এদিন সন্ধ্যায় প্রধাননগর থানার পুলিস মহানন্দা নদীর পাড় থেকে তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৫০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহরের কাছেই নেপাল সীমান্তবর্তী গ্রাম পানিট্যাঙ্কি। সংশ্লিষ্ট গ্রাম খড়িবাড়ি ব্লকের অধীনে। সেখানে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য ক্রমবর্ধমান। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদক কারবারের বিরুদ্ধে সক্রিয় শিলিগুড়ি পুলিস। তারা লাগাতার ধরপাকড় অভিযান চালানোর মাদক কারবারিরা শহর থেকে ঠেক পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তে পানিট্যাঙ্কি, গৌড়সিংজোত, গণ্ডগোলজোত, বাজারজোত প্রভৃতি এলাকায় মাদকের ঠেক গড়া হয়েছে। কিছু দোকান ও বাড়ি থেকে সংশ্লিষ্ট কারবার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। সহজে মোটা টাকা কামানোর টোপ দিয়ে স্থানীয়দের এই কারবারে নামানো হচ্ছে।
কেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঠেক গড়ছে মাদক কারবারিরা? গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ভারত ও নেপাল সীমান্ত উন্মুক্ত। সংশ্লিষ্ট সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে মেচি নদী।
পাশেই টুকরিয়াঝোরা বনাঞ্চল। মাদকের কারবার করে সেখান থেকে সহজে নেপালে গা ঢাকা দেওয়া সম্ভব। তাছাড়া, বনাঞ্চলে অবাধে বসানো যাচ্ছে মাদক সেবনের ঠেক। এমন ভৌগলিক অবস্থানকে কাজে লাগাতেই সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে মাদক কারবারিরা। সেখানে বাড়ি ও দোকান ভাড়া নিয়ে কারবার চলছে বলে খবর মিলেছে।
কার্শিয়াংয়ের অতিরিক্ত পুলিস সুপার অভিষেক রায় বলেন, মাদক কারবার রুখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিসি অভিযান বাড়ানো হয়েছে। তাই সেখান থেকে মাঝেমধ্যেই মাদক পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট সীমান্তে নজরদারি দায়িত্বে রয়েছে এসএসবি।
তাদের এবং শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে। এদিকে, এদিন শহরের মহানন্দা নদীর পাড় থেকে ধৃত মাদক কারবারিদের মধ্যে দু’জন মালদহ এবং একজন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। ধৃতদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও স্কুটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
কেন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঠেক গড়ছে মাদক কারবারিরা? গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ভারত ও নেপাল সীমান্ত উন্মুক্ত। সংশ্লিষ্ট সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে মেচি নদী।
পাশেই টুকরিয়াঝোরা বনাঞ্চল। মাদকের কারবার করে সেখান থেকে সহজে নেপালে গা ঢাকা দেওয়া সম্ভব। তাছাড়া, বনাঞ্চলে অবাধে বসানো যাচ্ছে মাদক সেবনের ঠেক। এমন ভৌগলিক অবস্থানকে কাজে লাগাতেই সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে মাদক কারবারিরা। সেখানে বাড়ি ও দোকান ভাড়া নিয়ে কারবার চলছে বলে খবর মিলেছে।
কার্শিয়াংয়ের অতিরিক্ত পুলিস সুপার অভিষেক রায় বলেন, মাদক কারবার রুখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিসি অভিযান বাড়ানো হয়েছে। তাই সেখান থেকে মাঝেমধ্যেই মাদক পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট সীমান্তে নজরদারি দায়িত্বে রয়েছে এসএসবি।
তাদের এবং শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে। এদিকে, এদিন শহরের মহানন্দা নদীর পাড় থেকে ধৃত মাদক কারবারিদের মধ্যে দু’জন মালদহ এবং একজন শিলিগুড়ির বাসিন্দা। ধৃতদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও স্কুটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।



