সংবাদদাতা, তপন: তপনের পুনর্ভবা নদী থেকে অবৈধভাবে ব্যাপকহারে বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছে। দিনরাত নদী থেকে বালি তোলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তপন ব্লকের বাসুরিয়া, সুতইল, করদহ সহ মোট সাতটি ঘাট থেকে প্রতিদিন বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বালি তোলা হচ্ছে আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসুরিয়া ঘাট থেকে। সেখানে প্রতিদিন ২০-৩০টি ট্রাক্টর বালি তুলছে।
Advertisement
এই বালি শুধুমাত্র তপন ব্লকেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জেলার অন্য প্রান্তেও পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বালিভর্তি ট্রাক্টরের দৌরাত্ম্যে গ্রামের রাস্তাগুলি ধুলোয় ঢেকে যাচ্ছে। পথ চলতে সমস্যা হচ্ছে সাধারণ মানুষের।
পথ দুর্ঘটনা এড়াতে বাধ্য হয়ে শিশুদের ঘরবন্দি করে রাখতে হচ্ছে। এবিষয়ে তপনের বিএলআরও সৌমেন সাহা বলেন, পুনর্ভবা নদীর সাতটি ঘাট থাকলেও এখনও পর্যন্ত একটিও লিজ দেওয়া হয়নি। অবৈধভাবে বালি উত্তোলন চলছে। আমরা অফিস টাইমে অভিযান চালাচ্ছি। ইতিমধ্যে ৪২ টি গাড়ি আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাফিয়ারা বালি তুলে মজুত করে রাখছে। তারপর সেই বালি গাড়িতে ভরে বিভিন্ন জায়গায় পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপক হারে বালি তোলার ফলে বর্ষায় নদীর গতিপথও পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পরও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বিএলআরও বলেন, রাতে পাচার রুখতে পুলিসকে বলা হয়েছে।
পথ দুর্ঘটনা এড়াতে বাধ্য হয়ে শিশুদের ঘরবন্দি করে রাখতে হচ্ছে। এবিষয়ে তপনের বিএলআরও সৌমেন সাহা বলেন, পুনর্ভবা নদীর সাতটি ঘাট থাকলেও এখনও পর্যন্ত একটিও লিজ দেওয়া হয়নি। অবৈধভাবে বালি উত্তোলন চলছে। আমরা অফিস টাইমে অভিযান চালাচ্ছি। ইতিমধ্যে ৪২ টি গাড়ি আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাফিয়ারা বালি তুলে মজুত করে রাখছে। তারপর সেই বালি গাড়িতে ভরে বিভিন্ন জায়গায় পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপক হারে বালি তোলার ফলে বর্ষায় নদীর গতিপথও পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাঁরা ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পরও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বিএলআরও বলেন, রাতে পাচার রুখতে পুলিসকে বলা হয়েছে।



