নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: পণের দাবিতে বধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। শান্তিপুর থানার গয়েশপুর পঞ্চায়েতের টেংরিডাঙায় এই অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই বধূ শান্তিপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। পুলিস বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, তিনবছর আগে দেখাশোনা করে আমিনা বিবি ও মোমিন মণ্ডলের বিয়ে হয়। আমিনা বিবির অভিযোগ, পণের দাবিতে তাঁর উপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চলত। মেয়ের উপর নির্যাতন বন্ধ করার জন্য আমিনার বাবা ইয়াসিন মণ্ডল দুই বিঘা জমি ও বেশ কয়েকদফায় ২০ লক্ষ টাকা জামাইকে দেন। কিন্তু তাতেও শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার থামেনি। প্রতিদিন বিভিন্ন কারণে মারধর লেগে থাকত। আমিনার দাবি, স্বামী, শাশুড়ি, ভাশুর সহ শ্বশুরবাড়ির ছ’জন সম্প্রতি ফের এক লক্ষ টাকা চেয়ে তাঁর উপর অত্যাচার শুরু করে। কিন্তু তাঁর পরিবারের আর টাকা দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। সোমবার অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযোগ, সেসময় ওই বধূকে মাটিতে ফেলে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দেওয়া হয়। এরপর ওই ছ’জন তাঁকে লাগাতার পুড়িয়ে মারার হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু ততক্ষণে আমিনা চেঁচামেচি শুরু করেন। সুযোগ বুঝে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়ি পালিয়ে আসেন। এরপরই মেয়েকে শান্তিপুর হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যান ইয়াসিন সাহেব।
হাসপাতালে চিকিৎসার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতন ও পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন আমিনা। পুলিস জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। একটি বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে পাওয়া গেলে গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিসের এক কর্তা বলেন, সোমবার রাতে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।
হাসপাতালে চিকিৎসার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতন ও পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন আমিনা। পুলিস জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। একটি বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ হাতে পাওয়া গেলে গ্রেপ্তার করা হবে। পুলিসের এক কর্তা বলেন, সোমবার রাতে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।



