সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: এক বধূকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার দায়ে স্বামী ও শাশুড়িকে ১০ বছর করে কারাবাসের নির্দেশ দিল জঙ্গিপুর মহকুমা আদালত। সাজাপ্রাপ্ত স্বামীর নাম আসিরুল শেখ ও শাশুড়ির নাম উলেশা বেওয়া। তাদের উভয়েরই বাড়ি ফরাক্কা থানার আন্ধুয়া গ্রামে। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা আদালতের বিচারক সুরজিৎ শীল ওই রায় ঘোষণা করেন। দাবিমতো বাপের বাড়ি থেকে পণের টাকা না আনায় বধূকে পুড়িয়ে মারা হয়। মৃতার দাদা আসিরুল সহ চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মূল অভিযুক্ত আসিরুল সেই থেকে জেল হেফাজতে ছিল। স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় ৪৯৮এ, ৩০৪বি ও ৩৮ ধারা প্রয়োগ করা হয়। গত শনিবার মৃতার স্বামী ও শাশুড়িকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এদিন সাজা ঘোষণা হয়।
Advertisement
সরকারি আইনজীবী ইসমাত পাশা বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। দোষীদের উভয়েরই ১০ বছর করে জেল এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছ’মাস করে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে আন্ধুয়া গ্রামের বধূ টলি বিবির গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয় স্বামী আসিরুল। তারপর শাশুড়ি দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে বধূর গায়ে ছুড়ে দেয়। বধূর গায়ে আগুন লাগিয়ে তারা ঘর থেকে পালিয়ে যায়। বধূ চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে বধূকে দাউদাউ করে জ্বলতে দেখেন। গ্রামবাসীরাই বধূকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বেনিয়াগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তড়িঘড়ি তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ওইদিনই বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হাসপাতালে ওই বধূ তাঁর স্বামী ও শাশুড়ির নাম পুলিসকে বলে যায়। পুলিস লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আসিরুল, উলেশা ও বধূর ভাশুর এবং দেওরকে গ্রেপ্তার করে। পরে ভাশুর ও দেওর বেকসুর খালাস পায়। শাশুড়ি এতদিন জামিনে মুক্ত ছিল। গত শনিবার দোষী সাব্যস্ত হলে উলেশাকে জেল হেফাজতে নেওয়া হয়।
এদিন দুপুরে বিচারক আসিরুল ও উলেশাকে সাজা দেন। প্রৌঢ়া উলেশা করজোড়ে বিচারককে জানায়, আমার ছেলে কিছু জানে না। ছেলে সাত বছর ধরে জেল খাটছে, তারপরেও কেন এই সাজা? আর আমার বয়স হয়েছে, স্বামীও মারা গিয়েছে। চলতে ফিরতে পারি না, এতদিন জেলে থাকতে পারব না। আদালত থেকে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় আসিরুল শেখ বলে, আমি কিছু জানি না। মিথ্যা মামলায় আমি এতদিন জেল খাটছি। এদিন ১০ বছরের সাজা শুনিয়েছেন বিচারক। উলেশা আঁচলে চোখের জল মুছতে মুছতে বলে, জানি না কী করেছি। ওরা আমাকে ও ছেলেকে সাজা দিল।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে আন্ধুয়া গ্রামের বধূ টলি বিবির গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয় স্বামী আসিরুল। তারপর শাশুড়ি দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে বধূর গায়ে ছুড়ে দেয়। বধূর গায়ে আগুন লাগিয়ে তারা ঘর থেকে পালিয়ে যায়। বধূ চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে বধূকে দাউদাউ করে জ্বলতে দেখেন। গ্রামবাসীরাই বধূকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বেনিয়াগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তড়িঘড়ি তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ওইদিনই বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হাসপাতালে ওই বধূ তাঁর স্বামী ও শাশুড়ির নাম পুলিসকে বলে যায়। পুলিস লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আসিরুল, উলেশা ও বধূর ভাশুর এবং দেওরকে গ্রেপ্তার করে। পরে ভাশুর ও দেওর বেকসুর খালাস পায়। শাশুড়ি এতদিন জামিনে মুক্ত ছিল। গত শনিবার দোষী সাব্যস্ত হলে উলেশাকে জেল হেফাজতে নেওয়া হয়।
এদিন দুপুরে বিচারক আসিরুল ও উলেশাকে সাজা দেন। প্রৌঢ়া উলেশা করজোড়ে বিচারককে জানায়, আমার ছেলে কিছু জানে না। ছেলে সাত বছর ধরে জেল খাটছে, তারপরেও কেন এই সাজা? আর আমার বয়স হয়েছে, স্বামীও মারা গিয়েছে। চলতে ফিরতে পারি না, এতদিন জেলে থাকতে পারব না। আদালত থেকে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় আসিরুল শেখ বলে, আমি কিছু জানি না। মিথ্যা মামলায় আমি এতদিন জেল খাটছি। এদিন ১০ বছরের সাজা শুনিয়েছেন বিচারক। উলেশা আঁচলে চোখের জল মুছতে মুছতে বলে, জানি না কী করেছি। ওরা আমাকে ও ছেলেকে সাজা দিল।



