সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: বিয়ে হয়েছিল বছর তিনেক আগে। শুরু থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকরা পণের দাবিতে বধূর উপর অত্যাচার চালাত। এবার সেই পণ নিয়ে বিবাদের জেরেই খুন হতে হল বধূকে! তাঁর শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। পলাতক বাকি অভিযুক্তরা।
Advertisement
রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের ভালুকা গ্রাম পঞ্চায়েতের খিদিরপুর গ্রামে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বধূর নাম পূজা মণ্ডল (২৩)। পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনবছর আগে প্রেম করে পার্শ্ববর্তী খিদিরপুর গ্রামের মুকেশ মণ্ডলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন ভালুকা বালুপুরের পূজা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সংসারে অশান্তি লেগে থাকত। মূলত পণের দাবিতেই অত্যাচার করা হত বলে জানিয়েছেন মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন। দম্পতির দেড় বছরের এক পুত্রসন্তানও রয়েছে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কয়েক মাস আগে পূজা পালিয়ে দাদুর বাড়িতে চলে যান। সেখানে মুকেশ গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আবার বাড়ি ফিরিয়ে আনেন। মৃত বধূর মা সাবিত্রী মণ্ডল বলেন, পূজাকে বাপের বাড়ি থেকে মোটা টাকা এবং বাইক নিয়ে আসার জন্য চাপ দিত মুকেশ। আমরা গরিব মানুষ। ওসব দেওয়া আমাদের ক্ষমতার বাইরে। তবুও বড় মেয়ের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার করে জামাইকে দিয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন হত।
সাবিত্রীর অভিযোগ , রবিবার রাতে খিদিরপুর গ্রামে কীর্তনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুকেশের বাড়ির লোক কীর্তন শুনতে গিয়েছিল। সেই সুযোগে মদ খেয়ে এসে পূজাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুকেশ। ঘণ্টাখানেক পর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের ফোন করে মেয়ের মৃত্যুর কথা জানান অভিযুক্ত।
ভালুকা ফাঁড়ির পুলিস মৃতদেহটি উদ্ধার করে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, বধূর বাড়ির লোক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মুকেশকে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনবছর আগে প্রেম করে পার্শ্ববর্তী খিদিরপুর গ্রামের মুকেশ মণ্ডলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন ভালুকা বালুপুরের পূজা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সংসারে অশান্তি লেগে থাকত। মূলত পণের দাবিতেই অত্যাচার করা হত বলে জানিয়েছেন মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন। দম্পতির দেড় বছরের এক পুত্রসন্তানও রয়েছে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কয়েক মাস আগে পূজা পালিয়ে দাদুর বাড়িতে চলে যান। সেখানে মুকেশ গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আবার বাড়ি ফিরিয়ে আনেন। মৃত বধূর মা সাবিত্রী মণ্ডল বলেন, পূজাকে বাপের বাড়ি থেকে মোটা টাকা এবং বাইক নিয়ে আসার জন্য চাপ দিত মুকেশ। আমরা গরিব মানুষ। ওসব দেওয়া আমাদের ক্ষমতার বাইরে। তবুও বড় মেয়ের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার করে জামাইকে দিয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন হত।
সাবিত্রীর অভিযোগ , রবিবার রাতে খিদিরপুর গ্রামে কীর্তনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মুকেশের বাড়ির লোক কীর্তন শুনতে গিয়েছিল। সেই সুযোগে মদ খেয়ে এসে পূজাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুকেশ। ঘণ্টাখানেক পর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের ফোন করে মেয়ের মৃত্যুর কথা জানান অভিযুক্ত।
ভালুকা ফাঁড়ির পুলিস মৃতদেহটি উদ্ধার করে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, বধূর বাড়ির লোক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মুকেশকে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



