মিরাট: পণের দাবি পূরণ করতে পারেননি গৃহবধূর পরিবার। সেই কারণে তাঁর শরীরে এইচআইভি সংক্রামিত ইঞ্জেকশন দেওয়ার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের এক আদালত পুলিসকে শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৩০ বছর বয়সি ওই গৃহবধূ সাহারানপুরের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী, দেওর, ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আদালতে ওই বধূর বাবা জানিয়েছেন, বিয়েতে একটি এসইউভি ও ১৫ লক্ষ টাকা নগদ দিয়েছিলেন। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আরও ১০ লক্ষ টাকা ও বড় এসইউভি গাড়ির দাবি জানান। তা দিতে না পারায় বিয়ের পরের দিন থেকেই বধূর উপর অত্যাচার শুরু হয়। বাধ্য হয়ে বাপের বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন তিনি। প্রায় তিনমাস পর শ্বশুরবাড়ি গেলে ফের শুরু হয় অত্যাচার। ২০২৪ সালের মে মাসে এইচআইভি সংক্রামিত ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় তাঁকে। এরপরই এইচআইভি পজিটিভ রিপোর্ট আসে তাঁর। যদিও তাঁর স্বামীর রিপোর্ট নেগেটিভ। প্রাথমিকভাবে পুলিস ওই বধূর বাবার অভিযোগ নিতে চায়নি। তাঁরা আদালতে আবেদন জানান।



