সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: চা বাগানের জমিতে বোল্ডার ডাম্পিং করে চলছে দেদার পাচার। নির্বাক প্রশাসন। মিরিক ব্লকের পানিঘাটায় রাজ্য সড়কের পাশের একটি চা বাগানের ঝোঁপের আড়ালে জমিয়ে রাখা হচ্ছে বোল্ডার। রাতের অন্ধকারে ডাম্পার, ট্রাকে লোড করে সেগুলি পাচার হচ্ছে।
Advertisement
অভিযোগ, পানিঘাটার ওই বন্ধ চা বাগানের আড়ালে এই পাচার চক্র চলছে। পানিঘাটা চা বাগান ২০১৫সাল থেকে খাতায় কলমে বন্ধ থাকলেও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোকজন অঘোষিত কমিটি বানিয়ে পাতা তুলছেন। অভিযোগ, এই কমিটির সদস্যরাই চা বাগানের আড়ালে বোল্ডার পাচার করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, বালাসন নদী থেকে বড় বড় বোল্ডার ট্রাক্টারে তুলে চা বাগানে জমায়েত করা হচ্ছে। পরে রাতে তা বিহারে পাচার করা হচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের একাংশ কর্মী এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিরাতে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাকে বোল্ডার লোড করা হয়। চা বাগানের পাতা তুলে বিক্রি করা ছাড়াও এই বোল্ডার পাচার করা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পানিঘাটা চা বাগানের ওই এলাকায় নতুন প্ল্যান্টেশন করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বোল্ডারের ডাম্পিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কমিটির সদস্যরা তা হতে দেয়নি।
এলাকার বাসিন্দা তথা মিরিক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সচিত ঘটরাজ বলেন, পাথর মাফিয়ারা নদী শেষ করে দিচ্ছে। প্রতিদিন সকালে বালাসন নদী থেকে বেআইনিভাবে পাথর তুলে তা অবৈধভাবে ডাম্পিং চলছে। রাতের অন্ধকারে তা পাচার করে দিচ্ছে। ত্রমাগত বোল্ডার তোলায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। একাধিকবার বিডিও, বিএলএলআরওকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করেনি।
এই অভিযোগ শুনে মিরিকের বিডিও শ্রেয়সী মাইতি বলেন, পানিঘাটার বালাসন নদীর ঘাটে কোনও লিজ দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে পানিঘাটায় ডাম্পিংয়ের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক (ল্যান্ড) রামকুমার তামাং বলেন, ইতিমধ্যে ডাম্পিংয়ের অনুমতির জন্য বিএলআরও একটি তদন্ত করছে। তবে চা বাগান লাগোয়া জমিতে এমন কিছু হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।
এদিকে বোল্ডার ও চা পাতার পাচারে ফুলে ফেঁপে উঠছে এলাকার বেশ কয়েকজন। অপরদিকে যারা এক সময় বাগানে পাতা তুলতেন, তাদের পরিস্থিতি দিনের পর খারাপ হয়ে রয়েছে। এই ব্যাপারে ওই কমিটির তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিরাতে ২০ থেকে ২৫টি ট্রাকে বোল্ডার লোড করা হয়। চা বাগানের পাতা তুলে বিক্রি করা ছাড়াও এই বোল্ডার পাচার করা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পানিঘাটা চা বাগানের ওই এলাকায় নতুন প্ল্যান্টেশন করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বোল্ডারের ডাম্পিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কমিটির সদস্যরা তা হতে দেয়নি।
এলাকার বাসিন্দা তথা মিরিক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সচিত ঘটরাজ বলেন, পাথর মাফিয়ারা নদী শেষ করে দিচ্ছে। প্রতিদিন সকালে বালাসন নদী থেকে বেআইনিভাবে পাথর তুলে তা অবৈধভাবে ডাম্পিং চলছে। রাতের অন্ধকারে তা পাচার করে দিচ্ছে। ত্রমাগত বোল্ডার তোলায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। একাধিকবার বিডিও, বিএলএলআরওকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করেনি।
এই অভিযোগ শুনে মিরিকের বিডিও শ্রেয়সী মাইতি বলেন, পানিঘাটার বালাসন নদীর ঘাটে কোনও লিজ দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে পানিঘাটায় ডাম্পিংয়ের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক (ল্যান্ড) রামকুমার তামাং বলেন, ইতিমধ্যে ডাম্পিংয়ের অনুমতির জন্য বিএলআরও একটি তদন্ত করছে। তবে চা বাগান লাগোয়া জমিতে এমন কিছু হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।
এদিকে বোল্ডার ও চা পাতার পাচারে ফুলে ফেঁপে উঠছে এলাকার বেশ কয়েকজন। অপরদিকে যারা এক সময় বাগানে পাতা তুলতেন, তাদের পরিস্থিতি দিনের পর খারাপ হয়ে রয়েছে। এই ব্যাপারে ওই কমিটির তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



