সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট ও মাথাভাঙা: কোচবিহার জেলাজুড়ে আফিম ও গাঁজা চাষ রমরমিয়ে চলছে। বিভিন্ন নদীর চরে গাঁজা ও আফিম চাষ করা হচ্ছে। অভিযোগ পেয়েই জেলাজুড়েই অভিযানে নেমেছে পুলিস।
Advertisement
জেলা পুলিসের মাদক বিরোধী অভিযানে সোমবার রাতে বড়সড় সাফল্য পেল পুণ্ডিবাড়ি থানা। বাইরে পাচারের উদ্দেশ্যে জাতীয় সড়কের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ৫১ কেজি শুকনো আফিম ফল সহ ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিস। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হল পুণ্ডিবাড়ি থানার বাঁশদহ গ্রামের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল ও পুণ্ডিবাড়ির চাপাগুড়ি কালপানির মোন্নাফ আলি। ধৃতদের কাছ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে ডিএসপি (ক্রাইম) লোকসাং ভুটিয়া, পুণ্ডিবাড়ি থানার ওসি সোনম মাহেশ্বরীর নেতৃত্বে একটি টিম ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বাঁশদহ লতিবাড়িতে দুই ব্যক্তিকে আটক করে। তাদের তল্লাশি চালিয়ে ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা, শুকনো আফিম ফল সহ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এরপরেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কোচবিহারের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কৃষ্ণগোপাল মিনা বলেন, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই অবৈধ কারবারের সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, মাথাভাঙা-২ ব্লকের প্রেমেরডাঙার উত্তর ধলোগুড়ি গ্রামে আফিম সহ বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করল ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস। ধৃত চারজনকে মঙ্গলবার মাথাভাঙা মহকুমা আদালতে তুলে পুলিস দু’দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রেমেরডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ধলোগুড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিস ৯ কেজি ৮০০ গ্রাম কাঁচা আফিম উদ্ধার করেছিল। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। একইসঙ্গে নগদ প্রায় সাড়ে ৩৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ওইদিন। ধৃত স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আফিম সংগ্রহের কাজে যুক্তদের সম্পর্কে জানতে পারে পুলিস। তাদের নজরে রাখার পর সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপন আফিম সংগ্রহে রীতিমতো সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল এলাকায়। ধৃত চার ব্যক্তি দুলাল মিয়াঁ, মজিবুল মিয়াঁ, তাপস বর্মন ও চিত্তরঞ্জন সরকার ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করত। ধৃতরা নিজেরাও আফিম চাষ করেছে। ওরা আফিম চাষিদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঁচা আফিম নিয়ে আসত নগদ টাকা দিয়ে। সেই আফিম জমা হতো স্বপনের বাড়িতে। সেখান থেকে ভিনরাজ্যে পাঠানো হতো তা।
মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিস সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, কাঁচা আফিম ও নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বপন মণ্ডলকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঘটনায় এবার আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস জানিয়েছে, নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে ডিএসপি (ক্রাইম) লোকসাং ভুটিয়া, পুণ্ডিবাড়ি থানার ওসি সোনম মাহেশ্বরীর নেতৃত্বে একটি টিম ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বাঁশদহ লতিবাড়িতে দুই ব্যক্তিকে আটক করে। তাদের তল্লাশি চালিয়ে ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা, শুকনো আফিম ফল সহ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এরপরেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কোচবিহারের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কৃষ্ণগোপাল মিনা বলেন, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই অবৈধ কারবারের সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
এদিকে, মাথাভাঙা-২ ব্লকের প্রেমেরডাঙার উত্তর ধলোগুড়ি গ্রামে আফিম সহ বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করল ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস। ধৃত চারজনকে মঙ্গলবার মাথাভাঙা মহকুমা আদালতে তুলে পুলিস দু’দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রেমেরডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ধলোগুড়ি গ্রামের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিস ৯ কেজি ৮০০ গ্রাম কাঁচা আফিম উদ্ধার করেছিল। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। একইসঙ্গে নগদ প্রায় সাড়ে ৩৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ওইদিন। ধৃত স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আফিম সংগ্রহের কাজে যুক্তদের সম্পর্কে জানতে পারে পুলিস। তাদের নজরে রাখার পর সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপন আফিম সংগ্রহে রীতিমতো সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল এলাকায়। ধৃত চার ব্যক্তি দুলাল মিয়াঁ, মজিবুল মিয়াঁ, তাপস বর্মন ও চিত্তরঞ্জন সরকার ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করত। ধৃতরা নিজেরাও আফিম চাষ করেছে। ওরা আফিম চাষিদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কাঁচা আফিম নিয়ে আসত নগদ টাকা দিয়ে। সেই আফিম জমা হতো স্বপনের বাড়িতে। সেখান থেকে ভিনরাজ্যে পাঠানো হতো তা।
মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিস সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, কাঁচা আফিম ও নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বপন মণ্ডলকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঘটনায় এবার আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।



