সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: মাঠে খেলতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল বছর দশের দুই যমজ বালিকা। রবিবার পাণ্ডবেশ্বর থানার কুমারডিহিতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয়, পরদিন সোমবার ওই মাঠের পাশ থেকেই উজ্জ্বল বাউরী(৩৫) নামে এলাকার এক নিখোঁজ যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। রবিবার ওই দুই বোনের নিখোঁজ হওয়ার কিছু সময় পর থেকেই তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
Advertisement
ঘটনার তদন্তে বিশাল পুলিসবাহিনী নিয়ে এসেছেন এসিপি ও ডিসি(পূর্ব)। পুলিস কুকুর নিয়ে তদন্ত চলছে। পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীও ঘটনাস্থলে এসেছেন। যুবকের দেহ আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিস এলাকায় টানা তল্লাশি চালাচ্ছে।
এসিপি(অণ্ডাল) পিন্টু সাহা বলেন, নিখোঁজ যমজ কন্যার এখনও সন্ধান মেলেনি। যে যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেও রবিবার সকালে ওই মাঠেই ছিল। তারপর থেকে বাড়ি ঢোকেনি। দু’টি ঘটনার তদন্ত চলছে।
নিখোঁজ দুই যমজ বোনের বাবা অণ্ডাল থানার কাজোড়া এলাকার একটি বেসরকারি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। ১১বছর আগে কুমারডিহির এক মহিলার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু প্রায় তিনবছর আগে ওই বধূ স্বামী ও দুই যমজ কন্যাকে ছেড়ে বারাবনি এলাকায় অন্য সংসার বাঁধেন। এরপর থেকে ওই দুই কন্যা দাদু-দিদার বাড়িতে থাকত। কুমারডিহি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত দুই বোন।
রবিবার সকাল সাড়ে ৬টার সময় দাদুর বাড়ির পাশে উদয় সঙ্ঘ ময়দানে তারা খেলাধুলা করছিল। কিন্তু এরপর তারা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধান না পেয়ে অবশেষে পুলিসে অভিযোগ করা হয়। পুলিস এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। বারাবনি থানার পুলিস দুই বালিকার মায়ের বাড়িতেও খোঁজ নেয়। সেখানেও তাদের পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ দুই কন্যার বাবা বলেন, কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে বোঝা যাচ্ছে না। আমরা ও পুলিস খোঁজাখুঁজি করছি। আমার ছেড়ে যাওয়া স্ত্রীর উপর সন্দেহ ছিল।এদিকে, রবিবার দুই বালিকা নিখোঁজের কিছু সময় পরেই স্থানীয় যুবক উজ্জ্বল বাউরি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়। এদিন সকালে ময়দানের পাশে একটি গাছের নীচে তার দেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। ওই গাছের ডালে একটি কাপড় বাঁধা ছিল। উজ্জ্বল গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে, না তাকে খুন করে আত্মহত্যা দেখানোর চেষ্টা হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয়রা ধন্দে রয়েছেন। দুই যমজ বোনের নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে উজ্জ্বলের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক আছে কিনা-তা পুলিস খতিয়ে দেখছে।এসিপি(অণ্ডাল) পিন্টু সাহা বলেন, নিখোঁজ যমজ কন্যার এখনও সন্ধান মেলেনি। যে যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেও রবিবার সকালে ওই মাঠেই ছিল। তারপর থেকে বাড়ি ঢোকেনি। দু’টি ঘটনার তদন্ত চলছে।
নিখোঁজ দুই যমজ বোনের বাবা অণ্ডাল থানার কাজোড়া এলাকার একটি বেসরকারি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। ১১বছর আগে কুমারডিহির এক মহিলার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু প্রায় তিনবছর আগে ওই বধূ স্বামী ও দুই যমজ কন্যাকে ছেড়ে বারাবনি এলাকায় অন্য সংসার বাঁধেন। এরপর থেকে ওই দুই কন্যা দাদু-দিদার বাড়িতে থাকত। কুমারডিহি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত দুই বোন।



