নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের পাইপ থেকে ‘চুরি’ হচ্ছিল পানীয় জল। এক থেকে দোতলা বাড়ির ছাদে রাখা ট্যাঙ্কে তুলেও নেওয়া হচ্ছিল। তারফলে জল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন বহু বাসিন্দা। রিজার্ভার সংলগ্ন বাড়িতে সবচেয়ে বেশি এই ধরনের প্রবণতা দেখা গিয়েছে। অবৈধ সেইসব জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল প্রশাসন। রবিবার ছুটির দিনেও গোঘাটে এমন অভিযান চালায় পিএইচই ও পুলিস। ইতিমধ্যে আরামবাগ মহকুমার অন্যান্য থানা এলাকাতেও গত দু’দিন ধরে অভিযান চালিয়ে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে জলের সংযোগ। গত শনিবার পুরশুড়া বিডিও অফিসে জেলা প্রশাসন একটি বৈঠক করে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই পানীয় জলের প্রকল্প নিয়ে আরও তৎপর প্রশাসন। তবে বহু জায়গায় জল না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ জানাচ্ছেন। তারসঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির পরেও পানীয় জলের পরিষেবা না পাওয়া নিয়ে অনেকে সরব হয়েছেন।
Advertisement
হুগলির জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অনেক জায়গাতেই দেখা গিয়েছে রিজার্ভারের কাছাকাছি এলাকায় মূল পাইপ থেকে পাম্প লাগিয়ে ওভারহেড ট্যাঙ্কে জল তুলে নেওয়া হচ্ছে।
তাছাড়া সারাদিন ট্যাপ খুলে রেখেও জল অপচয় হচ্ছে। জল অপচয় রোখাই আমাদের লক্ষ্য। না হলে রিজার্ভার থেকে দূরের বসতি এলাকার মানুষ জল পাচ্ছে না। অথবা জলে গতি কম হয়ে যাচ্ছে। তাই বাসিন্দাদের সচেতন করতেই আমরা অবৈধ পাইপের অংশ কেটে দিচ্ছি। এরজন্য স্থানীয় পুলিসকে একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো অভিযান চালানো হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে খানাকুলে ১৫টি বাড়িতে অবৈধ জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আরামবাগ থানায় পৃথক দু’টি গ্রামে ৩৪টি বাড়িতে অবৈধ জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে পুলিস ও প্রশাসন।
রবিবার গোঘাটের বালি পঞ্চায়েত এলাকাতেও বেশ কিছু বাড়িতে জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন পুলিসের আধিকারিকরা। অভিযানের সময় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্মী আধিকারিকরাও ছিলেন। পুলিস জানিয়েছে, গোঘাট থানা এলাকায় প্রায় ৫০টি বাড়িতে অবৈধভাবে জলের সংযোগ করা হয়েছে। পিএইচই এমন অভিযোগ জানিয়েছে। সেগুলি ধাপে ধাপে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, জল স্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু গ্রামে জলের সংযোগ দিয়েছে পিএইচই।
মাথা পিছু ৫৫ লিটার জল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, অনেকেই তাদের বাড়ির ছাদে রাখা বড় ট্যাঙ্কে সরকারি সেই জল তুলে নিচ্ছে। তার জেরে বহু মানুষ জল পাচ্ছে না। এই অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জল প্রকল্পের কাজ শেষ করতে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে। এজন্য শনিবার সমন্বয় বৈঠক করা হয়। প্রকল্প রূপায়ণে জন প্রতিনিধিদেরও সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার বলেন, জলের অপচয় সহ প্রকল্প রূপায়ণে পঞ্চায়েত সমিতিতে নিয়মিত বৈঠক হবে। সবাই যাতে জল পায়, সেই দিকটি নিশ্চিত করতে আমরা দপ্তরকে বলেছি।
তাছাড়া সারাদিন ট্যাপ খুলে রেখেও জল অপচয় হচ্ছে। জল অপচয় রোখাই আমাদের লক্ষ্য। না হলে রিজার্ভার থেকে দূরের বসতি এলাকার মানুষ জল পাচ্ছে না। অথবা জলে গতি কম হয়ে যাচ্ছে। তাই বাসিন্দাদের সচেতন করতেই আমরা অবৈধ পাইপের অংশ কেটে দিচ্ছি। এরজন্য স্থানীয় পুলিসকে একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো অভিযান চালানো হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে খানাকুলে ১৫টি বাড়িতে অবৈধ জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আরামবাগ থানায় পৃথক দু’টি গ্রামে ৩৪টি বাড়িতে অবৈধ জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে পুলিস ও প্রশাসন।
রবিবার গোঘাটের বালি পঞ্চায়েত এলাকাতেও বেশ কিছু বাড়িতে জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন পুলিসের আধিকারিকরা। অভিযানের সময় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কর্মী আধিকারিকরাও ছিলেন। পুলিস জানিয়েছে, গোঘাট থানা এলাকায় প্রায় ৫০টি বাড়িতে অবৈধভাবে জলের সংযোগ করা হয়েছে। পিএইচই এমন অভিযোগ জানিয়েছে। সেগুলি ধাপে ধাপে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, জল স্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু গ্রামে জলের সংযোগ দিয়েছে পিএইচই।
মাথা পিছু ৫৫ লিটার জল সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, অনেকেই তাদের বাড়ির ছাদে রাখা বড় ট্যাঙ্কে সরকারি সেই জল তুলে নিচ্ছে। তার জেরে বহু মানুষ জল পাচ্ছে না। এই অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জল প্রকল্পের কাজ শেষ করতে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে। এজন্য শনিবার সমন্বয় বৈঠক করা হয়। প্রকল্প রূপায়ণে জন প্রতিনিধিদেরও সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার বলেন, জলের অপচয় সহ প্রকল্প রূপায়ণে পঞ্চায়েত সমিতিতে নিয়মিত বৈঠক হবে। সবাই যাতে জল পায়, সেই দিকটি নিশ্চিত করতে আমরা দপ্তরকে বলেছি।



