নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: পাম্প হাউসে কাজ নিয়ে ঝামেলা বানারহাটে। ঝামেলার জেরে তালা পড়েছিল পাম্প হাউসে। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় জল সরবরাহ। এই পরিস্থিতিতে এলাকায় জল সরবরাহ চালু রাখতে হস্তক্ষেপ করলেন বানারহাটের বিডিও নিরঞ্জন কর্মকার।
Advertisement
বানারহাটের মোগলকাটা চা বাগানের বাসিন্দা রীতা সূত্রধরের দাবি, পাম্প হাউস তৈরির সময় জায়গা দিয়েছিলেন তিনি। সেসময় আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, পাম্প হাউস চালু হলে তাঁকে চাকরি দেওয়া হবে। কিন্তু তাঁর পরিবর্তে অন্য একজনকে পাম্প অপারেটর হিসেবে নিয়োগের চেষ্টা হয়। এর প্রতিবাদে তিনি একাধিকবার পাম্প হাউসের গেটের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ ও ধর্নায় বসেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান থেকে বিডিও’র দ্বারস্থ হন। অবশেষে জেলাশাসক ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মধ্যস্থতায় মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে গত পয়লা ডিসেম্বর থেকে কাজে যোগ দেন রীতা।
অভিযোগ, এরপরই এলাকার এক তৃণমূল কর্মী ওই পাম্প হাউসে তালা মেরে দেন। তাঁর দাবি, ওই পাম্প হাউসে তাঁকেই কাজ দিতে হবে। এনিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। এদিকে, পাম্প হাউসে তালা মেরে দেওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় জল সরবরাহ। অবশেষে বুধবার দুপুরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় হস্তক্ষেপ করেন বিডিও। উপস্থিত ছিলেন পিএইচই দপ্তরের আধিকারিকরা।
বিডিও বলেন, একই কাজ পাওয়ার দাবিতে অনড় দু’জন। তাঁদের বিবাদের জেরে পাম্প হাউসে তালা পড়েছিল। ফলে এলাকার মানুষ জল পাচ্ছিলেন না। এটা বরদাস্ত করা হবে না। সেকারণে পাশের এলাকার এক পাম্প অপারেটরের হাতে আপাতত ওই পাম্প হাউসের চাবি তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই পাম্প অপারেটরই এখানে জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবেন।
এদিন রাতে বিডিও বলেন, পিএইচই নিযুক্ত ঠিকাদার সংস্থা নিয়োগপত্র দেবে। যতদিন বিষয়টি না মীমাংসা হচ্ছে, ততদিন অন্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই এই পাম্প হাউস পরিচালনা করবেন। মানুষকে জল পাওয়া থেকে কোনওভাবেই বঞ্চিত করা যাবে না। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিক পূর্ণজিৎ রায় বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জমিদাতাই পাম্প হাউসে কাজ পাবেন। বিষয়টি নিয়ে বিডিও’র সঙ্গে কথা বলা হবে। এদিকে, অভিযোগ ওঠা তৃণমূল নেতা লীলাপ্রসাদ ওরাওঁ অবশ্য বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে।
অভিযোগ, এরপরই এলাকার এক তৃণমূল কর্মী ওই পাম্প হাউসে তালা মেরে দেন। তাঁর দাবি, ওই পাম্প হাউসে তাঁকেই কাজ দিতে হবে। এনিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। এদিকে, পাম্প হাউসে তালা মেরে দেওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় জল সরবরাহ। অবশেষে বুধবার দুপুরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় হস্তক্ষেপ করেন বিডিও। উপস্থিত ছিলেন পিএইচই দপ্তরের আধিকারিকরা।
বিডিও বলেন, একই কাজ পাওয়ার দাবিতে অনড় দু’জন। তাঁদের বিবাদের জেরে পাম্প হাউসে তালা পড়েছিল। ফলে এলাকার মানুষ জল পাচ্ছিলেন না। এটা বরদাস্ত করা হবে না। সেকারণে পাশের এলাকার এক পাম্প অপারেটরের হাতে আপাতত ওই পাম্প হাউসের চাবি তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই পাম্প অপারেটরই এখানে জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবেন।
এদিন রাতে বিডিও বলেন, পিএইচই নিযুক্ত ঠিকাদার সংস্থা নিয়োগপত্র দেবে। যতদিন বিষয়টি না মীমাংসা হচ্ছে, ততদিন অন্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই এই পাম্প হাউস পরিচালনা করবেন। মানুষকে জল পাওয়া থেকে কোনওভাবেই বঞ্চিত করা যাবে না। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিক পূর্ণজিৎ রায় বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জমিদাতাই পাম্প হাউসে কাজ পাবেন। বিষয়টি নিয়ে বিডিও’র সঙ্গে কথা বলা হবে। এদিকে, অভিযোগ ওঠা তৃণমূল নেতা লীলাপ্রসাদ ওরাওঁ অবশ্য বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে।



