ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি: শেখ হাসিনা আপাতত ভারতের কাছে অতীত। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী ভারত। সেই বার্তা আগেই দিয়েছিল নয়াদিল্লি। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান এবং সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও। এই বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল ঢাকার তরফেও। তারেকের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এমনই জানা গিয়েছে দলীয় সূত্রে। যা দু’দেশের সম্পর্কে নয়া মাত্রা যুক্ত করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
তারেকের শপথগ্রহণের তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। আজ, বিকেলে তাঁর সাংবাদিক বৈঠক আছে। সেখানে দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও তাতে থমকে নেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। তৈরি হচ্ছে আমন্ত্রিদের তালিকা। খবরে প্রকাশ, দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রনেতাদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে। এক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।
সরকারি সূত্রের খবর, তারেক রহমানের আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণের পরই নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ভারতের যাবতীয় কূটনৈতিক আলোচনা ও সম্পর্ক পুনরায় স্থাপন করা হবে। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে সমাপ্ত হবে ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য করা সেই চুক্তির মেয়াদ। জানুয়ারি মাসে ভারতের সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের প্রতিনিধি দল গিয়েছিল বাংলাদেশে। সেদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সম্প্রতি তারেক রহমানের বৈঠকও হয়েছে।