সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসা ব্লকের মলানদিঘি এলাকাকে প্লাস্টিক মুক্ত করতে উদ্যোগী হল গ্রাম পঞ্চায়েত। প্লাস্টিক সংগ্রহ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে খাঁচা। যার একদিকে ফেলা হবে ব্যবহার্য প্লাস্টিক প্যাকেট ও অন্যান্য ক্যারিব্যাগ। অন্য অংশে প্লাস্টিক বোতল ফেলার জায়গা থাকবে। সেইগুলি সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হবে বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্রে। পঞ্চায়েতের ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হচ্ছে এই খাঁচা।
Advertisement
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, সমগ্র পঞ্চায়েত এলাকাকে প্লাস্টিক মুক্ত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিক সংগ্রহের জন্য ১৫টি খাঁচা করা হবে। এই খাঁচা পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাখা হবে। প্লাস্টিক সংগ্রহের পর তা নিয়ে যাওয়া হবে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পে। স্থানীয়রা জানান, প্লাস্টিক ও পলিব্যাগ ব্যবহারের ফলে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় নিকাশি ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। খালের নাব্যতা হারিয়ে যায়। প্রভাবিত হয় বাস্তুতন্ত্র। জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক প্রিয়ব্রত পান বলেন, এই সময় পরিবেশের দু’টি গভীর সংকট হল ভূ-উষ্ণায়ন এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা। পঞ্চায়েতের এমন উদ্যোগ অবশ্যই উল্লেখযোগ্য, তবে একইসঙ্গে এলাকাবাসীকেও সচেতন হতে হবে।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর মোড়, রক্ষিতপুর হাটতলা, মলানদিঘি পুলিস ক্যাম্প এলাকায় ইতিমধ্যেই খাঁচা বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি ১০টি খাঁচা দ্রুত বসানো হবে। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্লাস্টিক মুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার লক্ষ্যে আমরা স্বচ্ছ ভারত মিশন গ্রামীণ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পের অধীনে ১৫ জায়গায় লোহার খাঁচা বসানো হচ্ছে। কুলডিহা হাট, মলানদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ইত্যাদি কয়েকটি জায়গায় ওই খাঁচা বসানো হবে। আমরা চাইছি সম্পূর্ণ এলাকা যাতে প্লাস্টিক মুক্ত থাকে। ৪০ মাইক্রোনের নীচে যে প্লাস্টিক রয়েছে সেগুলি যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় মানুষ ফেলতে পারে তা দেখা হচ্ছে। মানুষ ইতিমধ্যেই সাড়া দিয়েছে। বাজার সংলগ্ন এলাকার মানুষরা খুশি। প্লাস্টিকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত পঞ্চায়েত গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর মোড়, রক্ষিতপুর হাটতলা, মলানদিঘি পুলিস ক্যাম্প এলাকায় ইতিমধ্যেই খাঁচা বসানো হয়ে গিয়েছে। বাকি ১০টি খাঁচা দ্রুত বসানো হবে। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্লাস্টিক মুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার লক্ষ্যে আমরা স্বচ্ছ ভারত মিশন গ্রামীণ প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পের অধীনে ১৫ জায়গায় লোহার খাঁচা বসানো হচ্ছে। কুলডিহা হাট, মলানদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ইত্যাদি কয়েকটি জায়গায় ওই খাঁচা বসানো হবে। আমরা চাইছি সম্পূর্ণ এলাকা যাতে প্লাস্টিক মুক্ত থাকে। ৪০ মাইক্রোনের নীচে যে প্লাস্টিক রয়েছে সেগুলি যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় মানুষ ফেলতে পারে তা দেখা হচ্ছে। মানুষ ইতিমধ্যেই সাড়া দিয়েছে। বাজার সংলগ্ন এলাকার মানুষরা খুশি। প্লাস্টিকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত পঞ্চায়েত গড়াই আমাদের লক্ষ্য।



