নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: পুলিসের ‘বন্ধু’ গ্রুপের সৌজন্যে ডিজিটাল অ্যারেস্টের নামে প্রতারণার ফাঁদ থেকে রক্ষা পেলেন এক যুবক। মঙ্গলবার সকালে চাপড়া থানার বৃত্তিহুদা পঞ্চায়েতের গোখুরাপোতায় এই ঘটনা ঘটে। আকিবুল শেখ নামে ওই যুবককে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের ছক কষছিল প্রচারকরা। ‘বন্ধু’ গ্রুপে সতর্কবার্তার কথা মনে পড়ায় আকিবুল চাপড়া থানায় এসে যোগাযোগ করেন। ফলে তিনি প্রতারিত হওয়া থেকে বেঁচে যান।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (হেডকোয়ার্টার) মাকওয়ানা মিটকুমার সঞ্জয়কুমার বলেন, আমরা সাইবার প্রতারণা নিয়ে লাগাতার মানুষকে সচেতন করছি। চাপড়ার ঘটনা আমাদের সাফল্যের অন্যতম উদাহরণ। ‘বন্ধু’ গ্রুপের মাধ্যমে আমরা খুব তাড়াতাড়ি বহু মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছি।
পুলিস জানিয়েছে, এক সপ্তাহ আগেই চাপড়া থানার আইসি অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় ‘বন্ধু’ গ্রুপে ভিডিওর মাধ্যমে ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা দেন। সেই ভিডিও চাপড়া এলাকায় ভালো শেয়ার হয়। মঙ্গলবার সকালে বৃত্তিহুদার আকিবুলের কাছে একটি ফোন আসে। তাঁকে বলা হয়, দিল্লি সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে ফোন করা হচ্ছে। তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়ো অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। তাতে দেখা যায়, আকিবুলের বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় শ্লীলতাহানির মামলা দায়ের হয়েছে। আকিবুল নাকি কোনও মেয়েকে নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠানোর জন্য জোর করেছেন। ফোনে তাঁকে বলা হয়, এই অপরাধের জন্য তাঁকে দু’বছর জেল খাটতে হবে ও ৬৫৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। প্রতারকরা তাঁকে একজন ডিএসপি পদমর্যাদার ছবিও পাঠায়। প্রতারকরা আকিবুলকে বলে, তাঁর বাড়ির আশপাশে দিল্লি পুলিস সাদা পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেই তাঁকে ধরা হবে। এই কেস থেকে বাঁচতে আধঘণ্টার মধ্যে জরিমানার টাকা অনলাইনে পাঠাতে হবে। তখন হঠাৎই ‘বন্ধু’ গ্রুপের সেই ভিডিও সতর্কবার্তার কথা আকিবুলের মনে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তিনি সেই অভিযোগপত্র ও অফিসারের ছবি চাপড়া থানার আইসিকে পাঠান। সেইসঙ্গে ফোন করে বিষয়টি জানান। এরপর আইসি তাঁকে মোবাইল সহ থানায় ডেকে পাঠান। কিন্তু প্রতারকের হুমকির কারণে তিনি ঘর থেকে বেরতে দ্বিধা বোধ করছিলেন।
পুলিস জানিয়েছে, এক সপ্তাহ আগেই চাপড়া থানার আইসি অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় ‘বন্ধু’ গ্রুপে ভিডিওর মাধ্যমে ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে সতর্কবার্তা দেন। সেই ভিডিও চাপড়া এলাকায় ভালো শেয়ার হয়। মঙ্গলবার সকালে বৃত্তিহুদার আকিবুলের কাছে একটি ফোন আসে। তাঁকে বলা হয়, দিল্লি সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে ফোন করা হচ্ছে। তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়ো অভিযোগপত্র পাঠানো হয়। তাতে দেখা যায়, আকিবুলের বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় শ্লীলতাহানির মামলা দায়ের হয়েছে। আকিবুল নাকি কোনও মেয়েকে নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠানোর জন্য জোর করেছেন। ফোনে তাঁকে বলা হয়, এই অপরাধের জন্য তাঁকে দু’বছর জেল খাটতে হবে ও ৬৫৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। প্রতারকরা তাঁকে একজন ডিএসপি পদমর্যাদার ছবিও পাঠায়। প্রতারকরা আকিবুলকে বলে, তাঁর বাড়ির আশপাশে দিল্লি পুলিস সাদা পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেই তাঁকে ধরা হবে। এই কেস থেকে বাঁচতে আধঘণ্টার মধ্যে জরিমানার টাকা অনলাইনে পাঠাতে হবে। তখন হঠাৎই ‘বন্ধু’ গ্রুপের সেই ভিডিও সতর্কবার্তার কথা আকিবুলের মনে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তিনি সেই অভিযোগপত্র ও অফিসারের ছবি চাপড়া থানার আইসিকে পাঠান। সেইসঙ্গে ফোন করে বিষয়টি জানান। এরপর আইসি তাঁকে মোবাইল সহ থানায় ডেকে পাঠান। কিন্তু প্রতারকের হুমকির কারণে তিনি ঘর থেকে বেরতে দ্বিধা বোধ করছিলেন।



