নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে পালানোর ঘটনায় প্রত্যক্ষ মদতের অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করল ইসলামপুর জেলা পুলিস। তদন্তের প্রথমে সাজ্জাক আলমের মদতদাতা হিসেবে আব্দুল হোসেনের নাম এলেও তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে আরও একজন চক্রী যুক্ত ছিল। সে হল এই শেখ হজরত। শনিবার তাকে হেফাজতে নিয়ে শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ। বাংলাদেশে পালানোর পথে পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সাজ্জাকের। দ্বিতীয় সঙ্গী আব্দুলের খোঁজ চলছে। এমন অবস্থায় তৃতীয় অভিযুক্ত হজরতকে এবার সামনে আনল পুলিস। ইসলামপুর পুলিস জেলার সুপার জবি থমাস বলেন, ধৃত সাজ্জাককে সে পালাতে সাহায্য করেছিল।
Advertisement
পুলিসের দাবি, সাজ্জাকের পালানোর ঘটনায় আব্দুলের সঙ্গে মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে গিয়েছে হজরত। আব্দুল এই হজরতের মাধ্যমেই সাজ্জাকের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছে দেয়। পুলিসকে গুলি করে পালানোর দিন ইসলামপুর মহকুমা আদালত চত্বরে আব্দুলের সঙ্গে হজরতকেও ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল। তারপরই সাজ্জাককে পুলিসের থেকে বাঁচাতে এবং বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছিল হজরত। সাজ্জাককে নিরাপদে রাখতে নিজের বাড়িতে পর্যন্ত আশ্রয় দেয় সে। তদন্তে জানা গিয়েছে, আব্দুলের সঙ্গে সাজ্জাকের যোগসূত্র ছিল হজরত। ইসলামপুর আদালত থেকে রায়গঞ্জে সাজ্জাককে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ও হজরত বাইক নিয়ে দূর থেকে পুলিসের গাড়িতে নজর রাখছিল। পাঞ্জিপাড়ায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার ছুতোয় পুলিসকে গাড়ি দাঁড় করতে বাধ্য করেছিল সাজ্জাক। তারপরই পুলিসকে গুলি করে হজরতের বাইকের পিছনে বসেই চম্পট দেয় সাজ্জাক।



