সংবাদদাতা, পতিরাম: স্বামীর নির্যাতনের শিকার খোদ পুলিসকর্মী। অভিযোগ, দীর্ঘদিন নির্যাতন করছিলেন স্বামী। সম্প্রতি তাঁর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পেরে প্রতিবাদ করাতেই বধূকে মারধর করা হয়। আক্রান্তকে বাঁচাতে গেলে তাঁর ভাইকেও মারধর করা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিত্সা করানোর পর বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, ওই বধূ বালুরঘাটে কর্মরত। কয়েক বছর আগে বালুরঘাটের রঘুনাথপুরের এক যুবককে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে অশান্তি লেগেই ছিল। স্বামী ও শাশুড়ি মিলে দিনের পর দিন বধূর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বেশকিছুদিন পুলিস লাইনের কোয়ার্টারে ছিলেন বধূ। রবিবার তাঁর ভাই কুমারগঞ্জ থেকে ভাইফোঁটা নিতে এসেছিলেন। অভিযোগ, ভাই এসে দেখেন দিদিকে মারধর করা হচ্ছে এবং গলা টিপে তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে জামাইবাবু। প্রতিবাদ করতে গেলে ভাইকেও মারধর করে অভিযুক্ত।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আক্রান্তের ভাই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, কথাবার্তা শুনে বুঝলাম জামাইবাবুর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তার প্রতিবাদ করার জন্যই দিদিকে বারবার মার খেতে হচ্ছে। আমি বাঁচাতে গেলেও মারধর করে। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এলে জামাইবাবু পালিয়ে যায়।
বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, বধূ ও তাঁর ভাইকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আক্রান্তের ভাই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, কথাবার্তা শুনে বুঝলাম জামাইবাবুর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। তার প্রতিবাদ করার জন্যই দিদিকে বারবার মার খেতে হচ্ছে। আমি বাঁচাতে গেলেও মারধর করে। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এলে জামাইবাবু পালিয়ে যায়।
বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, বধূ ও তাঁর ভাইকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



