সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: পলাশ ফুল দেখতে পুরুলিয়ায় ভিড় জমছে পর্যটকের। তাঁরা জানাচ্ছেন, দোল পর্যন্ত চলবে এই ভিড়। পলাশের বাহার যত বাড়বে পর্যটকদের আনাগোনা ততই বাড়তে থাকবে পর্যটক। পুরুলিয়া পর্যটনের শিল্পের উন্নয়ন হবে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় শীতের আমেজ আর সবুজ বনভূমি দেখতে পর্যটকেরা পুরুলিয়া আসত। কারণ এখানকার শীত দার্জিলিং, কালিম্পংকেও টেক্কা দেয়। তবে এখন শুধু শীতকাল নয়, সারা বছর পর্যটক আসছে এখানে। বসন্তের স্নিগ্ধতা গায়ে মেখে রংবেরঙের পলাশ দেখত জেলায় ভিড় জমাচ্ছে পর্যটকরা। বিভিন্ন জায়গায় পলাশ উৎসবও হচ্ছে।
অনেকেই বসন্তে পলাশ ফুলের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে শুরু করেছেন। আবার অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপে জানতে চেয়েছেন, ‘পুরুলিয়ায় কবে গেলে ভালো পলাশ ফুল দেখা যাবে?’ কোথায় ভালো পলাশ ফুলের দেখা মিলবে? জেলার পর্যটকদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এজেন্সির ব্যক্তিরা কোথায় থাকলে, কীভাবে পলাশ ফুল দেখতে পাওয়া যাবে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে।
কলকাতার ময়ূখ বসাক, দুর্গাপুরের সাথী সিংহ পুরুলিয়ার পর্যটন দপ্তরের একটি গ্রুপে পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন, কবে গেলে পলাশ ফুলের দেখা মিলবে। তাহলে গ্রুপ করে পুরুলিয়া বেড়াতে যাওয়া হবে। অন্যদিকে রমেন্দ্র সাঁধুখা, জয়ন্ত বিশ্বাস অযোধ্যায় বেড়াতে এসে পলাশ ফুল দেখার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।
সাধারণত পুরুলিয়া জেলার ২০টি ব্লকে পলাশ ফুলের দেখা মেলে। বর্তমানে বনদপ্তরের তরফ থেকে পলাশ গাছকে বিশেষ সংরক্ষণে আওতায় নিয়ে আসায় গাছের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে বসন্ত আসতেই সারা পুরুলিয়া রক্তিম হয়ে উঠে।
তবে প্রতিবছর বসন্তকাল এলেই নির্বিচারে পলাশের ডাল ভেঙে ফুল সংগ্রহ করে পর্যটকদের সামনে মালা নিয়ে উপস্থিত হয় স্থানীয় কচিকাঁচা থেকে কিশোর-কিশোরীরা। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের তরফে অভিযান চালানো হলেও নজরদারি কমলেই রমরমিয়ে বিক্রি হয় পলাশ ফুলের মালা। ফলে গাছ নষ্ট হয়।
বড়ন্তি পর্যটন কেন্দ্রের একটি গেস্ট হাউসের মালিক গণেশ মাল জানিয়েছেন, দোল পর্যন্ত গেস্ট হাউসগুলিতে ভিড় থাকে। দোলে প্রচুর ভিড় হয়। তাই বিশেষ প্যাকেজ রাখা হয়। দোলের পর তিন মাস পর্যটন কেন্দ্রগুলির গেস্ট হাউসগুলি প্রায় ফাঁকাই থাকে।
রঘুনাথপুর বনাঞ্চলের রেঞ্জার নিলাদ্রী সখা বলেন, বনদপ্তরের তরফে পলাশ গাছকে বিশেষ সংরক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে। পলাশ গাছ কাটা, ডাল ভাঙা বা ফুল তোলার মতো বিষয়গুলি নজরে রাখতে বনদপ্তরের কর্মীরা সবসময় সজাগ রয়েছে।
অনেকেই বসন্তে পলাশ ফুলের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে শুরু করেছেন। আবার অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন গ্রুপে জানতে চেয়েছেন, ‘পুরুলিয়ায় কবে গেলে ভালো পলাশ ফুল দেখা যাবে?’ কোথায় ভালো পলাশ ফুলের দেখা মিলবে? জেলার পর্যটকদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এজেন্সির ব্যক্তিরা কোথায় থাকলে, কীভাবে পলাশ ফুল দেখতে পাওয়া যাবে তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে।
কলকাতার ময়ূখ বসাক, দুর্গাপুরের সাথী সিংহ পুরুলিয়ার পর্যটন দপ্তরের একটি গ্রুপে পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন, কবে গেলে পলাশ ফুলের দেখা মিলবে। তাহলে গ্রুপ করে পুরুলিয়া বেড়াতে যাওয়া হবে। অন্যদিকে রমেন্দ্র সাঁধুখা, জয়ন্ত বিশ্বাস অযোধ্যায় বেড়াতে এসে পলাশ ফুল দেখার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।
সাধারণত পুরুলিয়া জেলার ২০টি ব্লকে পলাশ ফুলের দেখা মেলে। বর্তমানে বনদপ্তরের তরফ থেকে পলাশ গাছকে বিশেষ সংরক্ষণে আওতায় নিয়ে আসায় গাছের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে বসন্ত আসতেই সারা পুরুলিয়া রক্তিম হয়ে উঠে।
তবে প্রতিবছর বসন্তকাল এলেই নির্বিচারে পলাশের ডাল ভেঙে ফুল সংগ্রহ করে পর্যটকদের সামনে মালা নিয়ে উপস্থিত হয় স্থানীয় কচিকাঁচা থেকে কিশোর-কিশোরীরা। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের তরফে অভিযান চালানো হলেও নজরদারি কমলেই রমরমিয়ে বিক্রি হয় পলাশ ফুলের মালা। ফলে গাছ নষ্ট হয়।
বড়ন্তি পর্যটন কেন্দ্রের একটি গেস্ট হাউসের মালিক গণেশ মাল জানিয়েছেন, দোল পর্যন্ত গেস্ট হাউসগুলিতে ভিড় থাকে। দোলে প্রচুর ভিড় হয়। তাই বিশেষ প্যাকেজ রাখা হয়। দোলের পর তিন মাস পর্যটন কেন্দ্রগুলির গেস্ট হাউসগুলি প্রায় ফাঁকাই থাকে।
রঘুনাথপুর বনাঞ্চলের রেঞ্জার নিলাদ্রী সখা বলেন, বনদপ্তরের তরফে পলাশ গাছকে বিশেষ সংরক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে। পলাশ গাছ কাটা, ডাল ভাঙা বা ফুল তোলার মতো বিষয়গুলি নজরে রাখতে বনদপ্তরের কর্মীরা সবসময় সজাগ রয়েছে।



