সংবাদদাতা, তেহট্ট: শুক্রবার ছিল বিয়ে। বৃহস্পতিবার রীতিমতো গায়ে হলুদ হয়। তারপর রাতেই নাবালিকার রহস্যমৃত্যু ঘিরে পলাশীপাড়া থানার রাধানগর স্কুলপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃতার বয়স ১৭ বছর। তার পরিবারের দাবি, ওই নাবালিকা রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, যে মেয়ে এত খুশি ছিল, সেই মেয়ে কী করে রাতে আত্মহত্যা করে? এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে। এমনকী মৃত্যুর পর কাউকে না জানিয়ে পরিবারের লোকজন মৃতদেহ কবর দিতে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা দেহ আটকে থানায় খবর দেন। পুলিস এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ওই নাবালিকার বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল। তার বাবার দু’টি বিয়ে। নাবালিকার মা মারা যাওয়ার পর আবার তিনি বিয়ে করেন। ওই নাবালিকার বিয়ের বয়স না হওয়া সত্ত্বেও তাঁর বিয়ে ঠিক করেন পরিবারের লোকজন। শুক্রবার তার বিয়ের দিন ছিল। আগের রাতেই তার রহস্যমৃত্যু হয়। নাবালিকার মৃত্যুর খবর চেপে পরিবারের লোকজন মৃতদেহ কবর দিতে চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এই খবর জানাজানি হতেই গ্রামের বাসিন্দারা মৃতদেহ আটকে থানায় খবর দেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেয়েটার উপর পরিবারের একাংশ ভালো ব্যবহার করত না। তাই এটা আদৌ আত্মহত্যা না অন্যকিছু, তা দেখা প্রয়োজন। সেই কারণে মৃতদেহ আটকে থানায় খবর দেওয়া হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ সবাই জানতে চাইছে। পুলিস মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলেন, ওই নাবালিকার মৃত্যু আমাদের কাছে খুই রহস্যজনক। ওর পরিবার কোনও কিছু না জানানোয় সন্দেহ আরও বাড়ছে। আমরা চাই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক।
গোপীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মতিয়ার রহমান শেখ বলেন, আমরা বারেবারে নাবালক বা নাবালিকার বিয়ে বন্ধে প্রচার করি। তারপরেও নাবালক বা নাবালিকার বিয়ে লুকিয়েচুরিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ওই নাবালিকার মৃত্যুর খবর জানতে পেরে আমি পলাশীপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে যাই। আমিও গ্রামের বাসিন্দাদের মতো নাবালিকার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই। পুলিস এই ঘটনার তদন্ত করে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা বের করুক।
পুলিস জানিয়েছে, রাধানগর স্কুলপাড়া থেকে খবর আসে একজন আত্মহত্যা করেছে। দেহ কবর দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। এই খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহ পলাশীপাড়া প্রীতিময়ী গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
গোপীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মতিয়ার রহমান শেখ বলেন, আমরা বারেবারে নাবালক বা নাবালিকার বিয়ে বন্ধে প্রচার করি। তারপরেও নাবালক বা নাবালিকার বিয়ে লুকিয়েচুরিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। ওই নাবালিকার মৃত্যুর খবর জানতে পেরে আমি পলাশীপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে যাই। আমিও গ্রামের বাসিন্দাদের মতো নাবালিকার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই। পুলিস এই ঘটনার তদন্ত করে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা বের করুক।
পুলিস জানিয়েছে, রাধানগর স্কুলপাড়া থেকে খবর আসে একজন আত্মহত্যা করেছে। দেহ কবর দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। এই খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহ পলাশীপাড়া প্রীতিময়ী গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।



