সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর পলাশডিহা সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে রেডিওলজিস্টের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। বিকল এক্সরে মেসিনও। এর জেরে গর্ভবতী ও রোগীরা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাঁরা চাইছেন, সমস্যা মেটাতে পুরসভা তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ করুক। পুরসভা জানিয়েছে, সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। তাড়াতাড়ি এক্সরে যন্ত্র নিয়ে আসা হবে।
Advertisement
সিটিসেন্টার লাগোয়া পলাশডিহা এলাকায় ওই সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। ওয়াড়িয়া, ফরিদপুর, পেয়ালা সহ সিটিসেন্টারের রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য এটির উপর নির্ভর করেন। একসময় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি পরিষেবা থাকায় গর্ভবতীদের খুবই সুবিধা হচ্ছিল। কিন্তু বহুদিন ধরে রেডিওলজিস্টের অভাবে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে না। আল্ট্রাসোনোগ্রাফি যন্ত্রটি চাদর দিয়ে ঢাকা রয়েছে। ফলে গর্ভবতীদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র যেতে হচ্ছে। বাম আমলের এক্সরে যন্ত্রটিও প্রায় দেড় বছর ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। রোগীরা চিকিৎসা করাতে এসে দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন। প্রতিদিন ৫০-৮০জন রোগী সেখানে চিকিৎসা করাতে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দা রাজা ভট্টাচার্য বলেন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি ও এক্সরে পরিষেবা ফের শুরু হলে বহু রোগী উপকৃত হবেন।
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্যা রাখি তিওয়ারি বলেন, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে একজন রেডিওলজিস্ট সপ্তাহে দু’দিন আসতেন। কিন্তু তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে আর আসেন না। আমরা রেডিওলজিস্টের খোঁজ করছি। এক্সরে যন্ত্রটি পুরনো মডেলের হওয়ায় মেরামত করার সমস্যা রয়েছে। দু’টি বিষয়ই স্বাস্থ্য ভবনে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন থেকে তিনটি আল্ট্রাসোনোগ্রাফি যন্ত্র বরাদ্দ করা হয়েছে। সেগুলি চলে এলেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্যা রাখি তিওয়ারি বলেন, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে একজন রেডিওলজিস্ট সপ্তাহে দু’দিন আসতেন। কিন্তু তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে আর আসেন না। আমরা রেডিওলজিস্টের খোঁজ করছি। এক্সরে যন্ত্রটি পুরনো মডেলের হওয়ায় মেরামত করার সমস্যা রয়েছে। দু’টি বিষয়ই স্বাস্থ্য ভবনে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন থেকে তিনটি আল্ট্রাসোনোগ্রাফি যন্ত্র বরাদ্দ করা হয়েছে। সেগুলি চলে এলেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।



