সংবাদদাতা, হলদিয়া: পুলিসের ছদ্মবেশে আধার কার্ড জালিয়াতির গল্প ফেঁদে হলদিয়ার এক ব্যক্তির সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাইবার প্রতারকদের বিরুদ্ধে। মুম্বইয়ের একটি পুলিস স্টেশনের নাম করে ওই ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। ফাঁদে ফেলার কৌশলও অভিনব। রীতিমতো ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করে ওই দুষ্ট চক্র তাদের অ্যাকাউন্টে সাত লক্ষ টাকা পাঠাতে বাধ্য করে। এরপরই তারা কথোপকথন বন্ধ করে ফোন সুইচ অফ করে দেয়। শেষমেশ বিপাকে পড়ে ওই ব্যক্তি হলদিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিয়া টাউনশিপের বাসিন্দা অনুপম খাঁড়া সাইবার প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে সাত লক্ষ টাকা খুইয়েছেন বলে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মুম্বইয়ের তিলক নগর পুলিস স্টেশনের এক সাব ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে অনুপমবাবুর কাছে ফোন আসে। এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানান পুলিস আধিকারিক। ওই ব্যক্তি মুম্বইয়ের তিলক নগরের কুশল টাওয়ারের বাসিন্দা। মুম্বইয়ের ওই বাসিন্দা একটি আধার নম্বর জালিয়াতি করে প্রতারণা করেছে। ওই আধার নম্বর হলদিয়ার অনুপমবাবুর। একটি দু’টি নয়, অনুপমবাবুর আধার নম্বর জালিয়াতি করে না কি ২১টি আর্থিক প্রতারণা ঘটনা ঘটেছে বলে ওই প্রতারক দাবি করে। শুধু তাই নয়, ওই আধার নম্বর ব্যবহার করে মুম্বইয়ে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে প্রতারকরা অ্যাকাউন্টও খুলেছে বলে দাবি করা হয়। এখবর শুনে রীতিমতো আকাশ থেকে পড়েন অনুপমবাবু এবং ভয়ও পেয়ে যান। কীভাবে ওই সঙ্কট থেকে অনুপম বেরতে পারেন তার পথও বলে দেয় ওই পুলিস আধিকারিক।
হলদিয়ার তদন্তকারী পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য পুলিসের ছদ্মবেশে থাকা প্রতারকরা নতুন গল্প ফাঁদে। তারা প্রথমে হলদিয়ার ওই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক ডিটেলস চায়। অনুপমবাবুর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে এমন অভিযোগ করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এরপর তারা নিজেদের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে সেখানে সাত লক্ষ টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর কারণ হিসেবে অনুপমকে অভিনব ব্যাখ্যা দেয়। অনুপমের অ্যাকাউন্টের হিসেব নিকেশ জানতেই না কি ওই টাকার প্রয়োজন। পরে মুম্বই পুলিসের তরফে সম্পূর্ণ টাকা ফেরানো হবে বলেও দাবি করা হয়। ওই ব্যক্তি সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবেন বলে নিজের ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে সাত লক্ষ টাকা বিশ্বাস করে পাঠিয়েও দেন। পাঁচ সাতদিন ধরে ওই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরপর মুম্বইয়ের ওই প্রতারক অনুপমকে ফোন করে জানায়, ‘সৌম্য’ নামে তার কোনও ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রতারণার এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। সৌম্য নামে কাউকে তিনি চেনেন না একথা জনানোর পরই পুলিসের ছদ্মবেশে থাকা ওই প্রতারকরা মোবাইল বন্ধ করে দেয়।
হলদিয়ার তদন্তকারী পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য পুলিসের ছদ্মবেশে থাকা প্রতারকরা নতুন গল্প ফাঁদে। তারা প্রথমে হলদিয়ার ওই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক ডিটেলস চায়। অনুপমবাবুর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে এমন অভিযোগ করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এরপর তারা নিজেদের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে সেখানে সাত লক্ষ টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর কারণ হিসেবে অনুপমকে অভিনব ব্যাখ্যা দেয়। অনুপমের অ্যাকাউন্টের হিসেব নিকেশ জানতেই না কি ওই টাকার প্রয়োজন। পরে মুম্বই পুলিসের তরফে সম্পূর্ণ টাকা ফেরানো হবে বলেও দাবি করা হয়। ওই ব্যক্তি সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবেন বলে নিজের ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে সাত লক্ষ টাকা বিশ্বাস করে পাঠিয়েও দেন। পাঁচ সাতদিন ধরে ওই প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরপর মুম্বইয়ের ওই প্রতারক অনুপমকে ফোন করে জানায়, ‘সৌম্য’ নামে তার কোনও ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রতারণার এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। সৌম্য নামে কাউকে তিনি চেনেন না একথা জনানোর পরই পুলিসের ছদ্মবেশে থাকা ওই প্রতারকরা মোবাইল বন্ধ করে দেয়।



