দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: পালাবদলের পরও চলছে তোলাবাজি। তা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশই সেকাজে লিপ্ত হয়েছেন, সেকথাও প্রকাশ্যে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন বঙ্গবিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্বয়ং। সরকার গঠনের মাত্র তিনমাসের মধ্যে তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে গেরুয়া শিবির এতই নাজেহাল যে, ইতিমধ্যে কয়েকজন মণ্ডল সভাপতি সহ অন্তত ১৫০ জন নেতাকর্মীকে শো-কজ করা হয়েছে দলের তরফে। বুধবার রাজ্য বিজেপির শীর্ষতম সূত্র থেকে এমনই দাবি করা হয়েছে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সই করা শো-কজের চিঠিতে ‘তোলাবাজি’ শব্দের উল্লেখ করা হচ্ছে না। থাকছে ‘ইন-ডিসিপ্লিন’, অর্থাৎ দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের প্রসঙ্গ। কয়েকটি ক্ষেত্রে অবশ্য এর ব্যতিক্রম হয়েছে। সেই সব চিঠিতে অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি লেখা রয়েছে তোলাবাজি শব্দটি। তবে দলীয় সূত্রে এও খবর, শো-কজের পর সন্তোষজনক জবাব পেয়ে প্রায় ৬০ জনকে একপ্রকার ক্লিনচিটও দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই চিঠি প্রকাশও করেছেন সেই সব নেতা-কর্মী। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় অনেকে তা মুছেও ফেলেছেন।



