Bartaman Logo
৬ আগস্ট, ২০২৬

তোলাবাজিতে নাজেহাল, বঙ্গ বিজেপির ১৫০ কর্মীকে শোকজ

পালাবদলের পরও চলছে তোলাবাজি। তা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশই সেকাজে লিপ্ত হয়েছেন, সেকথাও প্রকাশ্যে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন বঙ্গবিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্বয়ং।

তোলাবাজিতে নাজেহাল, বঙ্গ বিজেপির ১৫০ কর্মীকে শোকজ
  • ৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: পালাবদলের পরও চলছে তোলাবাজি। তা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশই সেকাজে লিপ্ত হয়েছেন, সেকথাও প্রকাশ্যে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন বঙ্গবিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্বয়ং। সরকার গঠনের মাত্র তিনমাসের মধ্যে তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে গেরুয়া শিবির এতই নাজেহাল যে, ইতিমধ্যে কয়েকজন মণ্ডল সভাপতি সহ অন্তত ১৫০ জন নেতাকর্মীকে শো-কজ করা হয়েছে দলের তরফে। বুধবার রাজ্য বিজেপির শীর্ষতম সূত্র থেকে এমনই দাবি করা হয়েছে। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সই করা শো-কজের চিঠিতে ‘তোলাবাজি’ শব্দের উল্লেখ করা হচ্ছে না। থাকছে ‘ইন-ডিসিপ্লিন’, অর্থাৎ দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের প্রসঙ্গ। কয়েকটি ক্ষেত্রে অবশ্য এর ব্যতিক্রম হয়েছে। সেই সব চিঠিতে অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি লেখা রয়েছে তোলাবাজি শব্দটি। তবে দলীয় সূত্রে এও খবর, শো-কজের পর সন্তোষজনক জবাব পেয়ে প্রায় ৬০ জনকে একপ্রকার ক্লিনচিটও দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই চিঠি প্রকাশও করেছেন সেই সব নেতা-কর্মী। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় অনেকে তা মুছেও ফেলেছেন।

Advertisement

নেতাকর্মীদের শো-কজের প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নিয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এদিন সংসদ ভবন চত্বরে ‘বর্তমান’কে তিনি সাফ বলেছেন, ‘পার্টির অভ্যন্তরেই তোলাবাজি, দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ আসছে। প্রত্যেকেই পার্টির স্ক্যানারে আছেন। দলের ঊর্ধ্বে কেউ নন। দল সব নজরে রাখছে। ইতিমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।’ যদিও প্রাথমিক সেই পদক্ষেপ নিয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে। যেমন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো, শারীরিক হেনস্তা, তাঁদের থেকে তোলাবাজি এবং সমাজমাধ্যমে অনৈতিক তথ্য ছড়ানোর মতো একাধিক অভিযোগে গত ১৮ জুলাই গোবরডাঙা পুর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি আশিস বন্দ‌্যোপাধ্যায়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। গত ৩০ জুলাই তাঁকে ‘ক্লিনচিট’ দেওয়া হয়েছে। মাত্র ১২ দিনের মধ্যে তাঁর সাসপেনশন উঠে যাওয়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ