নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রশাসনের চাপে অবশেষে জলপাইগুড়ি শহরে সারারাত ওষুধের দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিল বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। পয়লা মার্চ থেকে শহরে পালা করে সারারাত ওষুধের দোকান খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের জলপাইগুড়ি সদর জোনের সম্পাদক সন্দীপ মিশ্র।
Advertisement
শনিবার তিনি বলেন, আমরা ঠিক করেছি জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে সাতটি ওষুধের দোকান সপ্তাহের সাতদিন পালা করে সারারাত খোলা থাকবে। সম্প্রতি মহকুমা শাসকের সঙ্গে বৈঠকের পরিপ্রেক্ষিতে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সারারাত যে সব ওষুধের দোকান খোলা থাকবে, সেগুলিতে যাতে সব ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়, দোকান মালিককে সেই দায়িত্ব নিতে হবে। হাসপাতাল চত্বর ছাড়াও জলপাইগুড়ি শহরের কদমতলা এলাকায় বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত একটি ওষুধের দোকান সারারাত খুলে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি শহরে যতগুলি নার্সিংহোম রয়েছে, তাদের ফার্মেসিও যাতে সারারাত খুলে রাখা হয় এবং সেখান থেকে যাতে বাইরের রোগীদের জন্য ওষুধ বিক্রি করা হয়, সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাতে জলপাইগুড়ি শহরে ওষুধের দোকান খোলা না থাকার পাশাপাশি রোগী ও তাদের পরিজনদের অভিযোগ, ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক গজিয়ে উঠছে। কিন্তু সেখানে ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। বেশিরভাগ চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বার কিংবা ক্লিনিকে পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগী ও তাদের বাড়ির লোকজনকে। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জলপাইগুড়ি সদর জোনের সম্পাদক বলেন, এটা ঠিক অনেক ক্লিনিকে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে। সেকারণে আমরা বলেছি নতুন করে কোনও ফার্মেসিতে যদি চিকিৎসক বসাতে হয়, সেক্ষেত্রে যেন রোগী ও তার পরিবারের লোকজনের জন্য পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে।
রাতে জলপাইগুড়ি শহরে ওষুধের দোকান খোলা না থাকার পাশাপাশি রোগী ও তাদের পরিজনদের অভিযোগ, ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক গজিয়ে উঠছে। কিন্তু সেখানে ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। বেশিরভাগ চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বার কিংবা ক্লিনিকে পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগী ও তাদের বাড়ির লোকজনকে। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জলপাইগুড়ি সদর জোনের সম্পাদক বলেন, এটা ঠিক অনেক ক্লিনিকে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে। সেকারণে আমরা বলেছি নতুন করে কোনও ফার্মেসিতে যদি চিকিৎসক বসাতে হয়, সেক্ষেত্রে যেন রোগী ও তার পরিবারের লোকজনের জন্য পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে।



