সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পিংলায় বৈদ্যুতিক চুল্লি স্থাপনের জন্য দেড় কোটি টাকার প্রকল্প পাঠাল পঞ্চায়েত সমিতি। ব্লকে মৃতদেহ দাহ করার শ্মশান আছে প্রায় ৮৫টা। সেখানে কাঠের চুল্লিতে দাহ করা হয়। বাসিন্দাদের দাবি, পিংলায় একটা বৈদ্যুতিক চুল্লির শ্মশান করা হোক। এবার সেই উদ্যোগ নিল পিংলা পঞ্চায়েত সমিতি। এরজন্য কয়েকটি জমিও চিহ্নিত করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিমাই সিং বলেন, কাঠের চুল্লিতে দাহ করতে গেলে কাঠের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বৈদ্যুতিক চুল্লি হলে সেই সমস্যা মিটবে। যাঁদের গাছ আছে, তাঁরা নিজেদের গাছ কেটে কাঠের সংস্থান করেন। কিন্তু যাঁরা গরিব, নিজস্ব গাছ নেই, তাদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। পঞ্চায়েত থেকে তাঁদের কাঠের জোগাড় করে দিতে হয়।
Advertisement
পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শেখ মাজারুল রহমন বলেন, আমরা বৈদ্যুতিক চুল্লি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। এর জন্য দেড় কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে পূর্ত দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পূর্ত দপ্তরের সোশ্যাল সেক্টর থেকে এই ধরনের কাজের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। এর জন্য পিংলা, জলচক, জামনা, কুশুমদা, মুণ্ডমারিতে জমি দেখা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য এক একর জমির প্রয়োজন। এই সব এলাকায় সরকারি খাস জমি আছে। পূর্ত দপ্তর প্রকল্প অনুমোদন করলে আমরা তাদের জমি দেখাব। যেখানে তারা জমি চিহ্নিত করে দেবে, সেখানে এই প্রকল্প হবে।
সভাপতি বলেন, অনেক বাসিন্দা আছেন, যাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে পরিজনদের মৃতদেহ বৈদ্যুতিক চুল্লিতে দাহ করেন। আমরা যদি এখানে করতে পারি, তাহলে তাঁদের আর অন্যত্র যেতে হবে না। পিংলা ব্লক ছাড়াও পাশের ডেবরা, সবং, খড়্গপুর ২ ব্লকের লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারাও এই চুল্লি ব্যবহার করতে পারবেন। দ্রুত যাতে এই প্রকল্প তৈরি করা যায়, তার জন্য সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া ও এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য শেখ সবেরাতিকেও আমরা বিষয়টা জানিয়েছি। তাঁরাও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনবেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বরুণ পাল, ঝন্টু হুতাইত বলেন, শহরে তো আছেই। অনেক গ্রামীণ এলাকাতেও এখন বৈদ্যুতিক চুল্লি হয়ে গিয়েছে। আমাদের এখানে হলে অনেক ভালো হয়। এতে যেমন কম সময় লাগবে। তেমনই দূষণ হবে না।
সভাপতি বলেন, অনেক বাসিন্দা আছেন, যাঁরা পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে পরিজনদের মৃতদেহ বৈদ্যুতিক চুল্লিতে দাহ করেন। আমরা যদি এখানে করতে পারি, তাহলে তাঁদের আর অন্যত্র যেতে হবে না। পিংলা ব্লক ছাড়াও পাশের ডেবরা, সবং, খড়্গপুর ২ ব্লকের লাগোয়া এলাকার বাসিন্দারাও এই চুল্লি ব্যবহার করতে পারবেন। দ্রুত যাতে এই প্রকল্প তৈরি করা যায়, তার জন্য সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া ও এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য শেখ সবেরাতিকেও আমরা বিষয়টা জানিয়েছি। তাঁরাও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনবেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বরুণ পাল, ঝন্টু হুতাইত বলেন, শহরে তো আছেই। অনেক গ্রামীণ এলাকাতেও এখন বৈদ্যুতিক চুল্লি হয়ে গিয়েছে। আমাদের এখানে হলে অনেক ভালো হয়। এতে যেমন কম সময় লাগবে। তেমনই দূষণ হবে না।



