ইসলামাবাদ, ২৩ ফেব্রুয়ারি: মানুষ খাবে কী? দামের ঝাঁঝেই মারা যাচ্ছে। এখানে বলা হচ্ছে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের কথা। যতই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক হিসেবে পাকিস্তান লম্ফঝম্প করুক না কেন, আদপে পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই। যেখানে খাবার কিনতে গিয়ে পকেট ফাঁকা হয় আমজনতার।
Advertisement
রমজান মাসের আগে পাকিস্তানি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির জেরে মাথায় হাত পড়েছে আমজনতার। বিশেষ করে মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। কেজি প্রতি ৮০০ টাকার দিকে এগোচ্ছে চিকেন। যার জেরে বাজারে গিয়ে রীতিমতো হাতে ছ্যাঁকা খেতে হচ্ছে আমজনতাকে।
সরকারের নির্ধারিত দামের থেকেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মাংস। গোটা মুরগির সরকারি নির্ধারিত দাম রয়েছে ৪২০ টাকা। কিন্তু দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। একই ভাবে মুরগির মাংসের সরকারি দাম প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা। কিন্তু দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ৭৬০-৭৭০ টাকা দরে। অর্থাৎ প্রতি কেজি প্রায় ৮০০ টাকাতে মাংস কিনছে পাক জনতা।
দামের ঊর্ধ্বমুখী গতির ফলে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের পাত থেকে মুরগির মাংস উধাও হয়ে গিয়েছে। মাংসের পরিবর্তে ডিম বা অন্য ধরনের সস্তা বিকল্প বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। এছাড়াও সামনে রমজান থাকায় দাম আরও বাড়তে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
সরকারের নির্ধারিত দামের থেকেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মাংস। গোটা মুরগির সরকারি নির্ধারিত দাম রয়েছে ৪২০ টাকা। কিন্তু দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। একই ভাবে মুরগির মাংসের সরকারি দাম প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা। কিন্তু দোকানে তা বিক্রি হচ্ছে ৭৬০-৭৭০ টাকা দরে। অর্থাৎ প্রতি কেজি প্রায় ৮০০ টাকাতে মাংস কিনছে পাক জনতা।
দামের ঊর্ধ্বমুখী গতির ফলে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের পাত থেকে মুরগির মাংস উধাও হয়ে গিয়েছে। মাংসের পরিবর্তে ডিম বা অন্য ধরনের সস্তা বিকল্প বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। এছাড়াও সামনে রমজান থাকায় দাম আরও বাড়তে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।



