সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় ঘরে পড়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। শনিবার এই খবর পেয়ে বাড়ির সামনে আসেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি ও অন্য পুলিস আধিকারিকরা। সেখান থেকে সমস্ত বিষয় জানানো হয় ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুকে। রবিবার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সীতেশ বরকে নিয়ে বোলবাড়ি এলাকার সেই বাড়িতে আসেন বিডিও।
Advertisement
খগেন রায় কয়েক বছর আগে পক্ষাঘাত হয়। তাঁর পরিবারের দুজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। রবিবার পরিবারের প্রত্যেকের কাছ থেকে সমস্ত বিষয় শোনেন বিডিও। পরিবারের লোকজন বলেন, খগেন রায় বার্ধক্য ভাতা পান। কিন্তু অন্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁরা বঞ্চিত। পরিবারের লোকজন এটাও স্বীকার করেছেন যে, এখন পর্যন্ত কোনও কিছুর জন্য তারা আবেদন করেননি।
বিডিও বলেন, যারা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন, তাঁদের সার্টিফিকেট করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কিভাবে তারা সরকারি ঘর পাবেন তার প্রচেষ্টা শুরু চলছে। বাড়িতে একজন মহিলা রয়েছেন, তার লক্ষীর ভাণ্ডার করে দেওয়া হবে। আপাতত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা শুরু হচ্ছে।
তৃণমূলের ময়নাগুড়ির এক নম্বর ব্লক সভাপতি মনোজ রায় বলেন, আপাতত থাকার মত একটি ঘর করে দেওয়ার আমরা চেষ্টা করছি। অসুস্থ বৃদ্ধর ছেলে দুলাল রায় বলেন, কাজ করতে গিয়ে আমার দুটি আঙ্গুল কেটে গিয়েছে। অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকারি সুবিধা পেলে পরিবারের উপকার হবে।
দোমোহনি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কল্যাণী রায় বলেন, পরিবারটি বিভিন্ন পরিষেবা পাচ্ছে না, এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে কোনদিনও আসেনি। এমনকি দুয়ারে সরকার ক্যাম্প হয়েছিল, সেখানেও যায়নি। তবে আমরা বিষয়টা দেখছি।
বিডিও বলেন, যারা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন, তাঁদের সার্টিফিকেট করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কিভাবে তারা সরকারি ঘর পাবেন তার প্রচেষ্টা শুরু চলছে। বাড়িতে একজন মহিলা রয়েছেন, তার লক্ষীর ভাণ্ডার করে দেওয়া হবে। আপাতত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা শুরু হচ্ছে।
তৃণমূলের ময়নাগুড়ির এক নম্বর ব্লক সভাপতি মনোজ রায় বলেন, আপাতত থাকার মত একটি ঘর করে দেওয়ার আমরা চেষ্টা করছি। অসুস্থ বৃদ্ধর ছেলে দুলাল রায় বলেন, কাজ করতে গিয়ে আমার দুটি আঙ্গুল কেটে গিয়েছে। অসহায় হয়ে পড়েছি। সরকারি সুবিধা পেলে পরিবারের উপকার হবে।
দোমোহনি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কল্যাণী রায় বলেন, পরিবারটি বিভিন্ন পরিষেবা পাচ্ছে না, এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে কোনদিনও আসেনি। এমনকি দুয়ারে সরকার ক্যাম্প হয়েছিল, সেখানেও যায়নি। তবে আমরা বিষয়টা দেখছি।



