সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: প্রায় ২০০কাঠা সরকারি জমির উপর বিশাল পুকুর। জাতীয় সড়কের পাশে সেই পুকুর দিনেদুপুরে ভরাট করে ১৮টি নকল দলিল বানিয়ে বিক্রি করেছে জমি মাফিয়ারা। অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে পেতে এমনই তথ্য তুলে ধরল পুলিস। পুকুর ভরাট নিয়ে মাফিয়াদের কার্যকলাপে স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ থেকে আদালত। পুকুর ভরাটের এই তথ্য দেখে আসানসোলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গিরিজানন্দ জানা বলেন, ‘এত বড় পুকুর চুরি। নজরদারিতে ভয়ঙ্কর অবহেলা। পুরসভা সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ কী করছিল?’ জমি লুট কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া চন্দন শর্মা সেসময় বিচারককে বলে, আমি টাকা দিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করিয়েছি। এতে অন্যায় কোথায়? তাকে থামিয়ে বিচারক বলেন, বিষয়টি মোটেও এত সহজ নয়। টাকা দিয়ে সব কিছু করা যায় না। অভিযুক্তদের আইনজীবীর দাবি নস্যাৎ করে বিচারক দুই জমি কারবারিকে সাতদিন পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
Advertisement
অভিযুক্তের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ বলেন, জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। অভিযুক্তদের সাতদিন পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
সূত্রের খবর, আসানসোলের মহকুমা ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের পক্ষ থেকে পুরসভার কাছে একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ, আসানসোল উত্তর থানার পশালডিহা মৌজায় তিন একরের একটি বিশাল পুকুর ভরাট করে প্লটিং করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী গত ১৪আগস্ট পুরসভার ৫নম্বর বোরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রজিৎ কোনার ২৯জনের বিরুদ্ধে আসানসোল উত্তর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আগস্ট মাসে পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠলেও তা নিয়ে কোনও হেলদোল দেখা যায়নি। পুলিস-প্রশাসন বা পুরসভা তা নিয়ে আর উচ্চবাচ্য করেনি। কয়েকদিন আগে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিল্পাঞ্চলের নাম না নিলেও অনেক ক্ষেত্রেই যে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের তির এই অঞ্চলের দিকেই ছিল তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। অবশেষে চার মাস পর পুরসভার অভিযোগের ভিত্তিতে অন্যতম অভিযুক্ত তাপস নন্দীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তারপরই গ্রেপ্তার হয় শিল্পাঞ্চলের অন্যতম বড় প্রোমোটার চন্দন শর্মা। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের আদালতে তোলে পুলিস। দুই বড় জমি কারবারিকে জামিন করাতে আইনজীবীরা মরিয়া চেষ্টা চালান। তখনই পুলিসের পক্ষ থেকে সরকারি খাসজমির উপর থাকা পুকুর ভরাট করে ১৮টি নকল দলিল তৈরি কথা জানানো হয়।
সরকারি আইনজীবী মনোজ সিং বলেন, পুকুর ভরাটের বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে এর পিছনে। তখনই বিচারক এত বিশাল পুকুর ভরাট কী ভাবে হল, তা নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করে নজরদারির অভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন।
পুরসভার পক্ষ থেকে আগস্ট মাসে ন’টি পুকুর ভরাটের লিখিত অভিযোগ থানায় করা হয়েছে। সেখানে পুকুর ভরাট করে প্লটিং হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে শহরে এত সংখ্যক পুকুর ভরাট হল অথচ স্থানীয় কাউন্সিলার, পুলিস-প্রশাসন কেউ কিছু জানতে পারল না? অনেকের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি না দিলে এই পদক্ষেপও হতো না।
জমি কারবারি চন্দন শর্মার উল্কার গতিতে উত্থানের কাহিনী অণ্ডালের কাজোড়ার বাসিন্দাদের মুখে মুখে ফেরে। অত্যন্ত সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে কয়েক বছরে জমি কারবার করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয় সে। তার বিরুদ্ধে সরকারি জমির রেকর্ড পরিবর্তন করিয়ে প্লটিং করে বিক্রি করে দেওয়া, এডিডিএর এনওসি না নিয়ে কাজ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রের খবর, আসানসোলের মহকুমা ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের পক্ষ থেকে পুরসভার কাছে একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ, আসানসোল উত্তর থানার পশালডিহা মৌজায় তিন একরের একটি বিশাল পুকুর ভরাট করে প্লটিং করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী গত ১৪আগস্ট পুরসভার ৫নম্বর বোরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রজিৎ কোনার ২৯জনের বিরুদ্ধে আসানসোল উত্তর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আগস্ট মাসে পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠলেও তা নিয়ে কোনও হেলদোল দেখা যায়নি। পুলিস-প্রশাসন বা পুরসভা তা নিয়ে আর উচ্চবাচ্য করেনি। কয়েকদিন আগে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিল্পাঞ্চলের নাম না নিলেও অনেক ক্ষেত্রেই যে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের তির এই অঞ্চলের দিকেই ছিল তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। অবশেষে চার মাস পর পুরসভার অভিযোগের ভিত্তিতে অন্যতম অভিযুক্ত তাপস নন্দীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তারপরই গ্রেপ্তার হয় শিল্পাঞ্চলের অন্যতম বড় প্রোমোটার চন্দন শর্মা। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের আদালতে তোলে পুলিস। দুই বড় জমি কারবারিকে জামিন করাতে আইনজীবীরা মরিয়া চেষ্টা চালান। তখনই পুলিসের পক্ষ থেকে সরকারি খাসজমির উপর থাকা পুকুর ভরাট করে ১৮টি নকল দলিল তৈরি কথা জানানো হয়।
সরকারি আইনজীবী মনোজ সিং বলেন, পুকুর ভরাটের বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে এর পিছনে। তখনই বিচারক এত বিশাল পুকুর ভরাট কী ভাবে হল, তা নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করে নজরদারির অভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন।
পুরসভার পক্ষ থেকে আগস্ট মাসে ন’টি পুকুর ভরাটের লিখিত অভিযোগ থানায় করা হয়েছে। সেখানে পুকুর ভরাট করে প্লটিং হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে শহরে এত সংখ্যক পুকুর ভরাট হল অথচ স্থানীয় কাউন্সিলার, পুলিস-প্রশাসন কেউ কিছু জানতে পারল না? অনেকের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি না দিলে এই পদক্ষেপও হতো না।
জমি কারবারি চন্দন শর্মার উল্কার গতিতে উত্থানের কাহিনী অণ্ডালের কাজোড়ার বাসিন্দাদের মুখে মুখে ফেরে। অত্যন্ত সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে কয়েক বছরে জমি কারবার করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হয় সে। তার বিরুদ্ধে সরকারি জমির রেকর্ড পরিবর্তন করিয়ে প্লটিং করে বিক্রি করে দেওয়া, এডিডিএর এনওসি না নিয়ে কাজ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।



