সংবাদদাতা, ইটাহার: পিকনিক সেরে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারল বাইক। দুর্ঘটনায় মৃত দাদা। আশঙ্কাজনক অবস্থা ভাইয়ের। বৃহস্পতিবার ভোরে পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহারের হাঁসুয়া সামঘাটা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়।
Advertisement
মৃত বাইক চালকের নাম বীরেশ্বর বর্মন (২৪)। বাড়ি বেকিডাঙায়। জখম বাইক আরোহী মিলন বর্মনের বাড়ি উজানিতে। নতুন বছরের প্রথমদিন, বুধবার সন্ধ্যায় বীরেশ্বর উজানিতে মামার বাড়ির কাছে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন। পিকনিক শেষে মামাতো ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বেকিডাঙার বাড়িতে ফিরছিলেন বীরেশ্বর।
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, রাত সাড়ে বারোটায় সমাজমাধ্যমে পিকনিকের ছবিও পোষ্ট করেন বীরেশ্বর। কিন্তু তারপরে কী হয়েছিল, কেউ জানেন না। ভোর পাঁচটায় হাঁসুয়া এলাকার কিছু বাসিন্দা প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে বীরেশ্বর ও মিলনকে রাস্তার ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশেই পড়ে ছিল একটি বাইক। স্থানীয়দের অনুমান, মধ্যরাতে বাইক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দীর্ঘক্ষণ সেই অবস্থাতেই রাস্তার ধারে পড়ে ছিলেন দু’জনে। তাঁদের মাথায় হেলমেট ছিল না, দাবি স্থানীয়দের। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনকে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বীরেশ্বরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মিলনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে প্রথমে রায়গঞ্জ এবং পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে রেফার করা হয়। বীরেশ্বরের দেহ ময়নাতদন্তের পর বৃহস্পতিবার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বীরেশ্বরের জামাইবাবু পলাশ বর্মন জানান, বছরের প্রথম দিনে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, রাত সাড়ে বারোটায় সমাজমাধ্যমে পিকনিকের ছবিও পোষ্ট করেন বীরেশ্বর। কিন্তু তারপরে কী হয়েছিল, কেউ জানেন না। ভোর পাঁচটায় হাঁসুয়া এলাকার কিছু বাসিন্দা প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে বীরেশ্বর ও মিলনকে রাস্তার ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশেই পড়ে ছিল একটি বাইক। স্থানীয়দের অনুমান, মধ্যরাতে বাইক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দীর্ঘক্ষণ সেই অবস্থাতেই রাস্তার ধারে পড়ে ছিলেন দু’জনে। তাঁদের মাথায় হেলমেট ছিল না, দাবি স্থানীয়দের। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনকে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বীরেশ্বরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মিলনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে প্রথমে রায়গঞ্জ এবং পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে রেফার করা হয়। বীরেশ্বরের দেহ ময়নাতদন্তের পর বৃহস্পতিবার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বীরেশ্বরের জামাইবাবু পলাশ বর্মন জানান, বছরের প্রথম দিনে এমন ঘটনা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



