সংবাদদাতা, রামপুরহাট ও সিউড়ি: বর্ষবরণ মানেই বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। সেই উচ্ছ্বাসে কখনও কখনও মিশে যায় নিয়ম ভাঙার প্রবণতাও। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখানো হয়, অন্যকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বর্ষবরণের রাতে মদ্যপান করে উচ্ছৃঙ্খলতা, রেপরোয়া বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চলাচল রুখতে কঠোর রামপুরহাট মহকুমার পুলিস। নিয়ম ভাঙলেই গুনতে হবে জরিমানার অর্থ, করতে হতে পারে হাজতবাসও। এ কথা পরিষ্কার জানিয়েছেন রামপুরহাটের এসডিপিও গোবিন্দ শিকদার। সেইমতো মঙ্গলবার বিকেল থেকে বিশেষ অভিযানে নেমেছে প্রতিটি থানার পুলিস।
Advertisement
বর্ষবরণ মানেই হই হুল্লোড়। পায়ে হেঁটে যেমন মানুষ ঘোরে, তেমনই শহরের রাস্তা বেপরোয়া গতিতে চলে বাইক, চারচাকা গাড়িও। নিয়ম ভেঙে, মদ্যপ অবস্থায় স্টিয়ারিং সামলান অনেকেই। যার জেরে গতির বলি হয় পথচলতি মানুষ। ফি বছর বর্ষবরণের রাতে ছবিটা এমনই থাকে। এবার কিন্তু সেই ছবি বদল করতে কড়া হয়েছে পুলিস। হেলমেট ছাড়া ও একটি বাইকে তিনজনকে চাপতে দেখলেই পুলিস বাইক আটকের পাশাপাশি কেস দেবে। সেই সঙ্গে মদ্যপ অবস্থায় কিংবা বেপরোয়া ড্রাইভিং দেখলে চালকের হাজতবাস পর্যন্ত হতে পারে। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতে ট্রাফিক আইন নিয়ে কড়া মনোভাব নিয়েছে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, জাতীয় সড়ক ও রাজ্য সড়কে আচমকা চেক করা হবে।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, শুধু রাস্তায় যানবাহনের দাপাদাপি নয়, এই সময় যত্রতত্র মদের আসর বসে। খবর পেলেই সেখানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করবে পুলিস। বিশেষ করে তারাপীঠে এই সময় হাজার হাজার পযর্টকের ভিড় জমেছে। ফি বছর দেখা গিয়েছে রাস্তার ধারে মদের আসর বসে। তারস্বরে বাজানো হয় বক্স। এবার পুলিস কড়া হাতে সেসব মোকাবিলা করবে।
পুলিস জানিয়েছে, দিন কয়েক আগেই মাইক ব্যবসায়ীদের পরিষ্কার বলা হয়েছে, ডিজে বক্স যেন ভাড়া না দেয়। ধরা পড়লে মেশিন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কেস দেওয়া হবে। এই মর্মে এদিন সিউড়ি শহরে পুলিসের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছে।
বর্ষবরণের আনন্দে আজ সিউড়ির তসরকাটা, তিলপাড়া ব্যারেজ, বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবন, নীলনির্জন, দুবরাজপুরের মামাভাগ্নে পাহাড়, তারাপীঠ, নলহাটির বৈধরা জলাধার ও শালবনে পিকনিক পার্টির ভিড় জমবে। প্রতিটি স্পটে ডিজে এবং মদ্যপদের বেয়াদপি রুখতে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। টহলদারি ভ্যান ঘনঘন ঢুঁ মারবে। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার সারারাত ধরেই নজরদারি থাকবে।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, শুধু রাস্তায় যানবাহনের দাপাদাপি নয়, এই সময় যত্রতত্র মদের আসর বসে। খবর পেলেই সেখানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করবে পুলিস। বিশেষ করে তারাপীঠে এই সময় হাজার হাজার পযর্টকের ভিড় জমেছে। ফি বছর দেখা গিয়েছে রাস্তার ধারে মদের আসর বসে। তারস্বরে বাজানো হয় বক্স। এবার পুলিস কড়া হাতে সেসব মোকাবিলা করবে।
পুলিস জানিয়েছে, দিন কয়েক আগেই মাইক ব্যবসায়ীদের পরিষ্কার বলা হয়েছে, ডিজে বক্স যেন ভাড়া না দেয়। ধরা পড়লে মেশিন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি কেস দেওয়া হবে। এই মর্মে এদিন সিউড়ি শহরে পুলিসের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছে।
বর্ষবরণের আনন্দে আজ সিউড়ির তসরকাটা, তিলপাড়া ব্যারেজ, বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবন, নীলনির্জন, দুবরাজপুরের মামাভাগ্নে পাহাড়, তারাপীঠ, নলহাটির বৈধরা জলাধার ও শালবনে পিকনিক পার্টির ভিড় জমবে। প্রতিটি স্পটে ডিজে এবং মদ্যপদের বেয়াদপি রুখতে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। টহলদারি ভ্যান ঘনঘন ঢুঁ মারবে। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গল ও বুধবার সারারাত ধরেই নজরদারি থাকবে।



