সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: হরিরামপুরের গৌড়দিঘি পিকনিক স্পটে ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের বিরুদ্ধে পুলিস সারাদিন টহল দিল। মদ পানের বিরুদ্ধেও অভিযান চলল। বনদপ্তরের ফরেস্টে পিকনিক নিষিদ্ধ হতেই বড়দিনের সকাল থেকে ভিড় বাড়ে গৌড়দিঘিতে। জেলা সহ প্রতিবেশী মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর জেলার পর্যটকরা ভিড় জমান বড়দিন উপলক্ষ্যে। গৌড়দিঘি পিকনিক স্পটে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে জেলা পুলিস। হরিরামপুর থানার আইসি অভিষেক তালুকদার পিকনিক স্পটে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজে সাউন্ড সিস্টেম বাজানো বন্ধ করে দেন। পিকনিক স্পটে যাতে কোনওভাবেই কেউ মদ খেয়ে বেলেল্লাপনা করতে না পারে, সেদিকেও কড়া নজর দেয় পুলিস। সবুজে ঘেরা গৌড়দিঘির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। পিকনিক করতে আসা মানুষ গৌড়দিঘিতে এসে মহাভারতের স্মৃতিবিজড়িত শমীবৃক্ষও দর্শন করেন।
Advertisement
হরিরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির দায়িত্বে থাকা গৌড়দিঘিতে পিকনিক করতে আসা পর্যটকদের কাছে ২৫০ টাকা করে ফি নিচ্ছে। পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে রয়েছে দুটি কটেজ। যা বুকিং করে পিকনিক করতে হয় এই মরশুমে। যদিও পিকনিক করতে আসা পর্যটকদের একাংশের অভিযোগ, পানীয় জল ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা নেই পিকনিক স্পটে।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, পিকনিক করার আদর্শ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। পিকনিকের জন্য পানীয় জল ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
এদিন গঙ্গারামপুরের বাণগড়ের পার্শবর্তী মাঠ ও গঙ্গারামপুরের কালদিঘি পার্কেও কটেজ বুক করে পিকনিকের আসর বসে। বহু পর্যটক কুশমণ্ডির মহিপাল আইরা ফরেস্টে পিকনিকের জন্য এলেও বনকর্মী ও পুলিসি নিরাপত্তা জোরদার থাকায় ফরেস্টে পিকনিক করতে পারেননি। অনেকে আইরা ফরেস্টের অদূরে পিকনিক করে বাড়ি ফেরেন। গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা তন্ময় সরকার বলেন, আশপাশে পিকনিকের জায়গা নেই। তাই আমরা বাণগড়ের পাশের মাঠে পিকনিক করছি। বাণগড়ের ভিতরে পিকনিক করা যায় না।
এদিকে গঙ্গারামপুরের কালদিঘি পার্কে পিকনিক হয় না। তার জন্য কটেজ বুক করতে হয়। কাছাকাছি আইরা ফরেস্টে পিকনিক নিষিদ্ধ করেছে। হরিরামপুর থানার আইসি অভিষেক তালুকদার বলেন, গৌড়দিঘি পিকনিক স্পটে আমরা বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আমরা তৎপর।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রেমচাঁদ নুনিয়া বলেন, পিকনিক করার আদর্শ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। পিকনিকের জন্য পানীয় জল ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
এদিন গঙ্গারামপুরের বাণগড়ের পার্শবর্তী মাঠ ও গঙ্গারামপুরের কালদিঘি পার্কেও কটেজ বুক করে পিকনিকের আসর বসে। বহু পর্যটক কুশমণ্ডির মহিপাল আইরা ফরেস্টে পিকনিকের জন্য এলেও বনকর্মী ও পুলিসি নিরাপত্তা জোরদার থাকায় ফরেস্টে পিকনিক করতে পারেননি। অনেকে আইরা ফরেস্টের অদূরে পিকনিক করে বাড়ি ফেরেন। গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা তন্ময় সরকার বলেন, আশপাশে পিকনিকের জায়গা নেই। তাই আমরা বাণগড়ের পাশের মাঠে পিকনিক করছি। বাণগড়ের ভিতরে পিকনিক করা যায় না।
এদিকে গঙ্গারামপুরের কালদিঘি পার্কে পিকনিক হয় না। তার জন্য কটেজ বুক করতে হয়। কাছাকাছি আইরা ফরেস্টে পিকনিক নিষিদ্ধ করেছে। হরিরামপুর থানার আইসি অভিষেক তালুকদার বলেন, গৌড়দিঘি পিকনিক স্পটে আমরা বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আমরা তৎপর।



