সংবাদদাতা, চাঁচল: একাধিকবার আন্দোলন ও বিক্ষোভ করেও পাকা রাস্তা পাননি মালদহের চাঁচল-১ ব্লকের মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামুয়ার বাসিন্দারা। অভিযোগ, ভোটের সময় নেতাদের কাছ থেকে ভুরি ভুরি প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন তাঁরা। ভোটপর্ব মিটে বছর ঘুরলেও পাকা রাস্তা না পেয়ে ফুঁসছেন এলাকা শতাধিক পরিবার। রাজাপুর সংযোগকারী বামুয়া থেকে কলিগ্রাম শীতলামারী পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিমি রাস্তা এখনও লাল ইটের। কোথাও আবার রাস্তার ধারের অংশ ধসে চাষের জমিতে পড়ছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে টুকরো ইট। এমন খানাখন্দে ভরা রাস্তা চাঁচল এলাকায় এখন দেখা যায় না বলে দাবি এলাকাবাসীর। এদিকে বেহাল রাস্তার জেরে রাতে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
গৃহবধূ প্রমীলা দাসের কথায়, সারা বছর আমাদের এই রাস্তা দিয়ে যেতে ভোগান্তি হয়। কেউ অসুস্থ হলে গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে না। দীর্ঘপথ হেঁটে সড়কে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে চাপাতে হয় রোগীদের। গর্ভবতীরাও ভীষণ অসুবিধায় পড়েন।
দীপ্তি দাসের অভিযোগ, রাস্তায় জলকাদা পেরিয়ে গত বর্ষায় ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারেনি। একাধিকবার আন্দোলন করেছি। পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের সময় প্রচারে এসে নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু একবিন্দু কাজ হয়নি। এপ্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার এলাকায় অনেক পাকা রাস্তা করেছে। দ্রুত যাতে বামুয়ার বাসিন্দারা পাকা রাস্তা পান, আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।
দীপ্তি দাসের অভিযোগ, রাস্তায় জলকাদা পেরিয়ে গত বর্ষায় ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারেনি। একাধিকবার আন্দোলন করেছি। পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের সময় প্রচারে এসে নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু একবিন্দু কাজ হয়নি। এপ্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার এলাকায় অনেক পাকা রাস্তা করেছে। দ্রুত যাতে বামুয়ার বাসিন্দারা পাকা রাস্তা পান, আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।



