সংবাদদাতা, পতিরাম: ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার পথে ফাঁকা রাস্তায় দম্পতিকে দাঁড় করিয়ে বধূর শ্লীলতাহানির চেষ্টা। শাড়ির আঁচল ধরে টানাটানি। প্রতিবাদ করায় স্বামীকে বেধড়ক মারধর করল দুষ্কৃতীরা। পরে পিছু নিয়ে বাড়ি অব্ধি পৌঁছেও যায় তারা।
Advertisement
ওই বধূর স্বামীকে বাড়ি থেকে বের করে ফের মারধর করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় রক্তাক্ত ও জখম অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পতিরাম থানার বড়কইল গ্রামে। এনিয়ে রবিবার রাতে ওই বধূ পতিরাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা বধূ বলেন, প্যান্ডেল ঘুরে কালীপুজোর অনুষ্ঠান দেখে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। তখন রাত প্রায় ১১টা। হঠাত্ই কিছু যুবক আমাদের পথ আটকায়। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা কথা বলে। আমার শাড়ি ধরে টানাটানি শুরু করতেই আমরা স্বামী প্রতিবাদ করেন। আমিও প্রতিবাদ করি। কিন্তু ওরা আমার স্বামীকে চর থাপ্পর মারে। মারতে উদ্যত হয়। আমরা কোনওরকমে পালিয়ে বাড়ি চলে আসি। ওরা আমাদের পিছু নিয়ে বাড়ি ওবধি পৌঁছে যায়।
রাতে আমার স্বামী বাড়ি থেকে শৌচকর্ম করতে বেরোলে ওরা রীতিমতো বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর করে। আমি বাঁচাতে গেলে আমার চুলের মুঠি ধরে মারে। লাতাগার আমাদের মারধর করে। আমরা চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এসে আমাদের বাঁচান। স্বামীকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করি। স্বামীর মাথায় পাঁচটি সেলাই পড়েছে।
ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মারধর করার পর আবার মনে ভয় ধরে যায় ওই দুস্কৃতীদের। ভয় পেয়ে তারা এলাকা থেকে চম্পট দেয়।
অভিযোগ পেয়েই পতিরাম থানার পুলিস ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। পুলিস জানিয়েছে, চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক। খোঁজ চলছে।
অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা বধূ বলেন, প্যান্ডেল ঘুরে কালীপুজোর অনুষ্ঠান দেখে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম। তখন রাত প্রায় ১১টা। হঠাত্ই কিছু যুবক আমাদের পথ আটকায়। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা কথা বলে। আমার শাড়ি ধরে টানাটানি শুরু করতেই আমরা স্বামী প্রতিবাদ করেন। আমিও প্রতিবাদ করি। কিন্তু ওরা আমার স্বামীকে চর থাপ্পর মারে। মারতে উদ্যত হয়। আমরা কোনওরকমে পালিয়ে বাড়ি চলে আসি। ওরা আমাদের পিছু নিয়ে বাড়ি ওবধি পৌঁছে যায়।
রাতে আমার স্বামী বাড়ি থেকে শৌচকর্ম করতে বেরোলে ওরা রীতিমতো বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর করে। আমি বাঁচাতে গেলে আমার চুলের মুঠি ধরে মারে। লাতাগার আমাদের মারধর করে। আমরা চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এসে আমাদের বাঁচান। স্বামীকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করি। স্বামীর মাথায় পাঁচটি সেলাই পড়েছে।
ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মারধর করার পর আবার মনে ভয় ধরে যায় ওই দুস্কৃতীদের। ভয় পেয়ে তারা এলাকা থেকে চম্পট দেয়।
অভিযোগ পেয়েই পতিরাম থানার পুলিস ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে। পুলিস জানিয়েছে, চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক। খোঁজ চলছে।



