রাহুল চক্রবর্তী, কলকাতা: ভারত স্বাধীন হয়েছে ১৯৪৭ সালে। আর কলকাতার নাকতলা এলাকার পিন কোড হল ৭০০০৪৭। কাকতলীয় হলেও ‘৪৭’ সংখ্যাটাই পূর্ববঙ্গের সঙ্গে নাকতলার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের নাম রেখেছে ‘হৃদয়পুর’। বাস্তবের মাটির সেই কাহিনি এবার সিনেমার পর্দায়। যার চিত্রায়ণ হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হল, কোনও পুজো কমিটির উপস্থাপনায় তৈরি একটি ছবি এই প্রথমবার ‘বাংলার মাটিতে বিশ্বের ছবি’র আয়োজনে জায়গা করে নিয়েছে।
Advertisement
পুজোর আঙ্গিকে নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ গল্প বলছে, আমার পাড়ায়, আমার পুজোয়, আমার অনুভূতির কথা। যেখানে নাকতলা এলাকার কোনও বাসিন্দা আজও স্মৃতি হাতড়াচ্ছেন বরিশাল, ফরিদপুর, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কিংবা যশোর...। কেউ হয়ত ওপার বাংলা থেকে এসেছেন এই নাকতলায়। আবার কারও জন্ম নাকতলায় হলেও বাবা-ঠাকুরদার কাছ থেকে শুনেছেন পূর্ববঙ্গের ভিটেমাটির কথা।
লাল-সবুজ রঙের সেই ঠাকুরদালানের দুর্গাপুজো, জামদানি শাড়ি, রুপোর সিঁদুরের কৌটো, পানের ডিবে, হ্যারিকেন— স্মৃতি রোমন্থনের সুবিশাল তালিকা। দেশভাগের যন্ত্রণাকে বুকে আগলে যাঁরা ওপার থেকে এপারে চলে এসেছিলেন, তাঁদের পুরনো সেই দিনের কথা ভোলবার নয়। সেই সূত্রটাই গত তিন বছর ধরে পুজাঙ্গনে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছে নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ। ২০২১ সালে তারা দেখিয়েছিল ‘চলচ্চিত্র’। দেশ ভাগ, উদ্বাস্তু, ওপার থেকে বাক্স নিয়ে চলে আসার কাহিনি। ২০২২ সালে তাদের উপস্থাপনা ‘মোটা কাপড়’। রুটি রুজির সন্ধান, সংসার চালানোর দায়-দায়িত্ব। তারপর তাদের নিবেদন ‘হৃদয়পুর’। যার প্রেক্ষাপট ছিল, কলকাতায় বসবাস করলেও পুরনো দিনের কথা সবটাই এখনও থেকে গিয়েছে হৃদয়ের মণিকোঠায়। সেই স্মৃতিটাকেই আরেকবার নাড়া দিয়েছে বড় পর্দায়। তৈরি হয়েছে সিনেমা ‘হৃদয়পুর’। ২৯ মিনিটের ডকুমেন্টারি মুভি। ছবির পরিচালক প্রদীপ দাস, অভিরূপ হালদার। প্রদীপের কথায়, ‘কোনও পুজো কমিটি প্রযোজিত একটি ছবি বড় পর্দায় স্থান পেয়েছে, তা প্রথমবার। কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার সিনেমার পর্দায় পুজোর গোটা পর্বের আয়োজন চিত্রিত হয়েছে। যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে। আমাদের কাছেও তা নস্টালজিক!’ নাকতলার প্রসেনজিৎ দাস, সন্দীপ দাশগুপ্তরা গর্বিত বোধ করছেন, তাঁদের এলাকা উঠে আসছে ছবিতে বলে।
৯ ডিসেম্বর নন্দনে দেখানো হবে হৃদয়পুর। তার আগে শনিবার শিশির মঞ্চেও দেখানো হবে। এই ছবি দর্শকদের সেরা আকর্ষণ তৈরি করবে বলে প্রত্যয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা থেকে পুজো উদ্যোক্তারা।
লাল-সবুজ রঙের সেই ঠাকুরদালানের দুর্গাপুজো, জামদানি শাড়ি, রুপোর সিঁদুরের কৌটো, পানের ডিবে, হ্যারিকেন— স্মৃতি রোমন্থনের সুবিশাল তালিকা। দেশভাগের যন্ত্রণাকে বুকে আগলে যাঁরা ওপার থেকে এপারে চলে এসেছিলেন, তাঁদের পুরনো সেই দিনের কথা ভোলবার নয়। সেই সূত্রটাই গত তিন বছর ধরে পুজাঙ্গনে পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছে নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ। ২০২১ সালে তারা দেখিয়েছিল ‘চলচ্চিত্র’। দেশ ভাগ, উদ্বাস্তু, ওপার থেকে বাক্স নিয়ে চলে আসার কাহিনি। ২০২২ সালে তাদের উপস্থাপনা ‘মোটা কাপড়’। রুটি রুজির সন্ধান, সংসার চালানোর দায়-দায়িত্ব। তারপর তাদের নিবেদন ‘হৃদয়পুর’। যার প্রেক্ষাপট ছিল, কলকাতায় বসবাস করলেও পুরনো দিনের কথা সবটাই এখনও থেকে গিয়েছে হৃদয়ের মণিকোঠায়। সেই স্মৃতিটাকেই আরেকবার নাড়া দিয়েছে বড় পর্দায়। তৈরি হয়েছে সিনেমা ‘হৃদয়পুর’। ২৯ মিনিটের ডকুমেন্টারি মুভি। ছবির পরিচালক প্রদীপ দাস, অভিরূপ হালদার। প্রদীপের কথায়, ‘কোনও পুজো কমিটি প্রযোজিত একটি ছবি বড় পর্দায় স্থান পেয়েছে, তা প্রথমবার। কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার সিনেমার পর্দায় পুজোর গোটা পর্বের আয়োজন চিত্রিত হয়েছে। যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে। আমাদের কাছেও তা নস্টালজিক!’ নাকতলার প্রসেনজিৎ দাস, সন্দীপ দাশগুপ্তরা গর্বিত বোধ করছেন, তাঁদের এলাকা উঠে আসছে ছবিতে বলে।
৯ ডিসেম্বর নন্দনে দেখানো হবে হৃদয়পুর। তার আগে শনিবার শিশির মঞ্চেও দেখানো হবে। এই ছবি দর্শকদের সেরা আকর্ষণ তৈরি করবে বলে প্রত্যয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা থেকে পুজো উদ্যোক্তারা।



