অগ্নিভ ভৌমিক, কৃষ্ণনগর: পঞ্চায়েত এলাকায় পাইপ লাইন পাতার কাজে কেন এত বাধা? উত্তর খুঁজতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর (পিএইচই)-এর ময়নাতদন্তে। তাতে জানা গিয়েছে, দরপত্র আহ্বান থেকে শুরু করে ঠিকাদারের কাজ পাওয়া—কোনও ক্ষেত্রেই পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের পকেটে ঢোকে না ‘বখরা’ বা কাটমানি। সেই গোঁসার প্রভাব পড়ছে পাইপ লাইন বসানোর কাজে। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে অকারণ বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। অনেকক্ষেত্রে মানুষকে ভুলভাল বুঝিয়ে কাজ আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। স্বাভাবিকভাবেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় জলপ্রকল্পের কাজ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না। এমনই অভিযোগ উঠে আসছে পিএইচই’র অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্টে।
Advertisement
শুধু অভিযোগ তুলেই থেমে থাকেনি রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে নবান্নে। সেই সঙ্গে ‘দাপুটে’ জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী মিলিয়ে একশোজনের নামের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। যাঁদের গোঁসার কারণে পাইপ লাইন বসানোর কাজ প্রতিমুহূর্তে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনটাই দপ্তর সূত্রে খবর। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বাজার গরম করতে আসরে নেমেছে বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুমিত বিশ্বাস বলেন, ‘তৃণমূল নেতাদের কাছে এটা প্রত্যাশিত। সরকারের উচিত, যাঁরা জনহিতকর কাজে বাধা দিচ্ছেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।’ বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, ‘যে কোনও কাজ থেকে টাকা তোলা তৃণমূলের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ যদিও কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে। সরকারি কাজে কেউ বাধা দিলে রেয়াত করা হবে না। প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
সবার বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল—কর্মসূচিতে জেলার পঞ্চায়েত এলাকায় পাইপ লাইন বসানোর কাজ করছে পিএইচই। এই কাজে পঞ্চায়েত অফিসের ভূমিকা প্রায় নেই বললেই চলে। টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু ঠিকাদার নির্বাচন, সবটাই সরাসরি করে থাকে দপ্তর। এদিকে, পঞ্চায়েত অফিস নিয়ন্ত্রিত কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হলে সেখানে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়াটা দস্তুর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমনই অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যে যে যখন ক্ষমতাসীন থাকে, সেই দলের জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু, পিএইচই’র কাজে তাঁদের কোনওভাবে নাক গলানোর সুযোগ থাকে না। ফলে, ‘বখরা’ও আসে না। তখনই ক্ষোভ আছড়ে পড়ে পিএইচই নিযুক্ত ঠিকাদারদের উপর। পাইপলাইন বসাতে গেলে আপত্তি তোলা হচ্ছে। বাধা দেওয়া হচ্ছে। কখনও দেখা যায়, বিক্ষোভ করছেন গ্রামবাসীরা। পিএইচই’র তদন্তে উঠে আসছে, এইসব বিক্ষোভের পিছনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উস্কানি রয়েছে। আবার কখনও দেখা যায়, জমি সংক্রান্ত অহেতুক বিবাদ বাঁধিয়ে ফাঁপরে ফেলে দিচ্ছে দপ্তরকে। তাতে জল সংযোগের কাজ গতি হারিয়েছে জেলায়। আটকে যাচ্ছে ওভারহেড নির্মাণের কাজও। স্থানীয় নেতাদের ‘অন্যায় আবদার’ মেনে নেওয়া হয়নি বলে এমন ঘোরতর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পিএইচইকে। এদিকে, পাইপ লাইন থেকে জলচুরি নিয়ে জেলার ১৪টি থানায় প্রায় দু’ হাজার অভিযোগ দায়ের করেছে পিএইচই।
সবার বাড়িতে পরিস্রুত পানীয় জল—কর্মসূচিতে জেলার পঞ্চায়েত এলাকায় পাইপ লাইন বসানোর কাজ করছে পিএইচই। এই কাজে পঞ্চায়েত অফিসের ভূমিকা প্রায় নেই বললেই চলে। টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু ঠিকাদার নির্বাচন, সবটাই সরাসরি করে থাকে দপ্তর। এদিকে, পঞ্চায়েত অফিস নিয়ন্ত্রিত কোনও উন্নয়নমূলক কাজ হলে সেখানে ঠিকাদারদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়াটা দস্তুর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমনই অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যে যে যখন ক্ষমতাসীন থাকে, সেই দলের জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু, পিএইচই’র কাজে তাঁদের কোনওভাবে নাক গলানোর সুযোগ থাকে না। ফলে, ‘বখরা’ও আসে না। তখনই ক্ষোভ আছড়ে পড়ে পিএইচই নিযুক্ত ঠিকাদারদের উপর। পাইপলাইন বসাতে গেলে আপত্তি তোলা হচ্ছে। বাধা দেওয়া হচ্ছে। কখনও দেখা যায়, বিক্ষোভ করছেন গ্রামবাসীরা। পিএইচই’র তদন্তে উঠে আসছে, এইসব বিক্ষোভের পিছনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উস্কানি রয়েছে। আবার কখনও দেখা যায়, জমি সংক্রান্ত অহেতুক বিবাদ বাঁধিয়ে ফাঁপরে ফেলে দিচ্ছে দপ্তরকে। তাতে জল সংযোগের কাজ গতি হারিয়েছে জেলায়। আটকে যাচ্ছে ওভারহেড নির্মাণের কাজও। স্থানীয় নেতাদের ‘অন্যায় আবদার’ মেনে নেওয়া হয়নি বলে এমন ঘোরতর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পিএইচইকে। এদিকে, পাইপ লাইন থেকে জলচুরি নিয়ে জেলার ১৪টি থানায় প্রায় দু’ হাজার অভিযোগ দায়ের করেছে পিএইচই।



