সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা পুরসভা শহরে পানীয় জলের পাইপ লাইন সম্প্রসারণের জন্য পিএইচই’কে ২০ লক্ষ টাকা দিলেও কোনও কাজ করেনি বলে অভিযোগ। পুরসভার দাবি, কাজ না করে পিএইচই ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট বা ইউসি দিয়েছে। এনিয়ে দফায় দফায় পিএইচই’কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও সদুত্তর তারা দিতে পারেনি। ২০২১ সালে দেওয়া সেই টাকা নিয়ে রীতিমতো অডিট রির্পোটেও অভিযোগ করেছে পুরসভা।
Advertisement
যদিও মাথাভাঙা পিএইচই অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরে রির্জাভার ও রির্জাভারের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ করা হয়েছে। তার ইউসি দেওয়া হয়েছে। পিএইচই’র কোচবিহার ডিভিশনে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা অফিসাররা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের বিষয়। নথিপত্র না দেখে কিছু বলা যাবে না।
মাথাভাঙা পুরসভার দাবি, শহর এলাকায় পানীয় জল সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পিএইচই’কে অনুরোধ করা হয়েছিল। তারপর ওদের দাবি মেনে ২০ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছিল। যে সমস্ত এলাকায় পানীয় জলের পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কথা জানানো হয়েছিল সেখানে কোথাও কাজ হয়নি। আচমকা পিএইচই ইউসি ধরিয়ে দেয় তাদের। তারপর থেকে কয়েক দফায় এনিয়ে পিএইচই’কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোনও উত্তর দিচ্ছে না। এনিয়ে অডিট রিপোর্টেও উল্লেখ রাখা হয়েছে। বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটাও পিএইচই’কে জানানো হয়েছে। চার বছর হয়ে গেলেও এনিয়ে কোনও হেলদোল নেই পিএইচই’র।
এ ব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমরা অবাক হয়ে গিয়েছি পিএইচই’র এ ধরনের ভূমিকায়। চার বছর আগে আমরা ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম পানীয় জলের পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কাজে। ওরা কোনও কাজ না করেই পুরসভায় ইউসি জমা করে। আমরা ওদের জানিয়েছিলাম, কাজ করুন অথবা আমাদের টাকা ফিরিয়ে দিন। এখনও পর্যন্ত ওরা উত্তর দেয়নি।
পিএইচই’র মাথাভাঙার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ঋষিন ঘোষ বলেন, বিষয়টি আমার পুরো জানা নেই। তবে পুরসভা এলাকার একটি রির্জাভার ও সেটির বাউন্ডারির কাজ আমরা করেছিলাম। তার ইউসি দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে অন্য কী বিষয় আছে, সেটা ডিভিশন অফিসই বলতে পারবে।
পিএইচই’র কোচবিহার ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ধর বলেন, কাজ না করে ইউসি দেওয়া হতেই পারে না। তবুও আমাকে সবটা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
মাথাভাঙা পুরসভার দাবি, শহর এলাকায় পানীয় জল সর্বত্র পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পিএইচই’কে অনুরোধ করা হয়েছিল। তারপর ওদের দাবি মেনে ২০ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছিল। যে সমস্ত এলাকায় পানীয় জলের পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কথা জানানো হয়েছিল সেখানে কোথাও কাজ হয়নি। আচমকা পিএইচই ইউসি ধরিয়ে দেয় তাদের। তারপর থেকে কয়েক দফায় এনিয়ে পিএইচই’কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোনও উত্তর দিচ্ছে না। এনিয়ে অডিট রিপোর্টেও উল্লেখ রাখা হয়েছে। বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সেটাও পিএইচই’কে জানানো হয়েছে। চার বছর হয়ে গেলেও এনিয়ে কোনও হেলদোল নেই পিএইচই’র।
এ ব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমরা অবাক হয়ে গিয়েছি পিএইচই’র এ ধরনের ভূমিকায়। চার বছর আগে আমরা ২০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম পানীয় জলের পাইপ লাইন সম্প্রসারণের কাজে। ওরা কোনও কাজ না করেই পুরসভায় ইউসি জমা করে। আমরা ওদের জানিয়েছিলাম, কাজ করুন অথবা আমাদের টাকা ফিরিয়ে দিন। এখনও পর্যন্ত ওরা উত্তর দেয়নি।
পিএইচই’র মাথাভাঙার এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ঋষিন ঘোষ বলেন, বিষয়টি আমার পুরো জানা নেই। তবে পুরসভা এলাকার একটি রির্জাভার ও সেটির বাউন্ডারির কাজ আমরা করেছিলাম। তার ইউসি দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে অন্য কী বিষয় আছে, সেটা ডিভিশন অফিসই বলতে পারবে।
পিএইচই’র কোচবিহার ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ধর বলেন, কাজ না করে ইউসি দেওয়া হতেই পারে না। তবুও আমাকে সবটা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।



