Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

টুকরো খবর

টুকরো  খবর
  • ৩১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের মেগা লাকি ড্র

Advertisement

• গত ২২ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্সের ত্রিপুরার তিনটি শাখা শোরুম ও ১৫ এপ্রিল থেকে ৩ মে অবধি কলকাতার তিনটি শাখা শোরুমে উদযাপিত হয়েছে  অক্ষয় তৃতীয়া উৎসব। এই বিশেষ অফারে গ্রাহকরা প্রত্যেক কেনাকাটার সঙ্গে যে কুপন পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে থেকেই কলকাতায় ২৫ মে লাকি ড্র-এর মাধ্যমে মেগা ড্র-এর বিজয়ীদের বেছে নেওয়া হয়। সেই উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট ক্রিকেটার সম্বরণ ব্যানার্জি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন সংস্থার ডিরেক্টর অর্পিতা ও রূপক সাহা। তাঁরাই গ্রাহকদের জন্য মেগা লাকি ড্র-এর পুরস্কার ৩টি স্কুটি-র লাকি ড্র কুপনগুলি বেছে নেন। বিজয়ী গ্রাহকরা হলেন, ১) নমিতা দাস ২) ⁠খোকন দেব ৩) ⁠নবনীতা মিত্র। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর রূপক সাহা বলেন ‘এই বছরের ‘শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উৎসব’ সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আমাদের গ্রাহক ও রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ।’ সংস্থার আরেক ডিরেক্টর অর্পিতা সাহা বলেন, ‘অক্ষয় তৃতীয়া খুবই শুভ তিথি। তাই শুভ সময়ে সোনা কিনে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করতে আমরা চাই। এবছর অক্ষয় তৃতীয়ায় হিরে ও সোনার নতুন নতুন কালেকশনে আমাদের প্রত্যেক শোরুম সেজে উঠেছিল। গ্রাহকরা পাশে থাকায় সাজ আরও উজ্জল হয়ে উঠেছিল।’ 
মালাবার গ্রুপ-এর 
সিএসআর বরাদ্দ বাড়ল
• মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের মূল কোম্পানি মালাবার গ্রুপ তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব (সিএসআর) বিভাগে বিশেষ জোর দিল। চলতি অর্থবর্ষে এই বিভাগে নানা উদ্যোগবৃদ্ধিতে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাক্ষেত্র, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দরিদ্রদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্পে তাদের সিএসআর উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করল এই সংস্থা। ‘দ্য হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড’-এর আওতায়, গ্রুপটি ভারত এবং জাম্বিয়ায় প্রতিদিন ৭০,০০০ জন দুঃস্থ ও ক্ষুধার্তদের মধ্যে খাবার বিতরণের দায়িত্ব নিয়েছে। সংস্থার দাবি, এই অর্থবর্ষে মোট ২.৫০ কোটি খাবার পরিবেশিত হবে। এই উদ্যোগটি ইউনাইটেড নেশানস-এর ‘জিরো হাঙ্গার’ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ২৮ মে, বিশ্ব ক্ষুধা দিবসে, ২৭০৪ জনকে খাবার পরিবেশনের লক্ষ্য নিয়ে কাঁকুরগাছি শোরুমে এই অভিযানের সূচনা করে মালাবার গ্রুপ। রন্ধনবিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যবিধি সচেতন কর্মীরা রয়েছেন রান্না ও পরিবেশনের দায়িত্বে। এই বিষয়ে মালাবার গ্রুপের চেয়ারম্যান এম পি আহমেদ জানিয়েছেন, ‘সিএসআর আমাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের সিএসআর উদ্যোগগুলি সেই স্থায়ী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুসারে, বিশ্বজুড়ে ২৯.৫ কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখোমুখি হওয়ায়, জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’ 
‘বৌমাষষ্ঠী’ আয়োজনে শ্রীনিকেতন
• দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে জনপ্রিয় বস্ত্রবিপণি শ্রীনিকেতন আয়োজন করছে মজার গেম শো ‘বৌমাষষ্ঠী’। সব পরিবারে যেমন শাশুড়ি ও জামাইয়ের আলাদা স্নেহের সমীকরণ থাকে, ঠিক তেমনই ঘরে ঘরে বউমারা যাতে মেয়ে ও শ্বশুররা বাবা হয়ে উঠতে পারেন সেই উদ্দেশ্য নিয়েই শুরু হয় এই গেম শো। সম্প্রতি লেক টাউনের কাছে ডিভিনিটি ব্যাঙ্কোয়েট হল-এ পালিত হল এই ‘বৌমাষষ্ঠী’। অংশ নিলেন ১১২ জোড়া বউমা-শ্বশুর। বউমাদের কপালে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে, আশীর্বাদী ধান-দুব্বো ছুঁইয়ে, পাখার বাতাস করে বরণ করে নেন শ্বশুররা। এরপর নানা মজাদার খেলার মাধ্যমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে বেছে নিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হল পুরস্কার। সেরা সাজের বউমা ও সেরা সহাস্যময় শ্বশুরের জন্যও ছিল পুরস্কার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কর্ণধার নিত্যানন্দ আইচ। সঞ্চালনা করেন মৈত্রেয়ী বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারক ছিলেন জি বাংলার অভিনেতা-অভিনেত্রী উদয়প্রতাপ সিং ও ঈশানী চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানটির রূপকার তরুণকান্তি বারিক জানান, ‘আমাদের স্বপ্ন একদনে ঘরে ঘরে ‘বৌমাষষ্ঠী’ পালন করা হবে। তারিখটা ঠাঁই পাবে পঞ্জিকা ও ক্যালেন্ডারে।
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে 
অনন্ত-র অধিবেশন
• ‘দ্য কমন থ্রেড— টুগেদার ফর টুমরো’স ওয়েলনেস’। সহজ করে বললে আগামী দিন সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর করার পাঠ। সম্প্রতি এই শিরোনামে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এক অধিবেশন আয়োজন করল অনন্ত— পাওয়ার অব মাইন্ড। মানসিক ও আবেগজাত স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনায় সমৃদ্ধ হয় এই অধিবেশন। বিশেষ ছাপ রাখেন একা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান যুবরাজ কাপাডিয়া। দুই বিশেষজ্ঞ সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট মাধুরী সারদা এবং বিধি বনসাল ‘অনন্ত’-র প্রতিষ্ঠাতা। তাঁদের মতে, ‘আমাদের লক্ষ্য এই মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রটি সহজলভ্য ও আরও মজবুত করে তোলা। তাই অনন্ত-র তরফে এই ধরনের পরিষেবাই দেওয়া হয়।’ উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ও লেখক দিব্যা দত্ত।
নির্যাতিতাদের কথায় জীবিকা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি 
• জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতা তাঁরা চেখেছেন। সামাজিক অভিশাপের দিকে তাঁদের ঠেলে দিয়েছে হয়তো তাঁদেরই বাড়ির লোক বা পরিজনরা। ছোট থেকে নানা শারীরিক নির্যাতন, যৌন হিংসা ও বাল্যবিবাহের জাঁতাকলে পড়ে তারা একসময় হারাতে বসেছিল তাদের শৈশব ও কিশোরবেলা। ফলে তাঁদের মানসিক গঠনেও সমস্যা দেখা যায়। থেকে যায় নানা ট্রমা। এবার এই মেয়েরাই শোনালেন তাঁদের জীবনযন্ত্রণার কাহিনি। কীভাবে সমস্যাসঙ্কুল পরিবেশ থেকে তাঁরা সমাজের মূলস্রোতে ফিরে স্বনির্ভর হলেন সেই সত্যই  উঠে এল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জীবিকা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে। সম্প্রতি বালিগঞ্জে ‘একটি মেয়ের পরিবর্তনের কাহিনী’— শীর্ষক এক আলোচনাসভার আয়োজন করে এই সংস্থা। কর্মশালা উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন তুলিকা দাস। উপস্থিত ছিলেন আমেরিকান জিউইস ওয়ার্ল্ড সার্ভিস-এর নেত্রী রমা বেদুলা, জীবিকার প্রতিষ্ঠাতা ও পরামর্শদাতা রাজা মেনন, প্রাক্তন সিডব্লিউসি চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজকর্মী রহিমা খাতুন। এই প্রসঙ্গে জীবিকা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নির্দেশক ডালিয়া রায় বলেন, ‘সমাজে বৈষম্যের শিকার হওয়া নারী ও শিশুদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের জন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই নানা কর্মসূচি নিচ্ছেন। নারীদের ক্ষমতায়ন ও অধিকার রক্ষায় সারা পৃথিবী জুড়ে যে আন্দোলন চলছে, সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে সমানাধিকারের সমাজ গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ