সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকদের হাতযশে প্রাণ বাঁচল এক কিশোরীর। সফল অস্ত্রোপচার করে ফুসফুস থেকে বের করা হল প্রায় দেড় ইঞ্চির একটি পিন। জলপাইগুড়ির প্রসন্ন নগরের স্নেহা আফরোজ মুখে হিজাবের একটি পিন রেখেছিল। অসাবধানতায় সেটি গলা দিয়ে ফুসফুসে চলে যায়। গত সোমবার এই ঘটনার পর কিশোরীকে অভিভাবকরা জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে স্নেহাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
Advertisement
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের প্রধান ডাঃ রাধেশ্যাম মাহাত বলেন, গত মঙ্গলবার ১৬ বছরের স্নেহা আমাদের এখানে ভর্তি হয়। পরীক্ষা করে দেখা যায়, ডানদিকের ফুসফুসে পিনটি আটকে রয়েছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। বুধবার ব্রঙ্কোস্কপি করে সেই পিনটি বের করে আনা হয়েছে। স্নেহা আফরোজ এখন স্থিতিশীল। তাকে রিকভারি ওয়ার্ডে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এই সফল অস্ত্রোপচারের ডাঃ রাধেশ্যাম মাহাতর সঙ্গে ছিলেন ডাঃ সৌমিক দাস, ডাঃ মনদীপ সরকার, ডাঃ সৌমেন্দু ভৌমিক, ডাঃ অমিতাভ সরকার ও তারাপদ পাল। অ্যানাস্থেসিয়ায় ছিলেন ডাঃ সুব্রত মণ্ডল এবং ডাঃ শান্তনু ঘোষ।
এর আগে ডুয়ার্সের চামুর্চির ন’বছরের এক শিশুর ফুসফুসে পুতুলের সঙ্গে থাকা বাঁশি আটকে গিয়েছিল। সেরকম শিশুর গলায় আটকে যাওয়া মাংসের হাড়, পাহাড়ের ঝর্নার জল থেকে গলায় আটকে থাকা জোঁক, মুড়ি খেতে গিয়ে ফুসফুসে আটকে যাওয়া কাঠি নিয়ে একাধিক রোগী এসেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারে সফল হয়েছেন এখানকার চিকিৎসকরা। তাঁদের হাতযশে সকলের প্রাণ বেঁচেছে।
এই সফল অস্ত্রোপচারের ডাঃ রাধেশ্যাম মাহাতর সঙ্গে ছিলেন ডাঃ সৌমিক দাস, ডাঃ মনদীপ সরকার, ডাঃ সৌমেন্দু ভৌমিক, ডাঃ অমিতাভ সরকার ও তারাপদ পাল। অ্যানাস্থেসিয়ায় ছিলেন ডাঃ সুব্রত মণ্ডল এবং ডাঃ শান্তনু ঘোষ।
এর আগে ডুয়ার্সের চামুর্চির ন’বছরের এক শিশুর ফুসফুসে পুতুলের সঙ্গে থাকা বাঁশি আটকে গিয়েছিল। সেরকম শিশুর গলায় আটকে যাওয়া মাংসের হাড়, পাহাড়ের ঝর্নার জল থেকে গলায় আটকে থাকা জোঁক, মুড়ি খেতে গিয়ে ফুসফুসে আটকে যাওয়া কাঠি নিয়ে একাধিক রোগী এসেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারে সফল হয়েছেন এখানকার চিকিৎসকরা। তাঁদের হাতযশে সকলের প্রাণ বেঁচেছে।



