সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের যুবকের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি এক বিবাহিত মহিলাকে ফের বিয়ে করলে বাড়িতে অশান্তি বাধে। তার জেরে নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ স্ট্রিমিং করে আত্মহত্যা করলেন রামপুরহাটের এক যুবক। পুলিস জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম গোকুল গড়াই ওরফে মিঠুন (২৯)। বাড়ি রামপুরহাটের চাঁদমারি মাঠপাড়া। ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
Advertisement
দরজা তিনি খুলেই রেখেছিলেন। ভিতরে বাজছিল তারস্বরে হোম থিয়েটার। কাজ থেকে ফিরে এভাবেই গান শোনা নেশা ছিল মিঠুনের। এরই মধ্যে রবিবার বিকেলে সাড়ে চারটে নাগাদ কাঁদতে কাঁদতে ফেসবুক লাইভ করেন মিঠুন। সেই সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়ানো জড়ানো ছিল তাঁর। ৩৮ সেকেন্ড ধরে সে আত্মহত্যার লাইভ স্ট্রিমিং করে। মিঠুনের ফেসবুক লাইভ তাঁর বন্ধুদের নজরে এলে তড়িঘড়ি তাঁর বাড়ি পৌঁছয়। ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে মিঠুনের। পরে খবর পেয়ে পুলিস এসে দেহটি নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যালে পাঠায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে পেশায় চারচাকা গাড়ির চালক গোকুলের সঙ্গে মল্লারপুরের মজুরহাটি গ্রামের এক যুবতীর বিয়ে হয়। বর্তমানে তাঁর পাঁচ ও এক বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। তারপরও বছর দেড়েক ধরে তারাপীঠের আর্জুনি গ্রামের বাসিন্দা এক বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে তিনি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই মহিলারও একটি সন্তান রয়েছে। গত শুক্রবার তাঁকে বিয়েও করেন মিঠুন। কিন্তু পরিবার তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানতেন না।
মৃতের সম্পর্কিত দাদা মধুসুদন মণ্ডল বলেন, শনিবার মিঠুন দ্বিতীয় স্ত্রীকে তাঁর বাড়ি নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রথম স্ত্রী সেটা মেনে নিতে পারেননি। এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে অশান্তিও হয়। এরই মধ্যে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র পক্ষ থেকে মিঠুনের নামে থানায় মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়। দু’পক্ষই থানার সামনের রাস্তায় হাজির হয়। সেখানে বচসায় জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষই। পুলিস মিঠুনকে আটক করে। পরে অবশ্য দু’পক্ষের মীমাংসা হয়। তাতে ওই মহিলাকে তাঁর স্বামীর সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মিঠুনকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয় পুলিস। এরপর মনমরা হয়ে বাড়িতেই ছিল মিঠুন। রবিবার বিকেলের দিকে সে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার পথ বেছে নেন। তার লাইভ স্ট্রিমিংও করেন। পুলিস জানিয়েছে, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে মাড়গ্রাম থানার বামদেবপুর গ্রামে ছেলু মাল (৫৩) নামে এক প্রৌঢ়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুর একটা নাগাদ বাড়ির মধ্যেই তাঁকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতের ভাইপো মহাদেব মাল বলেন, ভাইফোঁটা উপলক্ষ্যে কাকিমা লাগোয়া ভাবকি গ্রামে বাবার বাড়ি গিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিলেন কাকা। এরই মধ্যে কাকা কীটনাশক খেয়ে ফেলেন। পুলিস জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তির জেরে ওই প্রৌঢ় আত্মহত্যা করেছেন।
মৃতের সম্পর্কিত দাদা মধুসুদন মণ্ডল বলেন, শনিবার মিঠুন দ্বিতীয় স্ত্রীকে তাঁর বাড়ি নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রথম স্ত্রী সেটা মেনে নিতে পারেননি। এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে অশান্তিও হয়। এরই মধ্যে ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র পক্ষ থেকে মিঠুনের নামে থানায় মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়। দু’পক্ষই থানার সামনের রাস্তায় হাজির হয়। সেখানে বচসায় জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষই। পুলিস মিঠুনকে আটক করে। পরে অবশ্য দু’পক্ষের মীমাংসা হয়। তাতে ওই মহিলাকে তাঁর স্বামীর সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মিঠুনকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয় পুলিস। এরপর মনমরা হয়ে বাড়িতেই ছিল মিঠুন। রবিবার বিকেলের দিকে সে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার পথ বেছে নেন। তার লাইভ স্ট্রিমিংও করেন। পুলিস জানিয়েছে, একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে মাড়গ্রাম থানার বামদেবপুর গ্রামে ছেলু মাল (৫৩) নামে এক প্রৌঢ়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুর একটা নাগাদ বাড়ির মধ্যেই তাঁকে কীটনাশক খাওয়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতের ভাইপো মহাদেব মাল বলেন, ভাইফোঁটা উপলক্ষ্যে কাকিমা লাগোয়া ভাবকি গ্রামে বাবার বাড়ি গিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিলেন কাকা। এরই মধ্যে কাকা কীটনাশক খেয়ে ফেলেন। পুলিস জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তির জেরে ওই প্রৌঢ় আত্মহত্যা করেছেন।



