সংবাদদাতা, বাগডোগরা: সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করতে বারণ করেছিলেন মা। তা নিয়ে মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য। সেই অভিমানে আত্মঘাতী হল ১৬ বছরের এক কিশোরী। শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। শিলিগুড়ির চম্পাসারির ওই কিশোরীর মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
এদিন মৃতার বাবা পুলিসকে জানিয়েছেন, শনিবার সকালে মেয়ে ফোনে ছবি আপলোড করছিল। সেই সময় আমার স্ত্রী মেয়েকে ছবি আপলোড করতে বারণ করে। কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, মেয়ের ঘরের দরজা জালনা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করলেও সে আর দরজা খোলেনি। এতেই সন্দেহ হয়। টিনের ঘরের ফাঁক দিয়ে দেখতে পাই, মেয়ে একটি শাড়ি গলায় জড়িয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। এরপর তড়িঘড়ি উদ্ধার করে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
দুপুরে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে আসা হয়। ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে সকলে। পরিবারের সদস্যরা আর কথা বলার মত পরিস্থিতিতে ছিলেন না।
এদিন আরও কয়েকটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মৃতদেহগুলি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছিল। ঝাড়খণ্ড থেকে অসমে বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য দিন কয়েক আগে রওনা হয়েছিলেন রতন ওরাওঁ (৪০) নামের এক ব্যক্তি। তিনদিন আগে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের বাইরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান সুমন বরদেওয়া নামের এক সমাজসেবী। শুক্রবার সেই ব্যক্তি মারা যান। তাঁর থেকে পাওয়া পরিচয়পত্র দেখে স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
পাসকেল খাঁখাঁ (৩৭) নামের বাগডোগরার গঙ্গারাম চা বাগানের এক ব্যক্তির শুক্রবার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। নকশালবাড়ি বেঙ্গাইজোতের বাসিন্দা মহম্মদ জয়নাল হক (৬৯) নামে এক ব্যক্তির ৬ ফেব্রুয়ারি টোটোর ধাক্কায় মৃত্যু হয়। এছাড়াও ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে বাইক ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সুভাষ মুন্ডা (৩৬) নামের এক যুবকের। ৬০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয় এদিন।
দুপুরে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে আসা হয়। ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে সকলে। পরিবারের সদস্যরা আর কথা বলার মত পরিস্থিতিতে ছিলেন না।
এদিন আরও কয়েকটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মৃতদেহগুলি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছিল। ঝাড়খণ্ড থেকে অসমে বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য দিন কয়েক আগে রওনা হয়েছিলেন রতন ওরাওঁ (৪০) নামের এক ব্যক্তি। তিনদিন আগে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের বাইরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান সুমন বরদেওয়া নামের এক সমাজসেবী। শুক্রবার সেই ব্যক্তি মারা যান। তাঁর থেকে পাওয়া পরিচয়পত্র দেখে স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
পাসকেল খাঁখাঁ (৩৭) নামের বাগডোগরার গঙ্গারাম চা বাগানের এক ব্যক্তির শুক্রবার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। নকশালবাড়ি বেঙ্গাইজোতের বাসিন্দা মহম্মদ জয়নাল হক (৬৯) নামে এক ব্যক্তির ৬ ফেব্রুয়ারি টোটোর ধাক্কায় মৃত্যু হয়। এছাড়াও ঘুরতে গিয়ে ফেরার পথে বাইক ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সুভাষ মুন্ডা (৩৬) নামের এক যুবকের। ৬০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয় এদিন।



