নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: মহিলাদের স্বনির্ভর করতে আরও এক ধাপ এগল সরকার। এবার কৃষিক্ষেত্রেও মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেবে সরকার। এনআরএলএম বা জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের আওতায় শুরু হচ্ছে ইন্টিগ্রিটেড ফার্মিং ক্লাস্টার। এই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের চাষের খুঁটিনাটি শেখানো হবে। চাষ করা থেকে শুরু করে উৎপাদিত ফসল বিক্রি, সবকিছুর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। আগামী তিন বছরের জন্য সঙ্ঘপিছু প্রায় ৪০লক্ষ টাকা করে ব্যয় করবে সরকার। চাষের জন্য উন্নতমানের কৃষি যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে যা প্রয়োজন সবই দেওয়া হবে।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এনিয়ে বৈঠক হয়েছে জেলায়। প্রাথমিকভাবে ঝালদা-১, ঝালদা-২, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর, হুড়া, কাশীপুর, মানবাজার-১, বান্দোয়ান ও আড়ষা মিলিয়ে মোট ৯টি ব্লকের প্রায় ২৪টি সঙ্ঘকে ইন্টিগ্রিটেড ফার্মিং ক্লাস্টারের প্রশিক্ষণ দেবে সরকার। ধাপে ধাপে সঙ্ঘের সংখ্যা বাড়ানো হবে। জেলার গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার(ডিআরডিসি) এক আধিকারিক বলেন, একটি শিশুকে যেভাবে মানুষ করা হয় সেভাবেই মহিলাদের স্বনির্ভর করতে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। সঙ্ঘের মহিলাদের নিজেদের পায়ে দাঁড় করাতে আগামী তিন বছর সময় নিচ্ছে সরকার। তিন বছর ধরে সঙ্ঘপিছু মোট ৪০লক্ষ টাকা করে খরচ করা হবে। প্রাথমিকভাবে সঙ্ঘ পিছু দু’লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ধীরে ধীরে বাকি টাকাও দেওয়া হবে।
জেলার গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার প্রজেক্ট ডিরেক্টর কমলচন্দ্র দে বলেন, একটি পঞ্চায়েত এলাকায় যতগুলো স্ব-সহায়ক দল রয়েছে, তাদের নিয়েই তৈরি হয়েছে একেকটি সঙ্ঘ। একেকটি সঙ্ঘে প্রায় ৩০০জন করে সদস্যা রয়েছেন। পুরুলিয়া জেলার পিছিয়ে পড়া ন’টি ব্লকের মহিলাদের নিয়েই প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। জেলার গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার দাবি, ধান রোয়া থেকে মাঠ থেকে ধান তোলা, জঙ্গলমহলের এইসব জেলায় মহিলাদেরই বেশি মাঠের কাজ করতে দেখা যায়। তবে তাঁরা পরিশ্রমের কাজ করলেও চাষের খুঁটিনাটির ব্যাপারে অবগত নন। কোন ফসলে কী সার লাগে, কোন পোকায় কী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়, কোন ফসল কোন সময়ে চাষ করলে লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যায়, এসব শেখানো হবে তাঁদের। উৎপাদিত ফসল বিক্রির সময় আদৌ কেউ যাতে ঠকিয়ে নিতে না পারে, সেই পাঠও দেওয়া হবে। এতে মহিলারা আর কোনও অংশেই পিছিয়ে থাকবে না।
মহিলাদের স্বনির্ভর করতে আরও একাধিক প্রকল্প রয়েছে সরকারের। পুরুলিয়া জেলায় এই মুহূর্তে প্রায় ৪৫হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। সময়মতো পরিশোধ করলে ‘আনন্দধারা’ প্রকল্পের অধীনে বার্ষিক মাত্র দু’শতাংশ হারে ঋণ পায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। ঋণ নিয়ে মহিলারা বিভিন্ন সামগ্রী নিজেদের হাতে তৈরি করে বিক্রি করেন। কেউ বা ছোটখাট ব্যবসা করছেন। কেউ কেউ দোকান খুলছেন। আবার বহু মহিলা ও গোষ্ঠী পুরনো ব্যবসা বাড়ান। গত কয়েক বছর ধরেই ঋণ দেওয়ার বিষয়কে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে পঞ্চায়েত দপ্তর।
জেলার গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার প্রজেক্ট ডিরেক্টর কমলচন্দ্র দে বলেন, একটি পঞ্চায়েত এলাকায় যতগুলো স্ব-সহায়ক দল রয়েছে, তাদের নিয়েই তৈরি হয়েছে একেকটি সঙ্ঘ। একেকটি সঙ্ঘে প্রায় ৩০০জন করে সদস্যা রয়েছেন। পুরুলিয়া জেলার পিছিয়ে পড়া ন’টি ব্লকের মহিলাদের নিয়েই প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। জেলার গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার দাবি, ধান রোয়া থেকে মাঠ থেকে ধান তোলা, জঙ্গলমহলের এইসব জেলায় মহিলাদেরই বেশি মাঠের কাজ করতে দেখা যায়। তবে তাঁরা পরিশ্রমের কাজ করলেও চাষের খুঁটিনাটির ব্যাপারে অবগত নন। কোন ফসলে কী সার লাগে, কোন পোকায় কী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়, কোন ফসল কোন সময়ে চাষ করলে লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যায়, এসব শেখানো হবে তাঁদের। উৎপাদিত ফসল বিক্রির সময় আদৌ কেউ যাতে ঠকিয়ে নিতে না পারে, সেই পাঠও দেওয়া হবে। এতে মহিলারা আর কোনও অংশেই পিছিয়ে থাকবে না।
মহিলাদের স্বনির্ভর করতে আরও একাধিক প্রকল্প রয়েছে সরকারের। পুরুলিয়া জেলায় এই মুহূর্তে প্রায় ৪৫হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। সময়মতো পরিশোধ করলে ‘আনন্দধারা’ প্রকল্পের অধীনে বার্ষিক মাত্র দু’শতাংশ হারে ঋণ পায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। ঋণ নিয়ে মহিলারা বিভিন্ন সামগ্রী নিজেদের হাতে তৈরি করে বিক্রি করেন। কেউ বা ছোটখাট ব্যবসা করছেন। কেউ কেউ দোকান খুলছেন। আবার বহু মহিলা ও গোষ্ঠী পুরনো ব্যবসা বাড়ান। গত কয়েক বছর ধরেই ঋণ দেওয়ার বিষয়কে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে পঞ্চায়েত দপ্তর।



