সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কুসুম সাহাকে পদ থেকে অপসারণ করলেন জঙ্গিপুরের মহকুমা শাসক। ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছিল। মঙ্গলবার প্রধানের পদ থেকে তাঁকে অপসারণ করেন মহকুমা শাসক একাম জে সিং। বিষয়টি জানাজানি হতেই ফরাক্কাজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়।
Advertisement
উল্লেখ্য, ফরাক্কা ব্লকের বাহাদুরপুর গ্রামপঞ্চায়েতের ১৩ নম্বর সংসদের ১৬ নম্বর আসনটি ওবিসি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। কুসুমদেবী ওই আসনে তৃণমূলের টিকিটে জয়লাভ করেন। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করে জানিয়েছিল, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করে গত পঞ্চায়েত ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছেন কুসুমদেবী। তাঁকেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর জাতিগত শংসাপত্র তদন্ত করে দেখার অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে কুসুমদেবীর জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তাতে অভিযোগের সত্যতা মেলে। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর শংসাপত্রটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। এরপর মঙ্গলবার মহকুমা শাসক তাঁকে প্রধানের পদ থেকে অপসারিত করেন। কুসুমদেবী বলেন, মহকুমা শাসক কিসের ভিত্তিতে এই পদ থেকে আমাকে অপসারণ করেছেন বুঝতে পারছি না। কারণ আমিও হাইকোর্টে আবেদন করেছি। হাইকোর্ট যেদিন আমকে নির্দেশ দেবে সেদিন আমি, তা মেনে নেব। তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। এবিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।



