সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার দক্ষিণ মহাদেবনগরে রেলের আন্ডারপাস হবে। সেই জন্য রেললাইন সংলগ্ন বস্তি উচ্ছেদের কাজ শুরু করেছে রেল। শুক্রবার সকালে উচ্ছেদ শুরু হওয়ায় বস্তিবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উচ্ছেদের ফলে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকু হারিয়ে কয়েকটি পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। রেলের কাছে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
পূর্ব রেলের মালদহ শাখার জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, এই শাখায় বর্তমানে উচ্চগতি সম্পন্ন ট্রেন চলাচল করে। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে সেখানে আন্ডারপাসের প্রয়োজন। কেউ রেলের জায়গা দখল করে থাকলে, তাকে তো ছেড়ে দিতেই হবে। উচ্ছেদের বিষয়ে আগেই নোটিস করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ মহাদেবনগরে বটতলা ও অর্জুনপুরে রেলের আন্ডারপাসের কাজ শুরু হয়েছে। এতদিন সেখানে রেল গেট ছিল। ট্রেন আসার আগে রেলগেট বন্ধ করে দেওয়া হতো। তা সত্ত্বেও গেট উপেক্ষা করে পারাপার করায় বিপদ ঘটে। তাছাড়া রেললাইনে প্রায়ই গবাদি পশু চলে আসার ঘটনাও ঘটছিল। এদিন সকাল থেকে রেলগেট ভাঙার কাজ শুরু করে রেলদপ্তর। রেলপুলিস বস্তিবাসীকে এসে বাড়িঘর ভেঙে নিতে বলে। বাসিন্দারা সকাল থেকেই ঘর ভেঙে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নেন।
গৃহবধূ আমিনা খাতুন ও সেরিনা বিবি বলেন, ওরা বলছে ঘর ভেঙে নিতে। রেলের কাজ শেষ হলে আবার বাস করতে বলেছে। কিন্তু, এই অবস্থায় ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে কোথায় যাব? আমাদের কোথাও থাকার জায়গা নেই। রেল আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিক।
জেলা পরিষদের সদস্যা মহাসিনা খাতুনের স্বামী সহিদুল আলম বলেন, উচ্ছেদ করতে হলে আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক রেল। পুনর্বাসন না করে এই এলাকায় যাতে আন্ডারপাস না করা হয় তারজন্য মালদহ ডিআরএমকে মাসপিটিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ মহাদেবনগরে বটতলা ও অর্জুনপুরে রেলের আন্ডারপাসের কাজ শুরু হয়েছে। এতদিন সেখানে রেল গেট ছিল। ট্রেন আসার আগে রেলগেট বন্ধ করে দেওয়া হতো। তা সত্ত্বেও গেট উপেক্ষা করে পারাপার করায় বিপদ ঘটে। তাছাড়া রেললাইনে প্রায়ই গবাদি পশু চলে আসার ঘটনাও ঘটছিল। এদিন সকাল থেকে রেলগেট ভাঙার কাজ শুরু করে রেলদপ্তর। রেলপুলিস বস্তিবাসীকে এসে বাড়িঘর ভেঙে নিতে বলে। বাসিন্দারা সকাল থেকেই ঘর ভেঙে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নেন।
গৃহবধূ আমিনা খাতুন ও সেরিনা বিবি বলেন, ওরা বলছে ঘর ভেঙে নিতে। রেলের কাজ শেষ হলে আবার বাস করতে বলেছে। কিন্তু, এই অবস্থায় ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে কোথায় যাব? আমাদের কোথাও থাকার জায়গা নেই। রেল আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিক।
জেলা পরিষদের সদস্যা মহাসিনা খাতুনের স্বামী সহিদুল আলম বলেন, উচ্ছেদ করতে হলে আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক রেল। পুনর্বাসন না করে এই এলাকায় যাতে আন্ডারপাস না করা হয় তারজন্য মালদহ ডিআরএমকে মাসপিটিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি।



